1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
ঢাকার বস্তিতে করোনা কেন কম? - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনের পর কতটা বদলেছে দুই হাসপাতালের চিত্র? কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৪, আহত ৩৯ যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী সালথায় সোনাপুরে বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন ছরোয়ার হোসেন বর্তমান সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত-এসকে আজিজুল বারী হেলাল মাদারীপুরের যুবককে লিবিয়ায় আটকে মুক্তিপণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার মাদারীপুরে অভিবাসন সেবা জোরদারে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে কৌশলগত কর্মশালা মাদারীপুরে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ নিয়ে অবহিতকরণ সভা সালথায় তৃণমূল বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করতে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত মানুষের সেবক হতে চান মেয়র পদপ্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদ

ঢাকার বস্তিতে করোনা কেন কম?

Reporter Name
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২০
  • ১১২১ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন বস্তিতে বসবাস করা মানুষদের মধ্য এখন পর্যন্ত ৬ শতাংশের নভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) ধরা পড়েছে। এর কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা তাদের জীবন-যাপনের ধরনের কথা উল্লেখ করছেন।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা সংস্থার (আইসিডিডিআর,বি’) যৌথ জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী রাজধানীর মোট জনসংখ্যার ৯ শতাংশ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। সার্বিকভাবে এ হার ৯ শতাংশ হলেও বস্তিতে এ হার আরও তিন শতাংশ কম।

জরিপে রাজধানীর ৬টি বস্তি এলাকাসহ বিভিন্ন বাড়ি পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনের সময় যেকোনো একটি বাড়ির চারজনের মধ্যে একজনের শরীরে পরিদর্শনের দিন কিংবা পরবর্তীতে ৭ দিনের মধ্যে করোনার চারটি উপসর্গের একটি পাওয়া গেলে তাকে উপসর্গের রোগী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

একইভাবে রাজধানীর ছয়টি বস্তি এলাকাসহ বিভিন্ন বাড়ি পরিদর্শনের সময় যেকোনো একটি বাড়ির চারজনের মধ্যে একজনের পরিদর্শনের দিন কিংবা পরবর্তীতে ৭ দিনের মধ্যে করোনার চারটি উপসর্গের একটিও না পাওয়া গেলে তাকে উপসর্গবিহীন রোগী ধরা হয়। মোট ৩ হাজার ২২৭টি বাড়ি পরিদর্শনকালে ২১১ জন করোনা উপসর্গের রোগী পাওয়া যায়।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং গবেষক লেলিন চৌধুরী এ বিষয়ে ভারতের বেসরকারি সংবাদ সংস্থা আইএএনএস-কে শনিবার বলেন, ‘তাদের (বস্তিবাসী) কারোরই মাস্ক নেই। কিন্তু কম আক্রান্ত। এ কারণেই ঢাকায় কভিড-১৯ রোগটিকে এখনো বড়লোকের রোগ বলা হচ্ছে।’

‘এসব মানুষেরা জামা কম পরেন, জুতা ব্যবহার করেন না, অধিকাংশ সময় সরাসরি সূর্য এবং প্রকৃতির কাছে থাকেন, তাদের ইমিউনিটি ভালো। যেসব মানুষ এসির ভেতর থাকেন, সূর্যের আলো কম লাগান, সংরক্ষিত খাবার বেশি খান তাদের ইমিউনিটি কম।’

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন