পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর সুরা, জিকির ও দরুদপাঠের যেমন গুরুত্ব রয়েছে, তেমনি কিছু দোয়া পাঠের কথাও বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে হাদিস শরিফে। এখানে সেরকম তিনটি দোয়া হাদিসের আলোকে তুলে ধরা হলো।
সুখে-দুখে সর্বাবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করতে হবে। কারণ আল্লাহ তাআলা বান্দাকে কখনও সুখ দেন, কখনওবা দুঃখ দিয়ে পরীক্ষা করেন অথবা মর্যাদায় উন্নীত করেন। ভালো সংবাদে যেমন আল্লাহর প্রশংসা করা কর্তব্য, তেমনি
দেশের আকাশে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) হিজরি শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সেই হিসেবে ২৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে (শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে) শবে বরাত পালিত হবে। আজ সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনে
প্রিয়নবী (স.)-এর কাছে রাতের বেলার নামাজ, তেলাওয়াত, দোয়ার গুরুত্ব ছিল। কিছু সুরা পাঠ রাতের নিয়মিত আমল ছিল নবীজির। ৪টি সুরার ব্যাপারে হাদিসে এসেছে, ওই ৪ সুরা না পড়ে তিনি ঘুমাতেন
রাসুলুল্লাহ (স.) কিছু দোয়া খুব গুরুত্বের সঙ্গে সাহাবিদের মুখস্থ করাতেন। এর মধ্যে জীবন-মৃত্যুর ফেতনা সংক্রান্ত এক দোয়া সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, দোয়াটি তিনি কোরআনের সুরা মুখস্থ করানোর মতো করেই শেখাতেন। যে
কোরআন তেলাওয়াতের একটি আদব হলো তেলাওয়াতের সময় কান্না করা। বিশেষ করে মৃত্যু, পরকাল, আল্লাহর সীমাহীন দয়া ও আজাব সংক্রান্ত আয়াতে নবীজি (স.) ও সাহাবিরা কান্না করতেন। অনেক সময় কান্নায় লুটিয়ে
গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। রোববার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ১ মিনিটে আখেরি মোনাজাত শুরু হয়ে ৯টা ২৩ মিনিটে শেষ হয়। ২২
ঈমান আনার পর একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো নামাজ পড়া। এটি ফরজ ইবাদত ও ইসলামের অন্যতম রুকন। ঘরে-বাইরে, দেশে-বিদেশে, সাগরে-মহাকাশে যেখানে যে অবস্থায়ই থাকেন না কেন, সুন্নাহ পদ্ধতিতে সময়মতো
দেশের আকাশে আজ কোথাও রজব মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল শনিবার পবিত্র জমাদিউস সানি মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং রোববার থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা করা হবে। ফলে
ইসলামে রমজান সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ ও বরকতময় মাস। এই মাসের একটি মহান রাতের নাম শবে কদর, যা হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। এদিকে শবে বরাতের ফজিলতও সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। তাই ধর্মপ্রাণ
ইসলামে মানুষের জীবনের শেষ আমলটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শেষ আমলের কারণে বদলে যেতে পারে আমলনামা। যেমন সারাজীবন গুনাহ করা লোকটিকে যদি মৃত্যুর আগে আল্লাহ তাওবার সুযোগ দেন, তাহলে সে জান্নাতবাসী
মৃতব্যক্তিকে দাফন করার পর কবরে খেজুর গাছের ডাল বা অন্য গাছের ডাল পুঁতে দেওয়া শরিয়তসম্মত কোনো আমল কি না জানার কৌতূহল রয়েছে অনেকের। এ প্রসঙ্গে ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, কবরে খেজুর
মহান আল্লাহর অনেকগুলো গুণবাচক নামের মধ্যে দুটি হলো—আল কাহহার (তথা মহাপ্রতাপশালী বা দমনকারী বা শাস্তিদাতা) এবং জুনতিকাম (প্রতিশোধ গ্রহণকারী)। কিন্তু তিনি দ্রুত শাস্তি দেওয়ার পরিবর্তে বান্দাকে ক্ষমা করতে প্রস্তুত থাকেন।
ছোট শিশুরা অনেক সময় ভয় পেয়ে অস্বাভাবিক আচরণ করে অথবা সবসময় কান্নাকাটি করতে থাকে। তখন তাদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে নবীজি (স.)-এর শেখানো দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া উচিত। এরকম
মসজিদ পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্রতম স্থান। সাধারণত নামাজ ও জিকিরের স্থান এটি। এরপরও মসজিদে প্রসঙ্গক্রমে দুনিয়াবি বৈধ কথাবার্তা বলা জায়েজ। এর বৈধতা রাসুলুল্লাহ (স.) এবং সাহাবায়ে কেরামের আমল দ্বারা প্রমাণিত। (দ্রষ্টব্য