1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
মাদারীপুরে ১১টি বানরকে খাবারের সাথে বিষ দিয়ে মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সবংর্ধনা ও মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠান মার্কিন হামলায় প্রশান্ত মহাসাগরে নৌযান বিধ্বস্ত, নিহত ৩ রওজা মোবারকে দরজা-জানালা নেই কেন? হজের সফল সমাপ্তির ঘোষণা দিল সৌদি আরব শোক ভুলে কাজে নেমেছিলেন প্রিয়াঙ্কা, এবার সেখানেও ধাক্কা আদ্-দ্বীনের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের ৫ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত চরে আটকা পড়া দেড়শতাধিক পর্যটক উদ্ধার জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়কে পুনরায় সংযুক্ত হওয়ার জন্য এই অঞ্চলকে বেছে নিয়ে ভিসি হয়েছি। উপাচার্য, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়।

মাদারীপুরে ১১টি বানরকে খাবারের সাথে বিষ দিয়ে মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

Reporter Name
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৬ মে, ২০২০
  • ৩৯০ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

জুয়েল শাহাদাত, মাদারীপুর।।
মাদারীপুর পৌরসভার চরমুগুরিয়া এলাকায় ১১টি বানরকে খাবারের সাথে বিষ দিয়ে মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার বিকেলে এঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাদারীপুর শহরের এই বানরগুলো শত বছর ধরে চরমুগুরিয়া বন্দরের মানুষের পাশাপাশি বসবাস করে আসছে।

মঙ্গলবার বিকালে কয়েকজন লোক বানরকে খাবারদেয়। ওই খাবার খেয়েই বানরগুলো মারা যায়।মৃত বানরগুলোকে স্থানীয়রা মাটি চাপা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, স্থানীয় একটি বেকারী কারখানার মালিক বিষ প্রয়োগ করে বানরগুলোকে মেরে ফেলেছে। তারা আরো জানান, খাদ্য সংকটের কারণে বানরগুলো বাসাবাড়িতে বিভিন্ন সময় হানা দিত। তবে একারনে কেউ কখনও বানর মারেনি।
মুক্তিযুদ্ধের আগে থেকেই মানুষের সাথে এখানে বানরের বসবাস। দুরদুরন্ত থেকে মানুষ এখানে বানর দেখতে আসতো। এদের বিচারণ ছিল চরমুগরিয়ার এলাকাজুড়ে।
জেলা বন বিভাগের তথ্য মতে, চরমুগরিয়ায় এখনও আড়াই হাজারের মতো বানর আছে।

এ বিষয়ে বন অধিদফতরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক এস এম জহির আকন বলেন, মাদারীপুরের চর মুগরিয়া কলেজ রোডে বিষ প্রয়োগে বানর হত্যার খবর পেয়ে বন সংরক্ষক যশোর, ডিএফও ফরিদপুর এবং সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ ও বিট কর্মকর্তার সাথে বিষয়টি আলোচনা করি। ফরিদপুর সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি টিম সরেজমিনে তদন্ত করেছেন। মাদারীপুর জেলা প্রশাসন এ বিষয়টি নজরদারি করছে।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন