1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
খেজুর গাছ না থাকায় গাছিরা পরিবর্তন করেছে পেশা - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘দরজা লাগাও’ বলে সাংবাদিককে আটকে লাঞ্ছিত করলো ব্যাংক কর্মকর্তা বিশ্ব যখন ভেবেছিল সব শেষ মেসিরা তখন দেখিয়ে দিলেন: পূর্ণিমা মালয়েশিয়ায় বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশিসহ আটক ২০০ ভুয়া খবর শেয়ারের আগে এই আয়াতটি একবার স্মরণ করুন এনসিপির সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ, তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি আমির খানকে বিয়ের জন্য ধর্ম পরিবর্তন করলেন গৌরী? যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়াম স্পেনের শেষ মুহূর্তের গোলে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় রোনালদোর পর্তুগালের কওম শহরে খামেনির মরদেহ, চতুর্থদিনের শোকমিছিলেও জনস্রোত শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

খেজুর গাছ না থাকায় গাছিরা পরিবর্তন করেছে পেশা

Reporter Name
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২০১ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

আমিরুল ইসলাম কবির,গাইবান্ধা।।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে প্রায় পুরোপুরিই হারিয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ ও খেজুরের রস। শীত মৌসুম এলেই এক সময়ে গ্রাম-বাংলার প্রতি ঘরে ঘরে খেজুরের রস দিয়ে ফিরনি,পায়েস, খেজুর রসের গুড় দিয়ে ভাঁপা পিঁঠা এবং গাড় রস দিয়ে তৈরী করা মুড়ির মোয়া,চিড়া,খই ও চিতই পিঠাসহ হরেক রকম পিঠাপুলির মহোৎসব চলতো। কিন্তু আগের মতো আর গ্রামে বাড়ি বাড়ি কিংবা গ্রামের রাস্তা ঘাটের দু’পাশে সারি সারি খেজুর গাছ দেখা মেলা ভার। গ্রামের রাস্তাগুলো সংস্কার ও নতুন করে খেজুর গাছ রোপনে মানুষের আগ্রহের অভাবে বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ ও খেজুরের রস ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে। তবে এখনও রাস্তার আশেপাশে কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে নামমাত্র কিছু সংখ্যক খেজুর গাছ। আর রস আহরণে এখনো গ্রাম্য রীতিতেই ঝুঁকি নিয়েই কোমরে রশি বেঁধে শীতের বিকালে ছোট-বড় মাটির হাঁড়ি গাছে বেঁধে রেখে পরের দিন সকালে তা নামিয়ে রস সংগ্রহ করেন গাছিরা। আগে তারা এই কাঁচা রস এলাকার বিভিন্ন স্থানে ও হাট-বাজারে পাড়া মহল্লায় বিক্রি করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতো। আবার কেউ কেউ সকালে রস জ্বাল দিয়ে গুড়-মিঠাই তৈরি করতো। প্রতিবছর এই মৌসুমে অযত্নে-অবহেলায় পথে প্রান্তরেও পরে থাকা খেজুর গাছের রস ও গুড় বিক্রি করে বাড়তি টাকা উপার্জন করতো তারা।
কিন্তু বর্তমানে পর্যাপ্ত খেজুরের গাছ না থাকায় গাছিরাও তাদের এই পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে।

বর্তমানে খেজুরের গাছ বিলুপ্তীর দ্বার প্রান্তে চলে যাওয়ায় উপজেলা কৃষি দপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এবং আমাদের সকল নাগরিকদেরকে বাড়ির আসেপাশে খেজুর গাছ রোপণ করা এখন সময়ের দাবি। এতে করে আগামী প্রজন্মও ফিরে পাবে ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ ও খেজুরের রস।।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন