1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
বজ্রপাতের সময় করণীয় জানুন - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৭ অপরাহ্ন

বজ্রপাতের সময় করণীয় জানুন

লাইভনিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

তীব্র গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টির দেখা পেয়েছে দেশবাসী। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে আগামী কয়েকদিনও বৃষ্টির এই ধারা অব্যাহত থাকবে। তবে আতঙ্কের বিষয় সঙ্গে থাকবে বজ্রপাত। গত একদিনেই বজ্রপাতে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৪ জন। তাই বজ্রপাতের সময় নিজেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে সচেতন থাকার বিকল্প নেই।

বজ্রপাতে যে কেবল মানুষ প্রাণ হারায় এমনটা নয়। এর কারণে পেশিতে ব্যথা, হাড় ভেঙে যাওয়া, হকচকিয়ে যাওয়া, কানে কম শোনা, খিঁচুনি, পুড়ে যাওয়া, আচরণগত পরিবর্তন, চোখের ছানি এমনকি কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের মতো ভয়াবহ বিষয়ও ঘটতে পারে। কীভাবে বজ্রপাতের সময় নিজেকে রক্ষা করবেন চলুন জেনে নিই-

ঘরের ভেতর থাকুন

আকাশে বিজলী চমকানোর সময়ে ঘরের মধ্যে থাকাটাই নিজেকে নিরাপদ রাখার সবচেয়ে ভালো উপায়। একটু দূর থেকে এই শব্দ বা দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হতেই পারেন। কিন্তু কাছে গেলেই বাঁধবে বিপদ। তাই ঝড় থেমে যাওয়া পর্যন্ত জানালা-দরজা বন্ধ করে ঘরের মাঝে আশ্রয় নিন। কারণ সরাসরি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার আশঙ্কা না থাকলে বিপদ ঘটবে না।

গাছের নিচে আশ্রয় নেবেন না

ঝড়ের সময় ঘরের বাইরে থাকা হলেও কোনো গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া যাবে না। শুধু বৃষ্টিপাতের সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়াটা বেশ আরামদায়ক, কিন্তু বজ্রপাতের একদমই নয়। কেননা অনেক সময়ই গাছের ওপর বাজ পড়ে। আর গাছের মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে পরিবাহিত হয়ে মাটিতে পৌঁছে যায়।

এছাড়াও অনেক উঁচু পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকার কারণে গাছের ওপর বাজ পড়ার ঝুঁকিও অনেক বেশি থাকে। তাই ঝড় ও বজ্রপাত চলাকালীন কেউ গাছের নিচে আশ্রয় নিলে মাটিতে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর সময় সেই ব্যক্তিরও তড়িতাহত হওয়ার অনেক বেশি আশঙ্কা থেকে যায়। গাছ সরাসরি আক্রান্ত না হলেও, দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় মাটির সেই অংশে বাজ পড়লেও ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

খালি পায়ে থাকবেন না

অনেকেই বাড়িতে জুতা বা স্যান্ডেল পরে থাকা পছন্দ করেন না। তবে ঝড়-বৃষ্টি, বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় এই অভ্যাসে পরিবর্তন আনাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। নয়তো ভূপৃষ্ঠ দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়ার সময় তা শরীরেও সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।

অন্তত বজ্রপাতের সময়গুলোতে বাড়িতেও জুতা পরুন। বিশেষ করে রাবার সোলের জুতা পরে থাকাটা বিচক্ষণের কাজ হবে। এতে মাটিতে প্রবাহিত বিদ্যুৎ থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব। তাই ঘরে হোক বা বাইরে, ভুলেও খালি পায়ে থাকবেন না।

উঁচু স্থান এড়িয়ে চলুন

বজ্রঝড়ের সময় যথাসাধ্য উঁচু স্থান এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এসব স্থানই সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। এছাড়া মাটি থেকে বেশি ওপরে থাকার ফলে ব্যক্তির আক্রান্ত হওয়ারও ঝুঁকিও বেশি থাকে।

কেউ যদি ঝড়ের সময় খোলা জায়গায়, গাছের নিচে বা আশপাশে কিংবা যেকোনো ধরনের খুঁটির কাছে দাঁড়ায়, তাতেও বজ্রাঘাতের আশঙ্কা অনেক বেশি। তাই প্রকৃতির এই ভয়াবহ রূপ থেকে বাঁচতে চাইলে এ সময়টায় নিচু ভবন এবং ঘরদোরের মধ্যে থাকাটাই ভালো কৌশল।

গোসল করবেন না

বজ্রপাতের সময় গোসল না করার বিষয়টিকে অনেকেই মান্ধাতার আমলের কথা মনে করলেও এর কিছুটা সত্যতা রয়েছে। বজ্রপাতের কারণে বিদ্যুতের শকওয়েভ যেহেতু বিভিন্ন ধাতব পাইপ, বাথরুমের কলের মধ্য দিয়েও প্রবাহিত হতে পারে, সেক্ষেত্রে যদি কোনো বাড়ি বা ভবনের ওপর বাজ পড়ে, তাহলে সেসময় গোসল করলে কিংবা এসব জিনিস স্পর্শ করলে বিদ্যুতাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

এছাড়া পানিতেও বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। তাই বজ্রপাত থামার পর অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর গোসল বা অন্যান্য কাজে বাথরুমের কল ছাড়ুন।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন