মিষ্টি স্বাদের একটি ড্রাই ফ্রুট খেজুর। শরীরের যত্ন নিতে এর ওপর ভরসা রাখা যায়। রোজ খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। প্রতিদিন একটি করে খেজুর খেলে শরীরে কী কী উপকার মেলে?
আমাদের জিভের পেছনের দিকে গলার দুই পাশে যে গোলাকার পিণ্ডটি দেখা যায়, তাকে টনসিল বলেন। এই অংশটি মুখ, নাক, গলার মাধ্যমে শরীরে কোনো রোগজীবাণু ঢুকতে বাধা দেয়। টনসিল গ্ল্যান্ড সংক্রমিত
প্রিয়নবী (স.) উম্মতকে তা-ই শিখিয়ে গেছেন, যে শিক্ষার মধ্যে নিহিত রয়েছে সবরকম কল্যাণ। নবীজির সুন্নত অনুসরণে শুধুই লাভ; কোনো ক্ষতি নেই। তাঁর দেখানো পথ সবচেয়ে উন্নত ও বিজ্ঞানসম্মত। তিনি এমন
শীতের মৌসুম শুরু হয়েছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে শীতের প্রকোপ বেড়েছে। সামনে ভালোমতোই শীত নামার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শীতের মৌসুমে সাধারণত ফজরের নামাজের সময় ঘর থেকে কাপড় দিয়ে নাক-মুখ
কেয়ামতের দিন মহান আল্লাহর সুদৃষ্টি থেকে বঞ্চিত হবে কিছু মানুষ। বড় শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে তাদের। হাদিসের আলোকে তাদের পরিচয় নিচে তুলে ধরা হলো। ১. উপকার করে খোঁটা দানকারী ২.
আত্মীয়-স্বজন, মুসলিম ভাই-বন্ধুর সঙ্গে স্থায়ী সম্পর্কচ্ছেদ ইসলামে জায়েজ নেই। এমনকি অভিমানেরও সীমারেখা রয়েছে। কেননা এই মান-অভিমান বেশিদিন স্থায়ী হলে সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘কোনো মুসলমানের জন্য বৈধ
শীত এলেই কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে রাহেলা খাতুনের। তাপমাত্রা একটু কমতে শুরু করলেই বাড়তে শুরু করে পিঠ আর কোমর ব্যথা। সময়ের সঙ্গে তা আরও বাড়তে থাকে। কেবল রাহেলা নন, শীতকালীন
ডিমের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা বেশ জোরালো। এমন কোনো পরিবার খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে এই খাবারটি খাওয়া হয় না। বিশেষত সকালের নাশতায় এর সরব উপস্থিতির দেখা মেলে। হরেক উপায়ে ডিম
পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের খাতির যত্ন করলেও নিজের প্রতি উদাসীন থাকেন নারীরা। শারীরিক অসুস্থতাকে পাত্তাই দিতে চান না। এমনি সেরে যাবে— কথা দিয়ে বুঝ দেন। আর সমস্যা যদি হয় গোপন তাহলে
সালাম ইসলামি অভিবাদন। পাশাপাশি এটি একটি দোয়াও। সালাম অর্থ শান্তি, কল্যাণ কামনা ইত্যাদি। এর মাধ্যমে মুসলিম ভাইয়ের শান্তি কামনা করা হয়। একইসঙ্গে ভালোবাসা ও সম্প্রীতি প্রকাশ করা হয়। ফলে ভ্রাতৃত্ব
হাদিস শরিফে প্রিয়নবীজি (স.) তাঁর উম্মতকে এমন এক সুন্দর আমলের নির্দেশনা দিয়েছেন, যে আমলে একইসঙ্গে মুনাফেকি ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। সুন্দর আমলটি হলো চল্লিশ দিন জামাতের সঙ্গে নামাজ
পরনিন্দা বা গিবত ঘৃণিত অভ্যাস। বর্তমান সমাজের প্রতিটি মজলিসে, ঘরে ঘরে, রন্ধ্রে রন্ধ্রে এই ঘৃণ্য অভ্যাসটি ছড়িয়ে পড়ছে। অধিকাংশ আড্ডা আজ গিবতে পূর্ণ। সাধারণ মানুষ দূরের কথা, অনেক দ্বীনদার-পরহেজগারও এ
পবিত্র কোরআনে কারিমে এমন কিছু আয়াত রয়েছে, যেগুলোর তেলাওয়াত করলে বা শুনলে মুমিন পাঠক ও শ্রোতাকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে একটি সেজদা করতে হয়। এই সেজদাকে সেজদায়ে তেলাওয়াত বলা হয়। এই সেজদা
আগামী ২৯ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম চত্বরে আন্তর্জাতিক কোরআন তেলাওয়াত সংস্থা ইক্বরা’র উদ্যোগে ও পিএইচপি ফ্যামিলির পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বর্তমান বিশ্বের
ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, জান্নাতে শুধু তারাই যাবেন, যাদের অন্তত ছয় বিষয়ে ঈমান বা বিশ্বাস রয়েছে। না দেখেই বিশ্বাস করা; স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করার পর ঈমান আনার কিছুই নেই। ঈমানের ছয়টি স্তম্ভ