1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
মাদারীপুরের আবুল বাসারের বাড়ীতে স্বান্ত্বনাসহ আর্থিক সহযোগীতা নিয়ে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সবংর্ধনা ও মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠান মার্কিন হামলায় প্রশান্ত মহাসাগরে নৌযান বিধ্বস্ত, নিহত ৩ রওজা মোবারকে দরজা-জানালা নেই কেন? হজের সফল সমাপ্তির ঘোষণা দিল সৌদি আরব শোক ভুলে কাজে নেমেছিলেন প্রিয়াঙ্কা, এবার সেখানেও ধাক্কা আদ্-দ্বীনের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের ৫ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত চরে আটকা পড়া দেড়শতাধিক পর্যটক উদ্ধার জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়কে পুনরায় সংযুক্ত হওয়ার জন্য এই অঞ্চলকে বেছে নিয়ে ভিসি হয়েছি। উপাচার্য, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়।

মাদারীপুরের আবুল বাসারের বাড়ীতে স্বান্ত্বনাসহ আর্থিক সহযোগীতা নিয়ে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক

Reporter Name
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৯০৫ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

মেহেদী হাসান সোহাগ, মাদারীপুর.
নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লার মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধ মাদারীপুর সদর উপজেলার ছিলারচর ইউনিয়নের চরলক্ষীপুর গ্রামে মঙ্গলবার বিকালে সদর উপজেলার সদর উপজেলার আবুল বাসার মোল্লা বাড়ীতে গিয়ে তার পরিবারকে স্বান্ত্বনা দিলেন এবং জেলা প্রশসাণের পক্ষ থেকে ২০হাজার টাকা আর্থিক সহযোগীতা নিহত আবুল বাসারের স্ত্রীর হাতে তুলে দেন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন।

জানা যায়, নিহত আবুল বাসা মোল্লা নারায়ণগঞ্জের একটি ওষুধ কোম্পানীর মেশিন অপারেটর হিসেবে চাকরি করতেন। সে ছিলারচর ইউনিয়নের চরলক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত মালেক মোল্লা ও আলিমন নেছার ছেলে। যেই মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে তার পাশেই একটি মেস বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তিনি।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন আবুল বাসার মোল্লা। তাঁর এমন মৃত্যু কোন ভাবেই মানতে পারছে না তার পাঁচ সন্তান, স্ত্রী ও স্বাজনেরা। আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠছে বাড়ির চারিপাশ। সরেজমিনে আবুলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির উঠানে মানুষের ভিড়। নিহতরে পরিবারের সবাই একে অন্যের জড়িয়ে কান্না করছে। প্রতিবেশিরা তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। কখনো কখনো প্রতিবেশিরাও কান্নায় ভেঙ্গে পড়ছেন।

পরিবার সূত্র জানা গেছে, শুক্রবার রাতে মসজিদে ওই ভয়াবহ বিস্ফোরণে আবুল বাসার দগ্ধ হন। শনিবার সকালে তার সহকর্মীদের কাছ থেকে মুঠোফোনে খবর আসে আবুল গুরতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। খবর পাওয়া মাত্রই শনিবার সকালে আবুলের স্ত্রী তাজিয়া বেগম তার ছেলেকে নিয়ে মাদারীপুর থেকে চলে যান ঢাকায়। শনিবার বিকেলে ঢাকা পৌঁছে ছুঁটে চলে যান হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। এরপর থেকে সেখানকার অভ্যর্থনাকক্ষে অপেক্ষা করতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে খবর আসে আবুল আর নেই। ওই রাতে স্বামীর লাশ নিয়ে দেশের বাড়ি মাদারীপুরে ফেরেন। পরে সোমবার সকাল ১০টার দিকে তাঁর লাশ দাফন করা হয়।

মাদারীপুুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন জানান, আমরা প্রথমে নিহতের স্ত্রীকে বিধবা ভাতায় অন্তরভুক্ত করবো। সন্তানের পড়াশুনা করার জন্য সার্বিক সহযোগীতা করার চেস্টা করা হবে। এছাড়াও তাদের জন্য সরকারি ভাবে যাতে একটি আর্থিক সহযোগীতা করা হয় তার জন্য আমরা ঢাকাতে চিঠি পাঠিয়েছি। আমি সবসময় চেস্টা করবো এই জেলায় কেউ যেন অসহায় না থাকে।
নারায়ণগঞ্জের মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধে নিহত-
মাদারীপুরের আবুল বাসারের বাড়ীতে স্বান্ত্বনাসহ আর্থিক সহযোগীতা নিয়ে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক

মেহেদী হাসান সোহাগ, মাদারীপুর প্রতিনিধি।।
নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লার মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধ মাদারীপুর সদর উপজেলার ছিলারচর ইউনিয়নের চরলক্ষীপুর গ্রামে মঙ্গলবার বিকালে সদর উপজেলার সদর উপজেলার আবুল বাসার মোল্লা বাড়ীতে গিয়ে তার পরিবারকে স্বান্ত্বনা দিলেন এবং জেলা প্রশসাণের পক্ষ থেকে ২০হাজার টাকা আর্থিক সহযোগীতা নিহত আবুল বাসারের স্ত্রীর হাতে তুলে দেন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন।

জানা যায়, নিহত আবুল বাসা মোল্লা নারায়ণগঞ্জের একটি ওষুধ কোম্পানীর মেশিন অপারেটর হিসেবে চাকরি করতেন। সে ছিলারচর ইউনিয়নের চরলক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত মালেক মোল্লা ও আলিমন নেছার ছেলে। যেই মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে তার পাশেই একটি মেস বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তিনি।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন আবুল বাসার মোল্লা। তাঁর এমন মৃত্যু কোন ভাবেই মানতে পারছে না তার পাঁচ সন্তান, স্ত্রী ও স্বাজনেরা। আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠছে বাড়ির চারিপাশ। সরেজমিনে আবুলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির উঠানে মানুষের ভিড়। নিহতরে পরিবারের সবাই একে অন্যের জড়িয়ে কান্না করছে। প্রতিবেশিরা তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। কখনো কখনো প্রতিবেশিরাও কান্নায় ভেঙ্গে পড়ছেন।

পরিবার সূত্র জানা গেছে, শুক্রবার রাতে মসজিদে ওই ভয়াবহ বিস্ফোরণে আবুল বাসার দগ্ধ হন। শনিবার সকালে তার সহকর্মীদের কাছ থেকে মুঠোফোনে খবর আসে আবুল গুরতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। খবর পাওয়া মাত্রই শনিবার সকালে আবুলের স্ত্রী তাজিয়া বেগম তার ছেলেকে নিয়ে মাদারীপুর থেকে চলে যান ঢাকায়। শনিবার বিকেলে ঢাকা পৌঁছে ছুঁটে চলে যান হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। এরপর থেকে সেখানকার অভ্যর্থনাকক্ষে অপেক্ষা করতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে খবর আসে আবুল আর নেই। ওই রাতে স্বামীর লাশ নিয়ে দেশের বাড়ি মাদারীপুরে ফেরেন। পরে সোমবার সকাল ১০টার দিকে তাঁর লাশ দাফন করা হয়।

মাদারীপুুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন জানান, আমরা প্রথমে নিহতের স্ত্রীকে বিধবা ভাতায় অন্তরভুক্ত করবো। সন্তানের পড়াশুনা করার জন্য সার্বিক সহযোগীতা করার চেস্টা করা হবে। এছাড়াও তাদের জন্য সরকারি ভাবে যাতে একটি আর্থিক সহযোগীতা করা হয় তার জন্য আমরা ঢাকাতে চিঠি পাঠিয়েছি। আমি সবসময় চেস্টা করবো এই জেলায় কেউ যেন অসহায় না থাকে।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন