মানুষের শরীরে পা লেগে গেলে হাতের স্পর্শে সালাম করা আমাদের সমাজের একটি প্রচলন মাত্র। এটি শরিয়তের কোনো বিধান নয়। অর্থাৎ এক্ষেত্রে গায়ে হাত লাগিয়ে সালাম করার কোনো বিধান ইসলামে নেই।
কেয়ামতের দিন মহান আল্লাহর সুদৃষ্টি থেকে বঞ্চিত হবে কিছু মানুষ। বড় শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে তাদের। হাদিসের আলোকে তাদের পরিচয় নিচে তুলে ধরা হলো। ১. উপকার করে খোঁটা দানকারী ২.
আত্মীয়-স্বজন, মুসলিম ভাই-বন্ধুর সঙ্গে স্থায়ী সম্পর্কচ্ছেদ ইসলামে জায়েজ নেই। এমনকি অভিমানেরও সীমারেখা রয়েছে। কেননা এই মান-অভিমান বেশিদিন স্থায়ী হলে সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘কোনো মুসলমানের জন্য বৈধ
সালাম ইসলামি অভিবাদন। পাশাপাশি এটি একটি দোয়াও। সালাম অর্থ শান্তি, কল্যাণ কামনা ইত্যাদি। এর মাধ্যমে মুসলিম ভাইয়ের শান্তি কামনা করা হয়। একইসঙ্গে ভালোবাসা ও সম্প্রীতি প্রকাশ করা হয়। ফলে ভ্রাতৃত্ব
হাদিস শরিফে প্রিয়নবীজি (স.) তাঁর উম্মতকে এমন এক সুন্দর আমলের নির্দেশনা দিয়েছেন, যে আমলে একইসঙ্গে মুনাফেকি ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। সুন্দর আমলটি হলো চল্লিশ দিন জামাতের সঙ্গে নামাজ
পরনিন্দা বা গিবত ঘৃণিত অভ্যাস। বর্তমান সমাজের প্রতিটি মজলিসে, ঘরে ঘরে, রন্ধ্রে রন্ধ্রে এই ঘৃণ্য অভ্যাসটি ছড়িয়ে পড়ছে। অধিকাংশ আড্ডা আজ গিবতে পূর্ণ। সাধারণ মানুষ দূরের কথা, অনেক দ্বীনদার-পরহেজগারও এ
পবিত্র কোরআনে কারিমে এমন কিছু আয়াত রয়েছে, যেগুলোর তেলাওয়াত করলে বা শুনলে মুমিন পাঠক ও শ্রোতাকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে একটি সেজদা করতে হয়। এই সেজদাকে সেজদায়ে তেলাওয়াত বলা হয়। এই সেজদা
আগামী ২৯ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম চত্বরে আন্তর্জাতিক কোরআন তেলাওয়াত সংস্থা ইক্বরা’র উদ্যোগে ও পিএইচপি ফ্যামিলির পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বর্তমান বিশ্বের
ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, জান্নাতে শুধু তারাই যাবেন, যাদের অন্তত ছয় বিষয়ে ঈমান বা বিশ্বাস রয়েছে। না দেখেই বিশ্বাস করা; স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করার পর ঈমান আনার কিছুই নেই। ঈমানের ছয়টি স্তম্ভ
অর্থনৈতিক দুরবস্থা, পারিবারিক সমস্যা, একাকিত্ব—সব মিলিয়ে আমরা অনেকসময় বিচলিত হয়ে পড়ি। কোনোভাবেই শান্তি পাই না। সবকিছুই অন্ধকার মনে হয়। এই অবস্থা থেকে ফিরে আসার সবচেয়ে কার্যকর একটি ওষুধ হলো আল্লাহর
হাশরের দিন বান্দার নেক আমল নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, দান-সদকাসহ সব ইবাদতের একেকটা আকৃতি থাকবে এবং তারা মানুষের মুক্তির জন্য ভূমিকা রাখবে। এসবের মাঝে কোরআনের ভূমিকা থাকবে বেশি। সহিহ মুসলিমে
কৃপণ বলতে সাধারণত এমন লোককেই বোঝানো হয়, যিনি অর্থ ব্যয় করতে অনিচ্ছুক, এমনকি মৌলিক প্রয়োজনেও টাকা খরচ করতে চান না জমা করার জন্য। কৃপণ শব্দটির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ব্যয়কুণ্ঠ বা
আল্লাহ তাআলা বান্দার প্রত্যেক ভালো কাজের প্রতিদান দেন। কাউকে দুনিয়ায় দেওয়া হয়। কেউ আখেরাতে পাবে। কেউ আখেরাতে ও দুনিয়ায় একসঙ্গে পায়। আবার কারো ভালো কাজের পুরস্কার শুধুমাত্র পরকালের জন্য সীমাবদ্ধ।
ঘুমের আগে-পরের দোয়া হয়ত সবাই জানি। কিন্তু আমাদের অনেকেই জানি না ঘুমের আগে একটি বিশেষ দোয়ার কথা বলেছেন নবীজি (স.)। দোয়াটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ঘুম হলো মৃত্যুর মতো। দোয়াটি পড়ে
ফেরেশতারা পবিত্র ও নিষ্পাপ মাখলুক। তারা সর্বদা আল্লাহর তাসবিহ ও ইবাদতে মগ্ন থাকেন। তাদের দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কিছু মানুষের জন্য ফেরেশতারা দোয়া করলেও কোনো কোনো হতভাগার কপালে জুটে