অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন। তাদের পেট ঠিক মতো পরিষ্কার হয় না। এই সমস্যা থেকে বিভিন্ন ধরনের অসুখ হতে পারে। তাই প্রতিদিন পেট পরিষ্কার করা জরুরি। কিন্তু কীভাবে? এর সমাধান রয়েছে একটি
সেহেরি খাওয়া সুন্নত। রোজা রাখার উদ্দেশ্যে শেষরাতে ঊষা উদয়ের আগে যে পানাহার করা হয়, তা-ই সেহেরি। আল্লাহর রাসুল (স.) সেহেরি খাওয়ার জন্য উম্মতকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। বলেছেন, ‘তোমরা সেহেরি খাও। কেননা,
আসছে অত্যন্ত বরকতপূর্ণ মাস পবিত্র রমজান। প্রকৃত মুসলমানরা এই মাস আগমনের প্রহর গুনেন। কেননা এই মাসে রয়েছে গুনাহ মাফ, আল্লাহর রহমত লাভ ও বিপুল নেকি লাভের অবারিত সুযোগ। মাহে রমজানে
জুমার দ্বিতীয় আজানের আগে চার রাকাত নামাজ পড়া সুন্নত। যা ‘কাবলাল জুমা’ নামে পরিচিত। জুমার নামাজের আগের এই চার রাকাত সুন্নত হাদিস ও আসার তথা সাহাবা ও তাবেয়িনদের মুতাওয়াতির (ধারাবাহিক)
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর সুরা, জিকির ও দরুদপাঠের যেমন গুরুত্ব রয়েছে, তেমনি কিছু দোয়া পাঠের কথাও বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে হাদিস শরিফে। এখানে সেরকম তিনটি দোয়া হাদিসের আলোকে তুলে ধরা হলো।
প্রিয়নবী (স.)-এর কাছে রাতের বেলার নামাজ, তেলাওয়াত, দোয়ার গুরুত্ব ছিল। কিছু সুরা পাঠ রাতের নিয়মিত আমল ছিল নবীজির। ৪টি সুরার ব্যাপারে হাদিসে এসেছে, ওই ৪ সুরা না পড়ে তিনি ঘুমাতেন
রাসুলুল্লাহ (স.) কিছু দোয়া খুব গুরুত্বের সঙ্গে সাহাবিদের মুখস্থ করাতেন। এর মধ্যে জীবন-মৃত্যুর ফেতনা সংক্রান্ত এক দোয়া সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, দোয়াটি তিনি কোরআনের সুরা মুখস্থ করানোর মতো করেই শেখাতেন। যে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হেনস্তার শিকার হয়েছে কিংবা এর ফলে আত্মহত্যার দিকে ধাবিত হয়েছে এমন শিশুদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ। টেক জায়ান্ট মেটার এই প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজেও
কোরআন তেলাওয়াতের একটি আদব হলো তেলাওয়াতের সময় কান্না করা। বিশেষ করে মৃত্যু, পরকাল, আল্লাহর সীমাহীন দয়া ও আজাব সংক্রান্ত আয়াতে নবীজি (স.) ও সাহাবিরা কান্না করতেন। অনেক সময় কান্নায় লুটিয়ে
ঈমান আনার পর একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো নামাজ পড়া। এটি ফরজ ইবাদত ও ইসলামের অন্যতম রুকন। ঘরে-বাইরে, দেশে-বিদেশে, সাগরে-মহাকাশে যেখানে যে অবস্থায়ই থাকেন না কেন, সুন্নাহ পদ্ধতিতে সময়মতো
ইসলামে মানুষের জীবনের শেষ আমলটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শেষ আমলের কারণে বদলে যেতে পারে আমলনামা। যেমন সারাজীবন গুনাহ করা লোকটিকে যদি মৃত্যুর আগে আল্লাহ তাওবার সুযোগ দেন, তাহলে সে জান্নাতবাসী
মৃতব্যক্তিকে দাফন করার পর কবরে খেজুর গাছের ডাল বা অন্য গাছের ডাল পুঁতে দেওয়া শরিয়তসম্মত কোনো আমল কি না জানার কৌতূহল রয়েছে অনেকের। এ প্রসঙ্গে ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, কবরে খেজুর
মহান আল্লাহর অনেকগুলো গুণবাচক নামের মধ্যে দুটি হলো—আল কাহহার (তথা মহাপ্রতাপশালী বা দমনকারী বা শাস্তিদাতা) এবং জুনতিকাম (প্রতিশোধ গ্রহণকারী)। কিন্তু তিনি দ্রুত শাস্তি দেওয়ার পরিবর্তে বান্দাকে ক্ষমা করতে প্রস্তুত থাকেন।
ছোট শিশুরা অনেক সময় ভয় পেয়ে অস্বাভাবিক আচরণ করে অথবা সবসময় কান্নাকাটি করতে থাকে। তখন তাদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে নবীজি (স.)-এর শেখানো দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া উচিত। এরকম
মসজিদ পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্রতম স্থান। সাধারণত নামাজ ও জিকিরের স্থান এটি। এরপরও মসজিদে প্রসঙ্গক্রমে দুনিয়াবি বৈধ কথাবার্তা বলা জায়েজ। এর বৈধতা রাসুলুল্লাহ (স.) এবং সাহাবায়ে কেরামের আমল দ্বারা প্রমাণিত। (দ্রষ্টব্য