1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
কালকিনিতে বকেয়া বেতনের দাবিতে শিক্ষকদের প্রতিবাদ - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৭:৩০ অপরাহ্ন

কালকিনিতে বকেয়া বেতনের দাবিতে শিক্ষকদের প্রতিবাদ

Reporter Name
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫৩২ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

মোঃ জাফরুল হাসান, কালকিনি (মাদারীপুর)
মাদারীপুরের কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের শিক্ষকদের বকেয়া আট মাসের বেতন পরিশোধের দাবিতে প্রতিবাদ সভা করেছেন নন-এমপিও শিক্ষক ও কর্মচারীরা। আজ সোমবার দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে তাঁরা এ প্রতিবাদ সভা করেন।
এ সময় নন-এমপিও শিক্ষক ও কর্মচারীরা জানান, বাংলাদেশে করোনা শুরু হওয়ার পর থেকে ৮ মাস সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের ৭২ জন শিক্ষক ও প্রায় ৩০ জন কর্মচারী বেতন ভাতা পাচ্ছে না। অথচ শিক্ষকরা দৈনিক কলেজে এসে ভার্চুয়াল ক্লাসসহ দাপ্তরিক কাজ করেন। করোনার এই মহামারী সময়ে আট মাস বেতন না পেয়ে তারা খুবই মানবতেন জীবন পাড় করছেন।
প্রতিবাদ সভায় শিক্ষকরা কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. হাসানুর সিরাজীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ তোলেন। এ সময় শিক্ষকরা ‘এক দফা এক দাবি, সিরাজী তুই কবে যাবি’ স্লোগান দিয়ে অধ্যক্ষ হাসানুর সিরাজীর পদত্যাগের দাবি জানান।
প্রতিবাদ সভায় কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ইয়াকুব খান বলেন, ‘শিক্ষা দান করাই হচ্ছে আমাদের শিক্ষকদের কাজ। কিন্তু আজ বাধ্য হয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়েছি। আমাদের দুর্দশার কথা জানানোর জন্য। শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন ও ভাতার ব্যাপারে যতোবার অধ্যক্ষের সাথে আমরা দেখা করতে চেয়েছি তিনি দেখা করেননি, বার বার আমাকে রিফিউজ করেছেন।’
সভায় কলেজের জেষ্ঠ্য শিক্ষক কাজী কামরুজ্জামান বলেন, ‘অধ্যক্ষ সাহেবের কার্যকলাপের জন্য আমরা তাকে উদ্ভট, অদক্ষ ও দুর্নীতিবাজ বলে থাকি। তিনি কালকিনি উপজেলায় তার কিছু অনুসারী তৈরি করেছেন। যাদের দিয়ে প্রায় সময় হুমকি ধামকি দিয়ে শিক্ষকদের দমানোর প্রচেষ্টা করে যাচ্ছেন। অধ্যক্ষের এই কর্মকান্ডের জন্য দীর্ঘদিনের এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে চলে আসছে। আমরা তার পদত্যাগ চাই, নয়তো সঠিক একটি সমাধাণ চাই।’
এ সম্পর্কে জানতে চাইলে কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. হাসানুর সিরাজী বলেন, ‘করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ও যথাসময়ে টিউশন ফি আদায় না হওয়ায় নন-এমপিও শিক্ষক ও কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-ভাতা দেওয়া যাচ্ছে না। তারা বিপদে পড়েছেন কিন্তু এ বিষয় এই মুহুর্তে আমার কিছু করারও নেই। আর শিক্ষকরা বেতন ভাতা না পেয়ে আমার উপর ক্ষুদ্ধ হয়েই নানা অভিযোগ ও অশ্লীল ভাষায় কথা বলছে।’

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন