1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানের গীতিকার ফজল-এ-খোদা মারা গেছেন - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সবংর্ধনা ও মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠান মার্কিন হামলায় প্রশান্ত মহাসাগরে নৌযান বিধ্বস্ত, নিহত ৩ রওজা মোবারকে দরজা-জানালা নেই কেন? হজের সফল সমাপ্তির ঘোষণা দিল সৌদি আরব শোক ভুলে কাজে নেমেছিলেন প্রিয়াঙ্কা, এবার সেখানেও ধাক্কা আদ্-দ্বীনের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের ৫ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত চরে আটকা পড়া দেড়শতাধিক পর্যটক উদ্ধার জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়কে পুনরায় সংযুক্ত হওয়ার জন্য এই অঞ্চলকে বেছে নিয়ে ভিসি হয়েছি। উপাচার্য, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়।

‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানের গীতিকার ফজল-এ-খোদা মারা গেছেন

Reporter Name
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১
  • ২০৪ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

অনলাইন ডেস্ক |

করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানের গীতিকার ফজল-এ-খোদা (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রবিবার ভোর ৪টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।

ফজল-এ-খোদার ছেলে সজীব ওনাসিস রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় দেশ রূপান্তরকে মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ফজল-এ-খোদা। গত মঙ্গলবার করোনা পজিটিভ আসার পর বাসায় থেকে দু’দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর বৃহস্পতিবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার স্ত্রী মাহমুদা সুলতানা এবং বড় ছেলেও করোনা আক্রান্ত।

ফজল-এ-খোদার মেজো ছেলে সজীব দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমার বড় ভাই করোনা আক্রান্ত হন। পরে আমার বাবা-মাও আক্রান্ত হন। মঙ্গলবার করোনা পজিটিভ হওয়ার খবর আসার পর বাবা বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। পরে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’

তিনি জানান, রবিবার সকাল ১১টার দিকে রায়েরবাজার কবরস্থানে তার বাবাকে দাফন করা হবে। এর আগে কবরস্থান মসজিদেই জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

বহু কালজয়ী গানের গীতিকার ফজল-এ-খোদা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ‘যে দেশেতে শাপলা শালুক ঝিলের জলে ভাসে’, ‘ভালোবাসার মূল্য কতো, আমি কিছু জানি না’, ‘কলসি কাঁধে ঘাটে যায় কোন রূপসী’, ‘বাসন্তী রং শাড়ি পরে কোন রমণী চলে যায়’, ‘আমি প্রদীপের মতো রাত জেগে জেগে’, ‘ভাবনা আমার আহত পাখির মতো’, ‘প্রেমের এক নাম জীবন’, ‘বউ কথা কও পাখির ডাকে ঘুম ভাঙেরে’, ‘খোকন মণি রাগ করে না’।

১৯৬৩ সালে তিনি বেতারে গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। পরের বছর ১৯৬৪ সালে টেলিভিশনে গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

ছড়াকার হিসেবে লেখালেখি শুরু করেছিলেন ফজল-এ-খোদা। দেশাত্মবোধক, আধুনিক, লোকসংগীত এবং ইসলামী গান লিখে তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

ঢাকা বেতারের সাবেক এই আঞ্চলিক পরিচালক শিশু-কিশোরদের সংগঠন শাপলা-শালুকের আসরের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।

ফজল-এ-খোদা ১৯৪১ সালের ৯ মার্চ পাবনা জেলার বেড়া থানার বনগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন