আজকের পৃথিবী অভূতপূর্ব রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব মানুষের হাতে এনে দিয়েছে ত্বরিত যোগাযোগের সুযোগ, খুলে দিয়েছে চিন্তা–বিশ্বাসের নতুন দিগন্ত। যুগে যুগে মানুষ প্রভাবিত হয়েছে নানা শ্রেণির ব্যক্তিত্ব দ্বারা—কখনো
ইসলামের বর্ণনায় কেয়ামতের আগে সংঘটিত হবে—এমন কিছু বড় আলামতের কথা রাসুলুল্লাহ (স.) বহু হাদিসে উল্লেখ করেছেন। তার মধ্যে অন্যতম হলো সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদয় হওয়া। এটি এমন এক অলৌকিক
পবিত্র কোরআন ও হাদিসে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর প্রতি আল্লাহ তাআলার গভীর ভালোবাসা ও বিশেষ মর্যাদার অসংখ্য নিদর্শন বিধৃত রয়েছে। এই ভালোবাসা কেবল মৌখিক ঘোষণায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাঁর সমগ্র
জীবনের চারটি ভয়াবহ সংকট থেকে নিরাপদ থাকার এক অতুলনী আমল শিখিয়েছেন রাসুলুল্লাহ (স.)। তিনি সাহাবাদেরকে এই দোয়া এমন গুরুত্ব দিয়ে শিখিয়েছেন, যেমনভাবে কোরআনের সুরা শিক্ষা দিতেন। আজকের অস্থির সময়ে এই
হেদায়াত শুধু আল্লাহর হাতে। কিন্তু তিনি এটি দেন কিছু বিশেষ গুণের অধিকারীদেরই। আল্লাহ তাআলা স্বয়ং তাঁর প্রিয় নবী মুহাম্মদ (স.)-কে এই বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন- ‘আপনি যাকে ভালোবাসেন, তাকে
শরিয়তের পরিভাষায় মান্নত হলো- কোনো মুকাল্লাফ (শরিয়তের বিধান প্রযোজ্য) ব্যক্তি নিজের ওপর এমন কোনো কাজ আবশ্যক করা, যা শরিয়ত প্রণেতা আবশ্যক করেননি। (আল-ফিকহু আলা মাজাহিবিল আরবায়া: ২/৭৭৯) মান্নতের শরয়ি বিধান
ইসলামি জ্ঞান চর্চায় কিছু বিষয় মুখস্থ করার গুরুত্ব রয়েছে। যেমন- কোরআন, হাদিস, দোয়া এবং শরিয়তের মৌলিক নির্দেশনাসমূহ মুখস্থ করা প্রতিটি মুসলিমের জন্য বড়ই ফজিলতপূর্ণ কাজ। এটি শুধু ধর্মীয় দায়িত্ব পালন
কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা।। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ
সঞ্জয় শীল, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)।। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও ওফাত দিবস উপলক্ষে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সাম্য ও সম্প্রতির স্লোগানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী
ইসলামের ইতিহাসে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) এক অনন্য মর্যাদার অধিকারী। রাসুলুল্লাহ (স.)-এর সরাসরি সান্নিধ্যে থেকে তাঁরা ইসলামের মৌলিক শিক্ষাগুলো আত্মস্থ করেছিলেন এবং নিজেদের জীবনকে ইসলামের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁদের জীবনের কিছু
ইসলামে গায়েবি সাহায্য বা অদৃশ্য সহায়তা আল্লাহর পক্ষ থেকে মুমিনদের জন্য এক বিশেষ নেয়ামত। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এমন বহু দোয়া বর্ণিত হয়েছে, যা বিপদ, দুশ্চিন্তা বা যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে
ইসলামে সৎসঙ্গ বা আল্লাহওয়ালাদের সংসর্গকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সৌভাগ্যের বিষয় হিসেবে গণ্য করা হয়। সৎসঙ্গ একজন ব্যক্তিকে সঠিক পথে পরিচালিত করে, উত্তম চরিত্র গঠনে সহায়তা করে এবং তাকে দুনিয়া ও
ইবাদতে ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নতের পার্থক্য জানা জরুরি। অজ্ঞতার কারণে অনেকেই সুন্নত আমল বাদ পড়লে নামাজ ভেঙে গেছে মনে করে দুশ্চিন্তায় পড়েন। যেমন বিতির নামাজে দোয়া কুনুতের আগে তাকবির ও
প্রত্যেক মুমিনের সর্বোচ্চ আকাঙ্ক্ষা হলো তার আমলসমূহ, বিশেষত নামাজ, আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়া। কিন্তু অজ্ঞতা বা অবহেলার কারণে অনেক সময় নামাজে এমন ত্রুটি থেকে যায়, যা এর গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
ইসলামে দোয়া একটি স্বতন্ত্র ও গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। সাহাবি নোমান বিন বাশির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘দোয়াই ইবাদত।’ (আবু দাউদ: ১৪৮১) হাদিসে আরও এসেছে, ‘আল্লাহর কাছে দোয়ার চেয়ে সম্মানিত