শবে বরাত বা ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা ও রহমত লাভের এক বিশেষ রজনী। এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি করা নিঃসন্দেহে সওয়াবের কাজ। তবে আমাদের সমাজে, বিশেষ করে
বিপদ-আপদ থেকে মুক্তি কিংবা কোনো কাঙ্ক্ষিত বস্তু পাওয়ার আশায় মানুষ মহান আল্লাহর নামে মান্নত বা ‘নজর’ করে থাকে। কিন্তু অনেকেই আবেগের বশবর্তী হয়ে বা শরিয়তের মাসয়ালা না জানার কারণে শর্ত
মানুষের অন্তরে অন্যের দুঃখ দেখে ব্যথিত হওয়া আল্লাহ তাআলার দান করা এক বিশেষ গুণ। এটি মানবতার পরিচয় হলেও ইসলামের দৃষ্টিতে এটি ঈমানেরও জীবন্ত প্রকাশ। কোরআন-হাদিসে অসহায় মানুষের প্রতি দয়া, সহানুভূতি
সর্বক্ষণ আল্লাহ তাআলার স্মরণে নিমগ্ন থাকা খাঁটি মুমিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ইসলামে জিকির কেবল আনুষ্ঠানিক আমল নয়; এটি আত্মার খোরাক, মানসিক প্রশান্তির উৎস এবং নৈতিক জীবন গঠনের ভিত্তি। বিশেষভাবে নির্জনে আল্লাহর
শীতকালকে ইসলামি শরিয়তে ‘গনিমাতুল আবিদ’ বা ইবাদতকারীর গনিমতের মৌসুম বলা হয়েছে। এই সময়ে দিন ছোট, রাত দীর্ঘ এবং প্রকৃতি মুমিনের ইবাদতের জন্য বিশেষ অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। নিম্নে শীতকালের তিনটি
ইসলামে দোয়া একটি স্বতন্ত্র ইবাদত। পাশাপাশি মানুষের মানসিক, আবেগিক ও স্নায়বিক স্থিতির জন্যও প্রাকৃতিক থেরাপি। কোরআন দোয়াকে বান্দার সঙ্গে আল্লাহর সরাসরি সম্পর্ক তৈরির পথ হিসেবে পরিচয় করিয়েছে। আধুনিক স্নায়ুবিজ্ঞানও দেখিয়েছে-প্রার্থনা
আজকের পৃথিবী অভূতপূর্ব রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব মানুষের হাতে এনে দিয়েছে ত্বরিত যোগাযোগের সুযোগ, খুলে দিয়েছে চিন্তা–বিশ্বাসের নতুন দিগন্ত। যুগে যুগে মানুষ প্রভাবিত হয়েছে নানা শ্রেণির ব্যক্তিত্ব দ্বারা—কখনো
পবিত্র কোরআন ও হাদিসে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর প্রতি আল্লাহ তাআলার গভীর ভালোবাসা ও বিশেষ মর্যাদার অসংখ্য নিদর্শন বিধৃত রয়েছে। এই ভালোবাসা কেবল মৌখিক ঘোষণায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাঁর সমগ্র
হেদায়াত শুধু আল্লাহর হাতে। কিন্তু তিনি এটি দেন কিছু বিশেষ গুণের অধিকারীদেরই। আল্লাহ তাআলা স্বয়ং তাঁর প্রিয় নবী মুহাম্মদ (স.)-কে এই বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন- ‘আপনি যাকে ভালোবাসেন, তাকে
ইসলামি জ্ঞান চর্চায় কিছু বিষয় মুখস্থ করার গুরুত্ব রয়েছে। যেমন- কোরআন, হাদিস, দোয়া এবং শরিয়তের মৌলিক নির্দেশনাসমূহ মুখস্থ করা প্রতিটি মুসলিমের জন্য বড়ই ফজিলতপূর্ণ কাজ। এটি শুধু ধর্মীয় দায়িত্ব পালন
ইসলামের ইতিহাসে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) এক অনন্য মর্যাদার অধিকারী। রাসুলুল্লাহ (স.)-এর সরাসরি সান্নিধ্যে থেকে তাঁরা ইসলামের মৌলিক শিক্ষাগুলো আত্মস্থ করেছিলেন এবং নিজেদের জীবনকে ইসলামের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁদের জীবনের কিছু
ইসলামে গায়েবি সাহায্য বা অদৃশ্য সহায়তা আল্লাহর পক্ষ থেকে মুমিনদের জন্য এক বিশেষ নেয়ামত। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এমন বহু দোয়া বর্ণিত হয়েছে, যা বিপদ, দুশ্চিন্তা বা যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে
কমবেশি সবার বাড়িতেই কলা খাওয়া হয়। সহজলভ্য ফলটিকে বেশিরভাগ মানুষ বেছে নেন সকালের নাশতা হিসেবে। কলা খাওয়ার পর বেশিরভাগ মানুষ খোসা ফেলে দেন। জানলে অবাক হবেন, কলার খোসা মোটেও ফেলনা
ইসলামে সৎসঙ্গ বা আল্লাহওয়ালাদের সংসর্গকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সৌভাগ্যের বিষয় হিসেবে গণ্য করা হয়। সৎসঙ্গ একজন ব্যক্তিকে সঠিক পথে পরিচালিত করে, উত্তম চরিত্র গঠনে সহায়তা করে এবং তাকে দুনিয়া ও
ইবাদতে ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নতের পার্থক্য জানা জরুরি। অজ্ঞতার কারণে অনেকেই সুন্নত আমল বাদ পড়লে নামাজ ভেঙে গেছে মনে করে দুশ্চিন্তায় পড়েন। যেমন বিতির নামাজে দোয়া কুনুতের আগে তাকবির ও