1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
কাশিয়ানীতে জমি নিয়ে বিরোধ ‘ধর্ষণ’ মামলার আসামি শিশু! - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সবংর্ধনা ও মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠান মার্কিন হামলায় প্রশান্ত মহাসাগরে নৌযান বিধ্বস্ত, নিহত ৩ রওজা মোবারকে দরজা-জানালা নেই কেন? হজের সফল সমাপ্তির ঘোষণা দিল সৌদি আরব শোক ভুলে কাজে নেমেছিলেন প্রিয়াঙ্কা, এবার সেখানেও ধাক্কা আদ্-দ্বীনের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের ৫ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত চরে আটকা পড়া দেড়শতাধিক পর্যটক উদ্ধার জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়কে পুনরায় সংযুক্ত হওয়ার জন্য এই অঞ্চলকে বেছে নিয়ে ভিসি হয়েছি। উপাচার্য, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়।

কাশিয়ানীতে জমি নিয়ে বিরোধ ‘ধর্ষণ’ মামলার আসামি শিশু!

Reporter Name
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫
  • ১৯৮ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

শেখ মোঃ ইমরান, গোপালগঞ্জ।।

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে রমজান ( রাব্বি) মোল্লা (১৫) নামের এক শিশুকে সাজানো ধর্ষণের অভিযোগ এনে সাজানো মামলায় আসামি করার অভিযোগ উঠেছে।

তবে মামলা দায়েরের আগে কোনো তদন্ত হয়নি বলে দাবি করেছেন ভূক্তভোগী পরিবার। এমন ঘটনা ঘটেছে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নের দক্ষিণ ফুকরা গ্রামে।

শিশুর বাবা রবিউল মোল্যা জানান, ‘গত ৮ মাস যাবত সাড়ে ৪ শতাংশ জমি নিয়ে প্রতিবেশি আনিছ মোল্যার সাথে বিরোধ চলছিল। গত মঙ্গলবার (৮ জুলাই) ওই জমির ওপর দিয়ে ডিশলাইনের তার নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরের দিন বুধবার আবারও ওই জমির বাঁশ কাটা নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আনিছ মোল্যা তার স্ত্রী তানিয়া বেগমকে দিয়ে পরের দিন বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুল পড়ুয়া শিশু কন্যাকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রবিউল মোল্যার ছেলে অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া স্কুলছাত্র রমজান মোল্যার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তদন্ত ছাড়াই শিশু রমজানকে নিজ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। একই দিন মামলা দায়ের শেষে পরের দিন আদালতের মাধ্যমে শিশু রমজানকে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠায় পুলিশ। বর্তমান ওই শিশু যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আছে।

এ বিষয় মামলার দুই নম্বর সাক্ষী ও বাদীর সবচেয়ে নিকটের প্রতিবেশি বেলি বেগমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমি মামলার ঘটনা ও সাক্ষী সম্পর্কে কিছুই জানি না। আমার নাম কে দিল তাও জানি না।’

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, ধর্ষণ বা ধর্ষণচেষ্টার কোন ঘটনা ঘটেনি। জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ঘটনা সম্পূর্ণ সাজানো ও মিথ্যা। তবে গ্রাম্য দলাদলি থাকায় এলাকার পুলিশের এক বড় কর্মকর্তার সুপারিশে এ মামলা হয়েছে বলে ধারনা স্থানীয়দের।

মামলার বাদী তানিয়া বেগমের মুঠোফোনে কল দিলে তার স্বামী আনিছ মোল্যা ফোন ধরে বলেন, ‘এ বিষয় আমি আপনার সাথে কথা বলতে চাচ্ছি না। এলাকাবাসী যেটা বলে, আপনি সেটা লিখেন। প্রয়োজন হলে থানায় গিয়ে জেনে নেন।’

কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন মামলার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘অভিযোগের প্রেক্ষিতেই মামলা হয়েছে। তদন্ত হবে, মিথ্যা হলে তাদের বিরুদ্ধেও মামলা হবে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করেই মামলা নেওয়া হয়ছে।’

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন