1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
খবর প্রকাশের পর পলাশবাড়ীতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীর কারখানা ভেঙে গুড়িয়ে দিলেন প্রশাসন - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইরানের পরমাণু প্রকল্পের তথ্য দিলে ২ কোটি ডলার পুরস্কার! গভীর রাতে কুকুর কেন কাঁদে? কুসংস্কার নয়, রয়েছে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বিনা খরচে ওমরাহ’র সুযোগ পেতে যেভাবে আবেদন করবেন সামনে আনলেন ১৯ বছরের ছোট ‘প্রেমিক’কে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বাবা-মায়ের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই গাজায় ২৫০ ফিলিস্তিনি দম্পতির গণবিবাহ মাদারীপুরে গণঅধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মেহজাবীনের সঙ্গে তুলনা প্রসঙ্গে যা বললেন তটিনী ইউনিয়নে সকল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন বিএনপি নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী দোয়ারাবাজারে সাংবাদিকের উপর হামলাকারী মাদক সম্রাট আহাদ ভূইয়ার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

খবর প্রকাশের পর পলাশবাড়ীতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীর কারখানা ভেঙে গুড়িয়ে দিলেন প্রশাসন

Reporter Name
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২১ নভেম্বর, ২০২২
  • ৩৫০ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

আশরাফুজ্জামান সরকার।।

বিভিন্ন প্রিন্ট পত্রিকায় খবর প্রকাশের পর গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির একটি কারখানা ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসন। ২১ নভেম্বর দুপুরে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নে বাসুদেবপুর (নুড়িয়াপাড়া) গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় পলাশবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মশিউর রহমানের নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা প্রথমে কারখানার চুল্লির আগুনে পানি ছিটিয়ে নিভিয়ে দেন। পরে এস্কেভেটর দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুজ্জামান নয়ন, রংপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক হাসন-ই-মোবারক। উল্লেখ্য, পলাশবাড়ীতে অবৈধ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছিল কয়লা। এসব চুল্লি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছিল। নষ্ট হচ্ছিল ফসলি জমি। ফলে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছিলেন শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে। উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নে বাসুদেবপুর (নুড়িয়াপাড়া) গ্রামের নজরুল ইসলাম ও তার জামাতা মিজানুর রহমান যৌথভাবে অবৈধভাবে গড়ে তুলেছিলেন একটি কাঠ পোড়ানো কয়লা কারখানা। তারা প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় বিশেষ ধরনের চুল্লি বানিয়ে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করছিলেন। কাঠ পোড়ানোর সময় নির্গত হয় প্রচুর কালো ধোঁয়া। চুল্লির মধ্যে সারিবদ্ধভাবে কাঠ সাজিয়ে একটি মুখ খোলা রেখে অন্য গুলো মাটি ও ইট দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হতো। খোলা মুখে আগুন দিয়ে সেটিও বন্ধ করে দেওয়া হতো। ৮ থেকে ১০ দিন পোড়ানোর পর চুলা থেকে কয়লা বের করা হতো। প্রতিটি চুল্লিতে প্রতিবার ২০০ থেকে ৩০০ মণ কাঠ পোড়ানো হতো বলে জানিয়েছেন চুল্লি মালিক নজরুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান। পোড়ানো কয়লা শীতল করে ব্যবসার উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই জনবসতি এলাকা ও ফসলি জমি নষ্ট করে এ কাঠ পোড়ানো চুল্লি স্থাপন করা হয়েছিল। লাল মাটি, ইট ও কাঠের গুঁড়া মিশিয়ে তৈরি করা প্রতিটি চুল্লিতে ৮ থেকে ১০ দিনে ২০০ থেকে ৩০০ মণ কাঠ পোড়ানো হতো। এ ধোঁয়ায় যেমন শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগব্যাধি বাড়ছে তেমনি নষ্ট হচ্ছে বনজ সম্পাদ ও ফসলি জমি। কয়লা তৈরির এই প্রক্রিয়ায় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর বিরুপ প্রভাব পড়ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুজ্জামান জানান, কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করলে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়।তাই আজ অভিযান চালিয়ে চুল্লি গুলো ভেঙে দেয়া হয়েছে।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন