1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
সুখ অধরাই রয়ে গেল এই উইঘুর দম্পতির - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিগত সময়ে বিদ্যুৎ খাতে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে এ খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে- প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ পঞ্চগড়ে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পঞ্চগড়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত তেরখাদায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্ম বার্ষিকী পালিত সিন্ডিকেট নির্মুল করা হবে। সবার জন্য সমান সেবা নিশ্চিত করতে -ফরহাদ হোসেন আজাদ আল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুমাননির্ভর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন মঙ্গলবার উপসচিব হলেন ২৭৭ কর্মকর্তা আমাদের গোপন করার কিছু নেই: নজরুল ইসলাম খান তৈরি পোশাক খাতে রফতানি সক্ষমতা বাড়াতে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে সমঝোতা

সুখ অধরাই রয়ে গেল এই উইঘুর দম্পতির

Reporter Name
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১
  • ২৪০ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

অনলাইন ডেস্ক |

২০১৬ সালে বিয়ের সাজে তাহের-মেজেনহফ
২০১৭ সালের এপ্রিল, আর মাত্র দুদিন পর জিনজিয়াং থেকে অস্ট্রেলিয়ায় রওনা দেবেন মেহরে মেজেনসফ ও মিরজাট তাহের দম্পতি। চমৎকার ভবিষ্যৎ আশা করছিলেন তারা। কিন্তু এদিন দরজায় কড়া নাড়ে চীনা পুলিশ। জব্দ করা হয় তাহেরের পাসপোর্ট, তাকে ঢোকানো হয় ডিটেনশন ক্যাম্পে।

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ দুর্ভাগা দম্পতির খবর প্রকাশ করেছে সিএনএন। সেখানে বলা হয়, তার পরের চার বছরে জিনজিয়াংয়ের বন্দী শিবিরেই কেটেছে তাহেরের দিন। কিন্তু চূড়ান্ত রায় তখনো বাকি ছিল।

তার স্ত্রী মেজেনসফ এখন মেলবোর্নে থাকেন, যেখানে নতুন করে শুরু হওয়ার কথা ছিল তাদের যুগল জীবন। এ চার বছর ধরে আশা করছিলেন, হয়তো শিগগিরই স্বামীর দেখা পাবেন। এর মাঝে গত এপ্রিলে চীন থেকে একটি ফোন আসে মেজেনসফের বাড়িতে। তাকে জানানো হয়, বিচ্ছিন্নতাবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে তাহেরের ২৫ বছরের জেল হয়েছে।

এ তরুণী বলছিলেন, তারা কীভাবে এতটা নিষ্ঠুর ও হৃদয়হীন হতে পারে? আমার স্বামী কিছুই করেনি এবং ইতিমধ্যে সে চার বছর জেল কেটেছে।

১০ লাখ উইঘুর ও মুসলিম সংখ্যালঘুকে আইন-বহির্ভূতভাবে বন্দী করার জন্য একাধিকবার মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা অভিযোগ জানিয়েছে। কিন্তু বেইজিং বরাবরই বলে আসছে বিচ্ছিন্নবাদ ও ধর্মীয় উগ্রবাদ রুখতে ‘ভকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার’ খুলেছে তারা।

বিশেষজ্ঞরা বলছে, ভকেশনাল ট্রেনিং-এর পাশাপাশি আলাদা প্রকল্প রয়েছে চীনের। যেখানে তাহেরের মতো অনেক উইঘুর দীর্ঘমেয়াদি সাজা কাটছেন। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ ও জাতিগত বিদ্বেষ উসকে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু এ নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে কোনো স্বচ্ছ তথ্য দেয়নি চীন।

স্থানীয় সংখ্যাগুরু ‍উইঘুরদের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়ার পর ২০১৪ সাল থেকে জিনজিয়াং-এ সাজা পাওয়া বন্দীদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। এমনও অভিযোগ এসেছে পরিকল্পিতভাবে কমিয়ে আনা হচ্ছে জনসংখ্যা। স্থানীয় অধিবাসীদের চাকরির নামে দূরের প্রদেশে পাঠানো থেকে জন্ম নিয়ন্ত্রণে বাধ্য করার ঘটনাও ঘটছে।

এ বন্দী শিবিরগুলোর অমানবিক অবস্থা নিয়ে প্রায়ই সংবাদ প্রকাশ হয় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। ছাড়া পাওয়া অনেকেই জানিয়েছে, ভয়াবহ সব ঘটনা। অথচ সাজা পাওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য কখনো প্রকাশ করে না চীন। আর এরই আড়ালে ঢাকা পড়ে তাহের ও মেজেনসফের মতো অনেকেরই স্বপ্ন।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন