1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
খেজুর গাছ না থাকায় গাছিরা পরিবর্তন করেছে পেশা - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুসুয়া চরে এইচসিআই -এর অর্থায়নে চাইল্ড স্পনসরশিপ প্রোগ্রামের সহায়তা সামগ্রী বিতরণ জামালপুরে ভাড়াবাসা থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার তেরখাদার হাড়িখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতিকে সংবর্ধনা ও মতবিনিময় জামালপুরে ৭ দফা দাবীতে দলিল লেখক সমিতির স্মারকলিপি প্রদান দোয়ারাবাজারে খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন বাচ্চু বর্মনের তেরখাদার বিআরবি আজগড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর লস্কর ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ভোট যুদ্ধে ফখরুল-অলি জেমসের বিরুদ্ধে হোটেল নোংরা রেখে চলে যাওয়ার অভিযোগ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ইকুয়েডরের গোয়েন্দাপ্রধানসহ নিহত ৭ বিগত সময়ে বিদ্যুৎ খাতে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে এ খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে- প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

খেজুর গাছ না থাকায় গাছিরা পরিবর্তন করেছে পেশা

Reporter Name
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২২৩ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

আমিরুল ইসলাম কবির,গাইবান্ধা।।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে প্রায় পুরোপুরিই হারিয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ ও খেজুরের রস। শীত মৌসুম এলেই এক সময়ে গ্রাম-বাংলার প্রতি ঘরে ঘরে খেজুরের রস দিয়ে ফিরনি,পায়েস, খেজুর রসের গুড় দিয়ে ভাঁপা পিঁঠা এবং গাড় রস দিয়ে তৈরী করা মুড়ির মোয়া,চিড়া,খই ও চিতই পিঠাসহ হরেক রকম পিঠাপুলির মহোৎসব চলতো। কিন্তু আগের মতো আর গ্রামে বাড়ি বাড়ি কিংবা গ্রামের রাস্তা ঘাটের দু’পাশে সারি সারি খেজুর গাছ দেখা মেলা ভার। গ্রামের রাস্তাগুলো সংস্কার ও নতুন করে খেজুর গাছ রোপনে মানুষের আগ্রহের অভাবে বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ ও খেজুরের রস ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে। তবে এখনও রাস্তার আশেপাশে কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে নামমাত্র কিছু সংখ্যক খেজুর গাছ। আর রস আহরণে এখনো গ্রাম্য রীতিতেই ঝুঁকি নিয়েই কোমরে রশি বেঁধে শীতের বিকালে ছোট-বড় মাটির হাঁড়ি গাছে বেঁধে রেখে পরের দিন সকালে তা নামিয়ে রস সংগ্রহ করেন গাছিরা। আগে তারা এই কাঁচা রস এলাকার বিভিন্ন স্থানে ও হাট-বাজারে পাড়া মহল্লায় বিক্রি করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতো। আবার কেউ কেউ সকালে রস জ্বাল দিয়ে গুড়-মিঠাই তৈরি করতো। প্রতিবছর এই মৌসুমে অযত্নে-অবহেলায় পথে প্রান্তরেও পরে থাকা খেজুর গাছের রস ও গুড় বিক্রি করে বাড়তি টাকা উপার্জন করতো তারা।
কিন্তু বর্তমানে পর্যাপ্ত খেজুরের গাছ না থাকায় গাছিরাও তাদের এই পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে।

বর্তমানে খেজুরের গাছ বিলুপ্তীর দ্বার প্রান্তে চলে যাওয়ায় উপজেলা কৃষি দপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এবং আমাদের সকল নাগরিকদেরকে বাড়ির আসেপাশে খেজুর গাছ রোপণ করা এখন সময়ের দাবি। এতে করে আগামী প্রজন্মও ফিরে পাবে ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ ও খেজুরের রস।।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন