1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
ডিএনএ পরীক্ষায় ৪ জন জড়িত থাকার প্রমাণ - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন

ডিএনএ পরীক্ষায় ৪ জন জড়িত থাকার প্রমাণ

Reporter Name
  • প্রকাশিত : সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০
  • ৮৮২ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ঘটনায় চারজনের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে ডিএনএ পরীক্ষায়। ঘটনার প্রায় দুই মাস পর প্রাপ্ত ডিএনএ রিপোর্টে এসব তথ্য মিলেছে।

যে চারজনের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে তারা হলেন, সাইফুর রহমান, তারেকুল ইসলাম তারেক, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি ও অর্জুন লস্কর। ডিএনএ রিপোর্ট পাওয়ার পর পুলিশ এখন দ্রুত এই মামলার অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্লাহ এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এই মামলার তদন্ত অনেকটা শেষের পথে। সব আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে। এখন ডিএনএ টেস্টের রিপোর্টও পাওয়া গেছে। কয়েকদিনের মধ্যেই অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হবে।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমসি কলেজের প্রধান ফটক থেকে স্বামী-স্ত্রীকে জোরপূর্বক কলেজ ছাত্রাবাসে তুলে নেয়া হয়। সেখানে স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। স্বামী বাদী হয়ে এসএমপির শাহপরাণ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর অল্প সময়ের মধ্যেই আসামি সাইফুর রহমান, তারেকুল ইসলাম তারেক, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান মাসুম, মিসবাউর রহমান রাজন ও আইনুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরা সিলেটের টিলাগড়কেন্দ্রীক ছাত্রলীগের রনজিত গ্রুপের সক্রিয় কর্মী।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরাণ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য জানান, গ্রেপ্তারের পর আট আসামিকেই  পর্যায়ক্রমে পাঁচ দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রিমান্ড শেষে প্রত্যেক আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।

জবানবন্দীতে সাইফুর, তারেক, রনি ও অর্জুন লস্কর ধর্ষণের কথা স্বীকার করে এবং অন্যরা সহায়তা করেছিল বলে জানায়। রিমান্ডে থাকা অবস্থায় আসামিদের ডিএনএ সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। এর প্রায় ২ মাস পর ডিএনএ রিপোর্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার হাতে এসে পৌঁছেছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা আরো জানান, দ্রুত আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। ডিএনএ রিপোর্ট পাওয়ায় এখন কম সময়ের মধ্যেই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

দলবদ্ধ ধর্ষণ ঘটনার পর ওই রাতেই এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে প্রধান আসামি সাইফুরের কক্ষে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এসময় আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সাইফুরের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা করেছে পুলিশ।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন