রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘আলেমরা হলো নবীদের উত্তরসূরি।’ (সুনানে আবু দাউদ: ৩৬৪১)। নবীযুগের আলেম বা সাহাবায়ে কিরাম ছিলেন এই বাণীর জীবন্ত প্রতিফলন। তাঁদের জ্ঞান কেবল মস্তিষ্কের তথ্য ছিল না, বরং তা
জাকাত ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। এটি ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে আল্লাহর নির্দেশিত সেতু; দান নয়, বরং দরিদ্রের অধিকার। কোরআনের সুরা তাওবা (৬০) অনুযায়ী, জাকাত ব্যয়ের ৮টি সুনির্দিষ্ট খাত রয়েছে। তবে
শবে বরাত বা ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা ও রহমত লাভের এক বিশেষ রজনী। এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি করা নিঃসন্দেহে সওয়াবের কাজ। তবে আমাদের সমাজে, বিশেষ করে
বিপদ-আপদ থেকে মুক্তি কিংবা কোনো কাঙ্ক্ষিত বস্তু পাওয়ার আশায় মানুষ মহান আল্লাহর নামে মান্নত বা ‘নজর’ করে থাকে। কিন্তু অনেকেই আবেগের বশবর্তী হয়ে বা শরিয়তের মাসয়ালা না জানার কারণে শর্ত
মানুষের অন্তরে অন্যের দুঃখ দেখে ব্যথিত হওয়া আল্লাহ তাআলার দান করা এক বিশেষ গুণ। এটি মানবতার পরিচয় হলেও ইসলামের দৃষ্টিতে এটি ঈমানেরও জীবন্ত প্রকাশ। কোরআন-হাদিসে অসহায় মানুষের প্রতি দয়া, সহানুভূতি
তৃতীয়বারের মতো বিশ্বজয় করলেন রাজধানীর মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার ছাত্র হাফেজ আনাস বিন আতিক। এবার মিশরের কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন তিনি। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময়
সর্বক্ষণ আল্লাহ তাআলার স্মরণে নিমগ্ন থাকা খাঁটি মুমিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ইসলামে জিকির কেবল আনুষ্ঠানিক আমল নয়; এটি আত্মার খোরাক, মানসিক প্রশান্তির উৎস এবং নৈতিক জীবন গঠনের ভিত্তি। বিশেষভাবে নির্জনে আল্লাহর
শীতকালকে ইসলামি শরিয়তে ‘গনিমাতুল আবিদ’ বা ইবাদতকারীর গনিমতের মৌসুম বলা হয়েছে। এই সময়ে দিন ছোট, রাত দীর্ঘ এবং প্রকৃতি মুমিনের ইবাদতের জন্য বিশেষ অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। নিম্নে শীতকালের তিনটি
ইসলামে দোয়া একটি স্বতন্ত্র ইবাদত। পাশাপাশি মানুষের মানসিক, আবেগিক ও স্নায়বিক স্থিতির জন্যও প্রাকৃতিক থেরাপি। কোরআন দোয়াকে বান্দার সঙ্গে আল্লাহর সরাসরি সম্পর্ক তৈরির পথ হিসেবে পরিচয় করিয়েছে। আধুনিক স্নায়ুবিজ্ঞানও দেখিয়েছে-প্রার্থনা
আজকের পৃথিবী অভূতপূর্ব রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব মানুষের হাতে এনে দিয়েছে ত্বরিত যোগাযোগের সুযোগ, খুলে দিয়েছে চিন্তা–বিশ্বাসের নতুন দিগন্ত। যুগে যুগে মানুষ প্রভাবিত হয়েছে নানা শ্রেণির ব্যক্তিত্ব দ্বারা—কখনো
ইসলামের বর্ণনায় কেয়ামতের আগে সংঘটিত হবে—এমন কিছু বড় আলামতের কথা রাসুলুল্লাহ (স.) বহু হাদিসে উল্লেখ করেছেন। তার মধ্যে অন্যতম হলো সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদয় হওয়া। এটি এমন এক অলৌকিক
পবিত্র কোরআন ও হাদিসে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর প্রতি আল্লাহ তাআলার গভীর ভালোবাসা ও বিশেষ মর্যাদার অসংখ্য নিদর্শন বিধৃত রয়েছে। এই ভালোবাসা কেবল মৌখিক ঘোষণায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাঁর সমগ্র
জীবনের চারটি ভয়াবহ সংকট থেকে নিরাপদ থাকার এক অতুলনী আমল শিখিয়েছেন রাসুলুল্লাহ (স.)। তিনি সাহাবাদেরকে এই দোয়া এমন গুরুত্ব দিয়ে শিখিয়েছেন, যেমনভাবে কোরআনের সুরা শিক্ষা দিতেন। আজকের অস্থির সময়ে এই
হেদায়াত শুধু আল্লাহর হাতে। কিন্তু তিনি এটি দেন কিছু বিশেষ গুণের অধিকারীদেরই। আল্লাহ তাআলা স্বয়ং তাঁর প্রিয় নবী মুহাম্মদ (স.)-কে এই বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন- ‘আপনি যাকে ভালোবাসেন, তাকে
শরিয়তের পরিভাষায় মান্নত হলো- কোনো মুকাল্লাফ (শরিয়তের বিধান প্রযোজ্য) ব্যক্তি নিজের ওপর এমন কোনো কাজ আবশ্যক করা, যা শরিয়ত প্রণেতা আবশ্যক করেননি। (আল-ফিকহু আলা মাজাহিবিল আরবায়া: ২/৭৭৯) মান্নতের শরয়ি বিধান