1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
মসজিদে কথা বললে কি ফেরেশতারা অভিশাপ দেন? - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঘাটাইলে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। বাসুদেবপুর চন্দ্র কিশোর স্কুল অ্যান্ড কলেজে মৃত্যু ও অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা আন্তর্জাতিক পিস অ্যাওয়ার্ড পেলেন নবকাম পল্লী কলেজের অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান টঙ্গীবাড়ীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন নিষিদ্ধ সংগঠন আ.লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে জামালপুরে শ্রমিকদলের বিক্ষোভ মিছিল  পলাশবাড়ীতে প্রায় ৩০ কিঃ মিঃ রাস্তায় বৃক্ষ রোপণ করে অমর হয়ে আছেন আব্দুল হাকিম স্যার নবীনগরে তিতাস বয়েজ ক্লাবের উদ্যোগ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা কাশিয়ানীতে ১৩২ নং স্কুলের বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে কাদা-ডাস্ট যুক্ত পাথরে ঢালাই, ঠিকাদারের দায়িত্বশীল লোক নেই পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উদযাপন গোপালগঞ্জে এনসিপির ৪ উপজেলায় আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

মসজিদে কথা বললে কি ফেরেশতারা অভিশাপ দেন?

Reporter Name
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৩২ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

মসজিদ পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্রতম স্থান। সাধারণত নামাজ ও জিকিরের স্থান এটি। এরপরও মসজিদে প্রসঙ্গক্রমে দুনিয়াবি বৈধ কথাবার্তা বলা জায়েজ। এর বৈধতা রাসুলুল্লাহ (স.) এবং সাহাবায়ে কেরামের আমল দ্বারা প্রমাণিত। (দ্রষ্টব্য সহিহ বুখারি: ১/৬৩, ৬৪, ৬৫; রদ্দুল মুহতার (শামী): ১/৬৬২; আললু’লুউল মারসু: ৭৮, সহিহ মুসলিম: ২৮৫)

মসজিদে কথা বলা নিয়ে কিছু জাল বর্ণনা প্রচলিত রয়েছে সমাজে। যেমন এক বর্ণনামতে, ‘মসজিদে কেউ কথা বললে ফেরেশতারা বলে হে আল্লাহর ওলি! চুপ কর। যদি এরপরও কথা বলে তখন ফেরেশতারা বলে, হে আল্লাহর দুশমন! চুপ কর। তারপরও যদি সে ক্ষান্ত না হয় তাহলে বলে, তোমার ওপর আল্লাহর লানত, চুপ কর।’

এটি লোকমুখে হাদিস হিসেবে প্রসিদ্ধ হলেও বাস্তবে এটি কোনো হাদিস নয়, কোনো হাদিসের ভাষ্যও নয়। এর কোনো সনদই খুঁজে পাওয়া যায় না। শায়খ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আশশাকিরি (রহ) তাঁর কিতাব ‘আসসুনানু ওয়াল মুবতাদিআত’-এ বর্ণনাটি উল্লেখ করে বলেন- ‘এটি একটি মিথ্যা ও বানোয়াট বর্ণনা। (দ্র. আসসুনানু ওয়াল মুবতাদিআত, পৃ-৫৩)

এরকম আরেকটি জাল বর্ণনা হলো- ‘মসজিদে (দুনিয়াবি) কথাবার্তা নেকিকে এমনভাবে খতম করে, যেমন আগুন কাঠকে জ্বালিয়ে ভস্ম করে।’ একই অর্থবোধক আরেকটি বর্ণনা হলো- ‘মসজিদে কথাবার্তা নেক আমল খায়, যেরূপ পশু ঘাস-খড় খায়।’ এধরণের আরও বানোয়াট বর্ণনা সমাজে প্রচলিত রয়েছে। এসব বর্ণনা কোনো হাদিসের কিতাবে পাওয়া যায় না।

তবে হ্যাঁ, মসজিদকে দুনিয়াবি কথা ও অপ্রয়োজনীয় কথা বলার আসর বানানো জায়েজ নয়। মসজিদ ছাড়াও যেকোনো স্থানে অযথা কথা বলা মুমিনের বৈশিষ্ট্য নয়। রাসুল (স.) বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তির ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো অর্থহীন কথা বা কাজ ত্যাগ করা।’ (তিরমিজি: ২৩১৮) পবিত্র কোরআনে প্রকৃত মুমিনদের পরিচয় বর্ণিত হয়েছে এভাবে— ‘তারা অনর্থক কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকে।’ (সুরা মুমিনুন: ৩)

অতএব মসজিদের আদব রক্ষা করার চেষ্টা করতে হবে। অযথা আলাপ ও উঁচু আওয়াজে কথা না বলা পরিহার করতে হবে। এমনকি মসজিদে কোরআন তেলাওয়াতও এমন উঁচু আওয়াজে করা যাবে না, যে কারণে অন্য মুসল্লির আমলে ব্যাঘাত ঘটে। আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বর্ণনা বলেন-রাসুলুল্লাহ (স.) এক ইতেকাফের সময় সাহাবিদেরকে (নামাজে অথবা নামাজের বাইরে) উঁচু আওয়াজে তেলাওয়াত করতে শুনলেন। তখন পর্দা সরিয়ে বললেন, প্রত্যেকেই তার রবের সঙ্গে একান্তে কথা বলে; সুতরাং কেউ যেন কাউকে কষ্ট না দেয়- একে অপরের চেয়ে উঁচু আওয়াজে তেলাওয়াত না করে।’ (সুনানে আবু দাউদ: ১৩৩২)

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন