খলিফাতুল মুসলিমিন হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) ছিলেন ন্যায়বিচার ও নিষ্ঠার জীবন্ত প্রতীক। তাঁর শাসনামলে একজন সাধারণ কৃষকও একজন শাসকের সমান মর্যাদা পেত। নিম্নোক্ত ঘটনাটি তাঁর ন্যায়নিষ্ঠার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
মানুষের জীবনে দুঃখ, দুশ্চিন্তা ও অশান্তির ভিড়ে শান্তির খোঁজ যেন এক দুর্লভ সম্পদ। ইসলাম আমাদেরকে এমন কিছু দোয়া ও আমল শিখিয়েছে, যা নিয়মিত পালন করলে অন্তরে নেমে আসে স্বস্তি, মস্তিষ্কে
ইসলামে সংযম ও পরিমিতিবোধের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা খাও, পান করো কিন্তু অপচয় করো না’ (সুরা আরাফ: ৩১)। অথচ বর্তমান যুগে বিলাসিতা এমনভাবে আমাদের গ্রাস করেছে, তা
মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ মাদারীপুর জেলা মডেল জামে মসজিদ উদ্বোধন ও ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, নাইট গার্ড নিয়োগ দেওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সোমবার সকালে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ব্যানারে জেলা সদর জামে
কোরবানি ইসলামি শরিয়তের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘সুতরাং আপনি আপনার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে নামাজ আদায় করুন এবং কোরবানি করুন।’ (সুরা কাওসার: ২) নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিকের ওপর কোরবানি ওয়াজিব
ফলমূল মহান আল্লাহ তায়ালার অমূল্য নিয়ামত। এগুলোর দ্বারা আল্লাহ মানুষের যেমন আহারের ব্যবস্থা করেন তেমনি রোগ নিরাময়েরও বিভিন্ন ঔষধি গুণ দিয়েছেন। পৃথিবীতে যত ফল পাওয়া যায় তার মধ্যে ডালিম অন্যতম।
উম্মতের প্রতি নবীজির একটি বিশেষ শিক্ষা হলো- শুধু হাতের আঘাত নয়, কথার আঘাতেও মানুষকে কষ্ট দেওয়া যাবে না। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, ‘প্রকৃত মুসলিম সে, যার জিহ্বা ও হাত থেকে
বিখ্যাত সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) এমন একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন, যেটি বর্ণনার সময় তিনি হেসেছেন, নবীজি বর্ণনা করার সময় নবীজি হেসেছিলেন। হাদিসটি যে-ই শুনেছেন, তারই হাসি পেয়েছে। হাদিসে বর্ণিত
প্রিয়নবী (স.) উম্মতকে তা-ই শিখিয়ে গেছেন, যে শিক্ষার মধ্যে নিহিত রয়েছে সবরকম কল্যাণ। নবীজির সুন্নত অনুসরণে শুধুই লাভ; কোনো ক্ষতি নেই। তাঁর দেখানো পথ সবচেয়ে উন্নত ও বিজ্ঞানসম্মত। তিনি এমন
শীতের মৌসুম শুরু হয়েছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে শীতের প্রকোপ বেড়েছে। সামনে ভালোমতোই শীত নামার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শীতের মৌসুমে সাধারণত ফজরের নামাজের সময় ঘর থেকে কাপড় দিয়ে নাক-মুখ
মানুষের শরীরে পা লেগে গেলে হাতের স্পর্শে সালাম করা আমাদের সমাজের একটি প্রচলন মাত্র। এটি শরিয়তের কোনো বিধান নয়। অর্থাৎ এক্ষেত্রে গায়ে হাত লাগিয়ে সালাম করার কোনো বিধান ইসলামে নেই।
কেয়ামতের দিন মহান আল্লাহর সুদৃষ্টি থেকে বঞ্চিত হবে কিছু মানুষ। বড় শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে তাদের। হাদিসের আলোকে তাদের পরিচয় নিচে তুলে ধরা হলো। ১. উপকার করে খোঁটা দানকারী ২.
আত্মীয়-স্বজন, মুসলিম ভাই-বন্ধুর সঙ্গে স্থায়ী সম্পর্কচ্ছেদ ইসলামে জায়েজ নেই। এমনকি অভিমানেরও সীমারেখা রয়েছে। কেননা এই মান-অভিমান বেশিদিন স্থায়ী হলে সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘কোনো মুসলমানের জন্য বৈধ
সালাম ইসলামি অভিবাদন। পাশাপাশি এটি একটি দোয়াও। সালাম অর্থ শান্তি, কল্যাণ কামনা ইত্যাদি। এর মাধ্যমে মুসলিম ভাইয়ের শান্তি কামনা করা হয়। একইসঙ্গে ভালোবাসা ও সম্প্রীতি প্রকাশ করা হয়। ফলে ভ্রাতৃত্ব
হাদিস শরিফে প্রিয়নবীজি (স.) তাঁর উম্মতকে এমন এক সুন্দর আমলের নির্দেশনা দিয়েছেন, যে আমলে একইসঙ্গে মুনাফেকি ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। সুন্দর আমলটি হলো চল্লিশ দিন জামাতের সঙ্গে নামাজ