1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
করোনাভাইরাসে মাদারীপুর বিভিন্ন হাসপাতালের ডাক্তার উধাও’ চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে বাড়ীতে - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সবংর্ধনা ও মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠান মার্কিন হামলায় প্রশান্ত মহাসাগরে নৌযান বিধ্বস্ত, নিহত ৩ রওজা মোবারকে দরজা-জানালা নেই কেন? হজের সফল সমাপ্তির ঘোষণা দিল সৌদি আরব শোক ভুলে কাজে নেমেছিলেন প্রিয়াঙ্কা, এবার সেখানেও ধাক্কা আদ্-দ্বীনের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের ৫ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত চরে আটকা পড়া দেড়শতাধিক পর্যটক উদ্ধার জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়কে পুনরায় সংযুক্ত হওয়ার জন্য এই অঞ্চলকে বেছে নিয়ে ভিসি হয়েছি। উপাচার্য, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়।

করোনাভাইরাসে মাদারীপুর বিভিন্ন হাসপাতালের ডাক্তার উধাও’ চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে বাড়ীতে

Reporter Name
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২০
  • ৫৮৫ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

মেহেদী হাসান সোহাগ-মাদারীপুর।।
করোনাভাইরাসের কারনে হঠাৎ করে মাদারীপুর জেলার চারটি উপজেলার বিভিন্ন ক্লিনিকগুলোতে নিয়মিত চেম্বার করা বেশীরভাগ ডাক্তার উধাও হয়ে গেছে। ডাক্তার ও ক্লিনিক মালিকরা ডাক্তার উধাও হওয়ার জন্য ডাক্তারদের নিরাপত্তার কথা বললেন। অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালে জ্বর, ঠান্ডা ও কাশির কোন চিকিৎসা দিচ্ছে না জরুরী বিভাগ। এতে রোগীরা যেমন বিপাকে পড়ছেন তেমনি আতংকিত হয়ে পরছে সাধারণ মানুষ।

অসুস্থ্য শিশু, বৃদ্ধসহ রোগীরা অপেক্ষা করছে ডাক্তার দেখাতে। কিন্তু ডাক্তার চেম্বার না করার বিপাকে পরেছে তারা। জেলার ছোট বড় সব ক্লিনিকেই নিয়মিত যেসব ডাক্তার রোগী দেখতেন তারা আর চেম্বার করছেন না। এমনকি কোন কোন ডাক্তার জেলা ছেড়ে চলে গেছেন অন্য কোথাও। এ খবরটি ছড়িয়ে পরেছে জেলার সর্বস্তরে। এতে আতংকিত হয়ে পরেছে মানুষ। ডাক্তার দেখাতে না পেরে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। অসুস্থ্য রোগীদের কিভাবে চিকিৎসা করাবেন ভেবে পাচ্ছেন না তারা। মাদারীপুর নিরাময় হাসপাতালে রবিবার বিকালে ডা.ফিরুজ নামে একজন শিশুদের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন কিন্ত হঠাৎ করে তিনি আসেনি এতে প্রায় শতাধিক রোগীরা চিকিৎসা না নিয়ে ফিরে গেছে। তাছাড়া নিরামায় রবিবার বিকাল থেকে চেম্বারে রোগীর দেখার জন্য কোন ডাক্তার আসেনি। অন্য দিকে চৌধুরী হাসাপাতালে এর আগে প্রায় ৭-৮জন ডাক্তার নিয়মিত রোগী দেখতেন কিন্ত সেখানে ডাক্তার সাদেক নামে একজনকে পাওয়া যায়। এছাড়া প্রত্যাশা , কে আই সহ বেশীর ভাগ প্রাইভেট হাসপাতালের চেম্বারের ডাক্তার উধাও।

হৃদয় নামে একজন রোগীর আত্মীয় জানান, আমি সেই তিনটার সময় এসেছি এখনো ডাক্তার আসেনি। হাসপাতালে জানতে চাইলে সন্ধ্যা পযন্ত কেউ বলেনি যে তারা আসবে না। তবে রাত হয়ে আসলে সিরিয়াল লেখা একজন জানায় ডাক্তার আসবে না সে ছুটি নিয়েছে।
এক শিশু রোগীর বাবা রুবেল হাওলাদার জানায়, গত তিনদিন আগে আমার ছেলেকে নিয়ে ডাক্তার ফিরুজের কাছে এসেছিলাম এবং আমার ছেলে রক্তে সমস্যা পেয়েছিল তাই আবার তিনদিনপর আসাতে বলেছে কিন্তু আজ এসে তাকে পাচ্ছি না। তিন চার ঘন্টা বসে থেকে হাসপাতালে জানতে চাইলে তারা জানায় সে আসবে না। তার সমস্যা আছে। এরপর অন্য হাসপাতালে গেলাম সেখানেও একই অবস্থা। করোনার ভয়ে ডাক্তারাও পালিয়েছে।

হাবিব ওয়াহিদ নামে একজন জানায়, মাদারীপুর শহরের হাসপাতালে গিয়ে সাধারন রোগীরা ডাক্তার পাচ্ছে না। কিছু জানাতে চাইলে জানায় তারা অসুস্থ্য আছে তাই বাসায় আছে। যদি তাই হয় তাহলে তারা কি করোনার ভয়ে বাসায় আছে। ডাক্তার হয়ে যদি তারাই ভয় পায় তাহলে তারা সেবা দিবে কিভাবে?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি ক্লিনিকে কর্মরত ডাক্তার বলেন, নূন্যতম নিরাপত্তা না থাকলেও কোন কোন ডাক্তার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেখছেন রোগী। আর যারা রোগী দেখছেন না তারা নিরপত্তার অভাবেই রোগী দেখছে না বলে জানালেন কর্তব্যরত ডাক্তাররা।
এব্যাপারে নিরাময় হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাক্তার গোলাম সরোয়ার জানান, আমরা মানব সেবায় জড়িত কিন্ত বর্তমানে যে পরিস্থিতি তাতে আমরা সেটা করতে পারছি না। তবে জরুরী ব্যবস্থা চালু রেখেছি। আর ডাক্তারা ছাড়াও তার পরিবার থেকে আমার কাছে বিষয়টি জানিয়েছে তাই বাধ্য হয়ে তাদের ছুটি দিয়েছি।
মাদারীপুর সিভিল সার্জন ডা. মো. সফিকুল ইসলাম জানান, জরুরী বিষয় ছাড়া ডাক্তারের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ আমি দিচ্ছি। তবে ফোনে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে চিকিৎসা নেয়া যেতে পারে। আর প্রাইভেট ক্লিনিক মালিকদের সাথে আলোচনা করে ক্লিনিকগুলোতে চিকিৎসা সেবা স্বাভাবিক করার চেস্টা করা হবে।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের সরকারি যারা ডাক্তার আছেন তারা নিয়মিত স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তবে আমরা জানতে পেরেছি প্রাইভেট ক্লিনিকে ডাক্তার চিকিৎসা দিচ্ছে না। আমরা প্রাইভেট হাসপাতালের মালিকদের সাথে কথা বলে রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। প্রয়োজনে ডাক্তারা নিজের সেফটি নিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিবে।
এছাড় তিনি বলেন জাতীয় এই দুর্যোগে ডাক্তাদের এগিয়ে আসা উচিত বলে আমি মনে করি।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন