1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
ঝিনাইদহে চলছে জমজমাট প্রাইভেট ও কোচিং বানিজ্য - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রামিসার হত্যাকারিদেরসহ ধর্ষকদের কঠোর বিচার ও সচেতনতায় নবীনগরে মানববন্ধন ঈদ উপলক্ষে পুলিশের নিরাপত্তা পরামর্শ রামিসা হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন এক সপ্তাহের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশ পঞ্চগড় সদর উপজেলায় ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন কে ভোট দিয়েছেন কে দেননি তার উপর নয়, আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ হিসেবে সকলে সমান সুজোগ ভোগ করবেন : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নবীনগরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে জাপানের ওকিনাওয়া কুমড়ো কাশিয়ানীতে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতার নাতির বিরুদ্ধে ইভটিজিংয়ের অভিযোগ কলমায় খোলা আকাশের নিচে মাদ্রাসার পাঠদান নির্মাণকাজে বাধার অভিযোগ, চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা পঞ্চগড় পৌরসভায় ‘ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার’ উদ্বোধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে র‍্যাব ৩ জনকে কান ধরে উঠবস

ঝিনাইদহে চলছে জমজমাট প্রাইভেট ও কোচিং বানিজ্য

Reporter Name
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২০
  • ৫৪৪ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা
করোনা আতঙ্ক সরকার দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার ৩১ মার্চ পযর্ন্ত বন্ধ রাখার কড়া নিষেধাজ্ঞা দিলেও ঝিনাইদহে চলছে জমজমাট কোচিং বানিজ্য। সরকারী আদেশ উপেক্ষা করে ঝিনাইদহের হার্ভার্ড স্কুল এন্ড কলেজ, ওরাকল ও সাইফুর’সসহ বেশকিছু প্রি-ক্যাডেট ও কোচিং সেন্টারে ছাত্রছাত্রীদের জমাবেশ ঘটিয়ে তাদের জীবন বিপদের মুখে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। শনিবার সকাল ৯টায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠিানের সামনে ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা যায়। হার্ভার্ড স্কুল এন্ড কলেজে অভিভাবক ও ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে টাকা নিয়ে প্রশ্ন বিতরণ করার দৃশ্য দেখা গেছে। ছাত্রছাত্রীদের বিকাল ৩টায় এসে উত্তরপত্র জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। বেশ কয়েকজন অভিভাকের সাথে কথা বলে এসবের সত্যতা পাওয়া গেছে। সাংবাদিক আসার খবর পেয়ে প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শিক্ষক ৩০/৪০জন ছাত্র ও অভিভাবকে দ্রুত স্থান ছেড়ে চলে যেতে বলেন। কয়েকজন শিক্ষকের কাছ থেকে প্রশ্ন এবং খাতা বিতরণ করার দৃশ্যও চোখে পড়ে। এছাড়া ওরাকল কোচিং সেন্টারের সজল নামে একজন শিক্ষককে গনিতের ক্লাস নিতে দেখা যায়। তার কাছে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে একটি ক্লাস নিচ্ছি তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রধানের নাম বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। সাইফুর’স কোচিং সেন্টারেও একই অবস্থা। রবিউল নামে একজন শিক্ষককে ছাত্রদের প্রয়োজনীয় ক্লাস এবং পরামর্শ দিচ্ছিলেন। সাংবাদিক আসার সংবাদ পেয়ে দ্রুত কোচিং বন্ধ করে বাইরে চলে যান। এ বিষয়ে হার্ভার্ড স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এমএ রহিম বলেন আমি প্রতিষ্ঠানের ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রেখেছি। কিন্তু পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রদের অভিভাবকদের মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহে একটি বিশেষ ভাবে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। আরেফিন মৌ নামে এক অভিভঅবক জানান, তারা তাদের সন্তানকে বাসাতে রাখতেই বেশি ইচ্ছুক। কিন্তু কোচিং সেন্টার মালিকদের পীড়াপিড়িতে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষা বিভাগের কোন নজরদারী নেই বলেও অভিযোগ উঠেছে।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন