1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
একশ কোটির সড়কে নেই বাতি, রাত নামলেই ভূতুড়ে পরিবেশ - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিল্লি চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা সিনেমা স্পর্শিয়ার খাওয়ার পর বিছানায় একটু গা এলিয়ে নেওয়ার অভ্যাস শুরু হচ্ছে হজের আনুষ্ঠানিকতা, এবারও প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ হাম পরিস্থিতির কারণ খুঁজতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দ্বারস্থ সরকার যেসব অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস রামিসার হত্যাকারিদেরসহ ধর্ষকদের কঠোর বিচার ও সচেতনতায় নবীনগরে মানববন্ধন ঈদ উপলক্ষে পুলিশের নিরাপত্তা পরামর্শ রামিসা হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন এক সপ্তাহের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশ পঞ্চগড় সদর উপজেলায় ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন কে ভোট দিয়েছেন কে দেননি তার উপর নয়, আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ হিসেবে সকলে সমান সুজোগ ভোগ করবেন : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

একশ কোটির সড়কে নেই বাতি, রাত নামলেই ভূতুড়ে পরিবেশ

Reporter Name
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫
  • ১৭৭ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে দেড় বছরের অধিক সময় পার হলেও শেরে বাংলা সড়কের ৪ কিলোমিটার রাস্তায় লাগানো হয়নি সড়কবাতি। রাত নামলেই নগরীর গুরুত্বপূর্ণ শেরে বাংলা সড়কটিতে ভুতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নগরীর প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত সড়কটির জবুথবু অবস্থা। রাস্তার দু’পাশের বানিজ্যিক ভবনের আলোতেই ভরসা করে চলতে হয় এ রাস্তায় চলাচলকারী পথচারী, যানবাহন ও এলাকাবাসীকে। ফলে হর হামেশা ঘটছে দুর্ঘটনা, ছিনতাই, খুনোখুনিসহ অপ্রীতিকর ঘটনা।

খুলনা সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের শুরুতে জিরো-পয়েন্ট ময়লাপোতা সড়কে বাতির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চাহিদা দেওয়া হলেও সময় শেষ হওয়ায় তা গ্রহণ করেনি কর্তৃপক্ষ। নতুন করে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বৈদ্যুতিক লাইটের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি হওয়ায় বিকল্প হিসেবে সোলার লাইট ব্যবহারের কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ। শুরুতে পরিক্ষামূলকভাবে কিছু বাতি লাগানো হবে। এ জন্য ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। তবে সব কিছুই বরাদ্দের ওপর নির্ভর করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাত বাড়লেই দু’পাশের দোকানপাট বন্ধ হতে শুরু করে। ধীরে ধীরে এ সড়কে অন্ধকারের গভীরতা বাড়তে থাকে, শুরু হয় সুনসান নীরবতা। বিশেষত ময়লাপোতা মোড় পার হয়ে জোহরাখাতুন স্কুল, হাজিবাড়ি মোড়, কমার্স কলেজ হোস্টেল, তাবলীগ মসজিদ, এসওএস স্কুল, লায়ন্স স্কুল, গল্লামারী ব্রিজ থেকে জিরো পয়েন্ট অব্দি রাস্তাগুলো সূর্য ডুবতেই আধার গ্রাস করে। বাকি রাস্তাগুলো রাস্তার দু’পাশের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আলোতে কিছুটা আলোকিত হয়। তবে ব্যস্ততম এ রাস্তাটিতে একসময় পুলিশের চেকপোস্ট দেখা গেলেও এখন তা দেখা যায় না।

নিরালা এলাকার বাসিন্দারা বলেন, সোমবার (২১ জুলাই) রাত ১০টার দিকে নিরালায় সিটি কলেজের হোস্টেলের সামনে জাকির হোসেন (৪৮) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। রোড লাইট না থাকায় পুরো রাস্তা সন্ধার পর অন্ধকারে ঢেকে যায়। এরই সুযোগ নেই অপরাধীরা। অবিলম্বে রাস্তাটিতে সড়কবাতি লাগানোর ব্যবস্থা করা করতে হবে।

সড়ক সংলগ্ন দোকান মালিক মিরাজ হোসেন বলেন, দুই বছর হতে চলল রাস্তার কাজ শেষ হয়েছে, কিন্তু এ রাস্তায় এখনো রোড লাইট ও সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়নি। ফলে দোকান পাট বাসা বাড়িতে হরহামেশা চুরির ঘটনা ঘটছে।

নিরাপদ সড়ক চাই খুলনার সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মুন্না বলেন, খুলনা শহরের সবচেয়ে গুরুত্ব সড়কের একটি শেরেবাংলা সড়কটি অথচ সবচেয়ে অবহেলার শিকার এটি। ১শ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তা বানান হলো অথচ সেই রাস্তায় বাতি লাগাতে পারল না। সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ন বাড়ে সড়কটিতে। বিগত সময়ের জনপ্রতিনিধি ও কেসিসির অবহেলায় আজকে এই অবস্থা। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তারা নানান অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করছে। আমরা চাই অবিলম্বে এই সড়টিকে আঁধার কেটে আলোর মুখ দেখুক।

সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নগরীর ময়লাপোতা মোড় থেকে গল্লামারী হয়ে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার কাজ শুরু হয় ২০২০ সালের ৮ এপ্রিল। সড়ক বিভাগের কাগজ-কলমে প্রকল্পের নাম ‘খুলনা-চুকনগর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের খুলনা শহরাংশে (৪ কিলোমিটার) ৪ লেনে উন্নীতকরণ’। সড়কটি শেরে বাংলা সড়ক নামেই নগরবাসীর কাছে পরিচিত। প্রায় চার কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সড়কটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ১০০ কোটি ৭০ লাখ টাকা। প্রকল্পের সব কাজ ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ হয়েছে ২০২৪ এর মাঝামাঝি সময়ে।

খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানিমুল হক বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে চলতি বছরের শুরুর দিকে ময়লাপোতা-জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার সড়কে সড়কবাতি লাগানোর বিষয়ে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু বরাদ্দের সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় চাহিদাটা নেয়নি। এছাড়া বৈদ্যুতিক লাইটের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি হওয়ায় আমার বিকল্প হিসেবে সোলার লাইট ব্যবহারের কথা ভাবছি। আশা করছি, চলতি বছরের ভিতর সড়কে বাতি জ্বলবে।

সুত্র- ঢাকা মেইল

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন