1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
অ্যামনেস্টির রিপোর্ট: ইসলামকে মুছে ফেলতে চাইছে চীন - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জামালপুরে গৃহবধূ হত্যা মামলার প্রধান আসামী কাউসার আহমেদ গ্রেফতার জামালপুরে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মাদারীপুরে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার নজরুল বর্ষে মাদারীপুরে ১ হাজার ৫০০ গাছ বিতরণ কার্যক্রম শুরু রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪-এ শিশু স্পনসরশিপ কর্মসূচির সহায়তা সামগ্রী বিতরণ দোয়ারাবাজারে গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১: মোবাইল কোর্টে ৬ মাসের কারাদণ্ড পঞ্চগড়ে হানিট্রাপ চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার কলেজ শিক্ষক হলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম সুসুয়া চরে এইচসিআই -এর অর্থায়নে চাইল্ড স্পনসরশিপ প্রোগ্রামের সহায়তা সামগ্রী বিতরণ

অ্যামনেস্টির রিপোর্ট: ইসলামকে মুছে ফেলতে চাইছে চীন

Reporter Name
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১১ জুন, ২০২১
  • ২৪৮ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

অনলাইন ডেস্ক |

১৬০ পাতার এ রিপোর্টের শিরোনাম, ‘আমরা যেন যুদ্ধে শত্রুপক্ষ’
চীনের উইগুরদের নিয়ে নতুন রিপোর্ট প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সেখানে অভিযোগ করা হয়, দেশটি ইসলামকে মুছে ফেলতে চাইছে।
অ্যামনেস্টি ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে গত মে পর্যন্ত এ গবেষণা পরিচালনা করেছে। তারা ১২৮ জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। তার মধ্যে ৫৫ জন চীনের উইগুর শিবিরে ছিলেন। আর ৬৮ জন সেই সব পরিবারের সদস্য, যাদের কেউ হারিয়ে গেছেন বা আটক করা হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে।

রিপোর্ট বলছে, শিনজিয়াং-এ ১০ লাখের বেশি মানুষকে শিবিরে পাঠানো হয়েছে। মুসলিমদের ভয় দেখানোর জন্য চীন তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থানগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। প্রচুর সাক্ষী অ্যামনেস্টিকে বলেছেন, চীন ইসলামকেই মুছে ফেলতে চায়।

অনেকে বলেছেন, মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে। এমনকি মসজিদে ও মুসলিমদের বাড়িতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর ছবি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষাৎকারদাতাদের অনেকেই বলেছেন, তারা চীনে নিজেদের ধর্মাচরণ করতে ভয় পাচ্ছেন। জানেন যে, রাষ্ট্র তাদের ওপর নজর রাখছে।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, কোনো রকম সতর্কতা ছাড়াই উইগুরদের মাঝরাতে বাড়ি থেকে তুলে শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের তথাকথিত শিক্ষা-শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং জোর করে নিজেদের অপরাধের কথা স্বীকার করানো হয়।। তারপর তাদের মধ্যে কিছু মানুষকে শিবিরে রাখা হয়, কারণ দেখানো হয়— তারা সন্ত্রাসবাদী এবং বিশ্বাসযোগ্য নয়।

যাদের শিবিরে আটকে রাখা হয়েছিল, তাদের কয়েকজন মানবাধিকার সংস্থাটিকে বলেছেন, শিবিরের অবস্থা চীনের কারাগারের থেকেও খারাপ। তাদের সংশোধন-ক্লাসে যেতে হয়। তার আগে সারা দিন তাদের বসিয়ে রাখা হয়। শিবিরের ক্লাসে তাদের ইসলামের ‘খারাপ’ দিকগুলো বাধ্যতামূলকভাবে শিখতে হয়।

উইগুরদের অমানবিক অবস্থা তুলে ধরে মানবাধিকার সংগঠনটি কিছু দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, শিবির থেকে চীনকে সব উইগুরকে মুক্তি দিতে হবে। যদি না তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের অকাট্য প্রমাণ থাকে। চীনকে এই শিবির বন্ধ করতে হবে।

আরও বলেছেন, উইগুরদের বিরুদ্ধে যাবতীয় অত্যাচার ও তাদের হেনস্তা করা বন্ধ করতে হবে।  জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ শিনজিয়াং-এ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ও অপরাধের তদন্ত করতে আন্তর্জাতিক দল পাঠাবে।  জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল জানিয়ে দেবেন, চীন বেআইনি কাজ করেছে এবং তা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার।

এ রিপোর্ট প্রসঙ্গে অ্যামনেস্টির সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাগনেস ক্যালামার্ড ডয়চে ভেলেকে বলেন, “চীন মানবতার বিরুদ্ধে যে অপরাধ করেছে, তা তথ্যসহ রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে।”

আরও বলেন, “অন্য দেশগুলো যেন সাহসী হয়ে উপায় ঠিক করে এবং চীনকে এই কাজ বন্ধ করতে বাধ্য করে।”

“আমরা যে তথ্যপ্রমাণ দিয়েছি, তারপর দেশগুলোর পক্ষে চুপ করে থাকা মুশকিল।”

আমেরিকা ইতিমধ্যেই উইগুরদের প্রতি চীনের নীতিকে ‘গণহত্যা’ বলে অভিহিত করেছে। চীন অবশ্য বরাবরই কোনোরকম অত্যাচারের কথা অস্বীকার করেছে। তাদের অভিযোগ, ঘরোয়া বিষয়ে বাইরের দেশগুলো হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছে।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন