1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
শহীদ মিনারে ফকির আলমগীরকে শ্রদ্ধা - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন

শহীদ মিনারে ফকির আলমগীরকে শ্রদ্ধা

Reporter Name
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১
  • ৩৫০ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

অনলাইন ডেস্ক।।

ঝুম বৃষ্টিতে ভিজেই গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীরকে শ্রদ্ধ জানিয়েছে সর্বস্তরের মানুষ। শনিবার বেলা ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত মরদেহ রাখা হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে খিলগাঁওয়ের পল্লীমা সংসদ মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গার্ড অব অনার দেওয়া হয় স্বাধীন বাংলা বেতারের এই কণ্ঠসৈনিককে।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ওয়ার্কার্স পার্টি, শিল্পকলা একাডেমি, কৃষক লীগসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ ছাড়া তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমদ, নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ অনেকে শ্রদ্ধা জানান।

পরে মরদেহ নেওয়া হয় খিলগাঁও চৌধুরী পাড়ার মাটির মসজিদে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজার পর বাদ জোহর খিলগাঁও তালতলা কবরস্থানে দাফন করা হবে।

শুক্রবার রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ফকির আলমগীর। এর আগে রাত সাড়ে ৯টার দিকে হার্ট অ্যাটাক হয় তার। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভেন্টিলেশন সাপোর্টে চিকিৎসাধীন ছিলেন এ সংগীতশিল্পী।

ষাটের দশক থেকে গণসংগীতের সঙ্গে যুক্ত ফকির আলমগীর। ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী ও গণ শিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রে। স্বাধীনতার পর পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে দেশজ সুরের মেলবন্ধন ঘটিয়ে বাংলা পপ গানের বিকাশে ভূমিকা রাখেন এ শিল্পী। সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার ১৯৯৯ সালে ফকির আলমগীরকে একুশে পদক দেয়।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তার কণ্ঠের বেশ কয়েকটি গান দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। এর মধ্যে ‘ও সখিনা’ গানটি এখনো মানুষের মুখে মুখে ফেরে। ১৯৮২ সালের বিটিভির আনন্দমেলা অনুষ্ঠানে গানটি প্রচারের পর দর্শকদের মাঝে সাড়া ফেলে। গানটি লিখেছেন আলতাফ আলী হাসু। কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি গানটির সুরও করেছেন ফকির আলমগীর। অন্যান্য গানের মধ্যে ‘সান্তাহার জংশনে দেখা’, ‘বনমালী তুমি’, ‘কালো কালো মানুষের দেশে’, ‘মায়ের একধার দুধের দাম’, ‘আহা রে কাল্লু মাতব্বর’, ‘ও জুলেখা’ উল্লেখযোগ্য।

ফকির আলমগীর সাংস্কৃতিক সংগঠন ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা, গণসংগীত চর্চার আরেক সংগঠন গণসংগীতশিল্পী পরিষদের সাবেক সভাপতি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করা ফকির আলমগীর গানের পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখিও করতেন। ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান’, ‘গণসংগীতের অতীত ও বর্তমান’, ‘আমার কথা’, ‘যারা আছেন হৃদয় পটে’সহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ হয়েছে তার।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন