1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
গুলশানেই থাকছেন প্রধানমন্ত্রী, কেপিআইভুক্ত হলো বাসভবন - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমান সরকার দেশকে মরুভূমির হাত থেকে রক্ষায় খাল খনন ও নদী ভাঙ্গন এলাকায় মানুষের পাশে দাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে-প্রতিমন্ত্রী আজাদ গাঁজা খেতে না দেওয়ায় পূজায় বাধা, ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ ঘাটাইলে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। বাসুদেবপুর চন্দ্র কিশোর স্কুল অ্যান্ড কলেজে মৃত্যু ও অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা আন্তর্জাতিক পিস অ্যাওয়ার্ড পেলেন নবকাম পল্লী কলেজের অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান টঙ্গীবাড়ীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন নিষিদ্ধ সংগঠন আ.লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে জামালপুরে শ্রমিকদলের বিক্ষোভ মিছিল  পলাশবাড়ীতে প্রায় ৩০ কিঃ মিঃ রাস্তায় বৃক্ষ রোপণ করে অমর হয়ে আছেন আব্দুল হাকিম স্যার নবীনগরে তিতাস বয়েজ ক্লাবের উদ্যোগ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা কাশিয়ানীতে ১৩২ নং স্কুলের বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে কাদা-ডাস্ট যুক্ত পাথরে ঢালাই, ঠিকাদারের দায়িত্বশীল লোক নেই

গুলশানেই থাকছেন প্রধানমন্ত্রী, কেপিআইভুক্ত হলো বাসভবন

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ১৩০ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ প্রস্তুত রাখা হলেও সেখানে স্থায়ীভাবে থাকছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর গুলশানে নিজের বর্তমান বাসভবনেই থাকছেন তিনি। আর এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনকে ‘বিশেষ শ্রেণির’ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে এই বাসভবন ও এর আশপাশের এলাকা সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় চলে এসেছে।

গত ১৫ জুন এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারির পর গত শুক্রবার সরকারের পক্ষ থেকে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুন কেপিআই-সংক্রান্ত কমিটির (কেপিআইডিসি) মাসিক সভায় গুলশানের এই বাড়িটিকে বিশেষ শ্রেণির কেপিআই হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়, যাতে পরবর্তীতে সরকার সম্মতি দেয়।

গত বছরের ৫ জুন অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার হাতে গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়ির নামজারির কাগজ হস্তান্তর করে। ১৯৮১ সালের ৩১ মে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তার স্ত্রী খালেদা জিয়াকে গুলশান এলাকায় প্রায় দেড় বিঘা জমির ওপর নির্মিত এই বাড়িটি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

নামজারি সম্পন্ন হওয়ার পর বাড়িটি সংস্কার ও আধুনিকায়ন করে বসবাসের উপযোগী করা হয়। গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে প্রত্যাবর্তনের পর এই বাসভবনেই ওঠেন তারেক রহমান। এরপর থেকে সপরিবার সেখানেই বসবাস করছেন তিনি।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরও তিনি এই বাসভবন থেকেই সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

সরকারি সূত্র জানায়, সরকারপ্রধানের জন্য রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকে প্রস্তুত রাখা হলেও তিনি সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন না। বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের একটি অংশ যমুনা থেকে পরিচালিত হলেও মূলত গুলশানের এই বাড়িটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রধান আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর এই কারণেই গুলশানের বাড়িটিকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হচ্ছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়।

যেমন হবে গুলশানের বাসভবনের নিরাপত্তাব্যবস্থা

বিশেষ শ্রেণির কেপিআই ঘোষণার ফলে এই বাসভবনের আঙিনা, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সব ধরনের তথ্য, নথি ও দলিলপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আঙিনা নিরাপত্তার আওতায় বহিরাঙ্গন ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য পৃথক রূপরেখা তৈরি করা হবে। এসব কার্যক্রম তদারকির জন্য স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সমন্বয়ে প্রতিটি বিশেষ শ্রেণির কেপিআইয়ের জন্য পৃথক নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা হবে।

নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর এই বাসভবনে যেসব পরিবর্তন ও কড়াকড়ি আসছে, তা হলো— বাসভবনের চারপাশের সীমানাপ্রাচীরের উচ্চতা হবে কমপক্ষে ১২ ফুট। এর ওপর আরও তিন ফুট উচ্চতার ‘ওয়াই’ (Y) আকৃতির কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করা হবে।

এ ছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের সুউচ্চ ভবনগুলো থেকে ছবি তোলা, নজরদারি বা স্নাইপার হামলার ঝুঁকি মূল্যায়ন করে বিশেষ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

এই কেপিআই স্থাপনার ২৫ মিটারের মধ্যে নতুন কোনো ভবন বা স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। এ ছাড়া ১৫০ থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে কোনো উচ্চ ভবন নির্মাণ করতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে কেপিআই ছাড়পত্র নিতে হবে।

এর বাইরেও ভবনের চারপাশের পাঁচ ফুট এলাকার মধ্যে থাকা বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এমন গাছপালা দ্রুত অপসারণ করে এলাকা পরিষ্কার রাখা হবে।

পাহারায় থাকবে পিজিআর ও বিশেষায়িত পুলিশ

প্রধানমন্ত্রীর এই বাসভবনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন প্রেসিডেন্ট গার্ডস রেজিমেন্টের (পিজিআর) সদস্যরা। তাদের পাশাপাশি বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পুলিশ ইউনিটও সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাব্যবস্থায় নিয়োজিত থাকবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, গোপন নথি ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনকে বিশেষ শ্রেণির কেপিআই হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন