
একজন ঈমানদারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো নামাজ। ‘যার মধ্যে নামাজ নেই, তার ভেতর দ্বীনের কোনো হিস্যা নেই।’ (মুসনাদে বাজ্জার: ৮৫৩৯) নামাজে বান্দা আল্লাহ তাআলার পাশে থাকেন, চুপিসারে প্রভুর সঙ্গে কথা বলেন। আল্লাহর রাসুলের (স.) ভাষায়- ‘মুমিন যখন নামাজে থাকে সে তার প্রতিপালকের সঙ্গে নিভৃতে কথা বলে।’ (সহিহ বুখারি: ৪১৩)
বান্দা যখন নামাজ শুরু করে, নামাজে মনোযোগী হয়, তখন আল্লাহ তার প্রতিটি কথা শোনেন, প্রতিটি কথার প্রতিউত্তর করেন। বান্দা যা চান, তিনি কবুল করেন। সে কথা আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসুলের মাধ্যমে হাদিসে কুদসিতে আমাদের জানিয়েছেন।
অতঃপর বান্দা যখন বলে, ‘ইহদিনাস সিরা-ত্বাল মুস্তাকীম, সিরা-ত্বাল্লাযীনা আনআমতা আলাইহিম, গাইরিল মাগদূবি আলাইহিম অলাদ দ-ল্লীন।’ তখন আল্লাহ বলেন, ‘এসব কিছু আমার বান্দার জন্য। আর আমার বান্দা যা চায়, তাই পাবে।’ (মুসলিম: ৩৯৫, আবু দাউদ, তিরমিজি, মুসনাদ আহমদ, মেশকাত: ৮২৩)
সুরা ফাতেহা যখন শেষ হয় তখন মুসল্লি আমিন বলে। ফেরেশতারাও তখন আমিন বলেন। বান্দার আমিন ও ফেরেশতার আমিন মিলে গেলে আল্লাহ বান্দার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (স.) বলেছেন- যখন ইমাম غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ বলেন তখন তোমরাও আমিন বলো। কেননা তখন ফেরেশতারাও আমিন বলে। ইমামও আমিন বলে। আর যার আমিন বলা ফেরেশতাদের আমিন বলার সাথে মিলবে তার পূর্বের সব পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। (মুসনাদে আহমদ: ৭১৮৭; সহিহ বুখারি: ৭৮০)
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাঁর নাফরমানি থেকে দূরে থাকার তাওফিক দান করুন। নামাজ যথাযথভাবে নিয়মিত পড়ার তাওফিক দান করুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন। আমিন।
