
নড়িয়ার ওসির জানান,
শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলায় করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে ঢাকার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে মৃত্যুবরণকারী আমানুল্লাহ বেপারীর পরিবারের লোকজন সহ সর্বমোট ৩৩ টি পরিবারকে লক ডাউন করা হয়। লকডাউন কৃত ৩৩ টি পরিবার ও পার্শ্ববর্তী আরো ০৩ টি পরিবার সহ সর্বমোট ৩৬ টি পরিবারকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী জনাব এ কে এম এনামুল হক শামীম স্যারের ব্যক্তিগত তহবিল হতে প্রত্যেক পরিবারকে ১০ কেজি চাল, ০৫ কেজি আলু, ০২ কেজি ডাল, ০২ কেজি পেঁয়াজ, ০১ কেজি তেল, ০১ কেজি লবণ, একটি জীবানুনাশক সাবান প্রদান করা হয়। আমি সহ ইন্সপেক্টর (তদন্ত) প্রবীণ কুমার চক্রবর্তী, এস আই ইমরান, উপস্থিত থেকে নড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান খোকন, ঘড়িসার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রব, বারইপাড়ার ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন দেওয়ান, থিরোপাড়ার ইউপি সদস্য বাবু বেপারীর সহায়তায় খাবার সামগ্রী প্রত্যেক ঘরে ঘরে পৌঁছে দিই। লুৎফা বেগম স্বামী- মৃত চুন্নু মাদবর গ্রাম- পন্ডিতসার, থানা- নড়িয়া, জেলা- শরীয়তপুর পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী মহোদয় কে ফোন করে তিনি অভুক্ত আছেন জানালে মানবতা প্রেমিক মন্ত্রী মহোদয় তাহার মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে আমাকে ফোন করে অসহায় বিধবা লুৎফা বেগম কে খাবারের ব্যবস্থা করতে বললে আমি মন্ত্রী মহোদয়ের পক্ষ থেকে ১০কেজি চাল,০৬ কেজি আলু, ০২ কেজি ডাল, ০২ কেজি পিয়াজ, ০১ কেজি তেল প্রদান করি। বিধবা মহিলা মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে খাবার সাহায্য চেয়ে ছিলেন কিন্তু মানবতা প্রেমিক মন্ত্রীমহোদয় তাকে খাবার দেওয়ার সাথে সাথে একটি ঘর করে দিবেন বলে আমাকে জানান। আমি মহিলাকে মন্ত্রী মহোদয় তাকে ঘর করে দিবেন জানালে তিনি দু চোখ দিয়ে অশ্রু বিসর্জন করে মন্ত্রী মহোদয়ের জন্য দোয়া করেন ? হয়তোবা এটাই মানবতা!