বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন
ঘোষনা :
মাদারীপুরে বিশেষ অভিযানে শিবচর ও রাজৈরে ১৮ জন গ্রেফতার মাদারীপুরে ৫দিনেও নিখোঁজ কিশোর ইয়াসিনের সন্ধ্যান মেলেনি, পরিবারে উদ্বেগ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইরানের ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের কাপড় ও কলমের ব্যবহার যে নবীর হাত ধরে শুরু মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের দারস্থ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র : রয়টার্স নারী সেজে ছাত্রদল নেতার টিকটক, ক্ষমা চাইলেন সেই রেদোয়ান মাদারীপুরে লিফটে আটকা ৭ নারী প্রশিক্ষণার্থী ও এক শিশু উদ্ধার মাদারীপুরে দালাল ও চাদাবাজদের ধরতে গেটে তালা মেরে রেজিস্ট্রার অফিসে সংসদ সদস্য জাহান্দারের অভিযান মাদারীপুরের চাঞ্চল্যকর ঝুনু আক্তারী হত্যা মামলার প্রধান আসামী কুষ্টিয়া থেকে গ্রেফতার
শিরোনাম :
সালথায় নানা আয়োজনে বর্ষবরণ টঙ্গীবাড়িতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন মাদারীপুরে বিশেষ অভিযানে শিবচর ও রাজৈরে ১৮ জন গ্রেফতার টঙ্গীবাড়ীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত টঙ্গীবাড়ীতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন তেরখাদায় বাংলা নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত পলাশবাড়ী‌তে বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপল‌ক্ষে প্রস্তু‌তিমূলক সভা পেট্রোল নেয়াকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ীতে ছুড়িকাঘাতে ৩জন আহত,১জন রমেকে জামালপুরে এক গৃহবধূকে অপহরণ থানায় অভিযোগ দায়ের নওগাঁ বদলগাছী মাদক বাল্যবিবাহ সহ সাইবার ক্রাইম সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় করেন পুলিশ সুপার। অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে বাজার হতে ভোজ্যতেল উধাও হওয়ার প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন পঞ্চগড়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ টঙ্গীবাড়ীতে নবযোগদানকারী ইউএনও’র সাথে বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা নবীনগরে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কালকিনিতে ২৭ মণ জাটকা জব্দ; এতিমখানায় বিতরণ

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের নেপথ্যে

Reporter Name
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ২৩৩ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

মিয়ানমারে এক সামরিক অভ্যুত্থানে দেশটির ক্ষমতা গ্রহণ করেছে সেনাবাহিনী। দেশটির গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ও আরও কয়েকজন মন্ত্রীকে আটক করা হয়েছে।

জরুরি অবস্থা জারি করে রাজধানী নেইপিদো এবং প্রধান শহর ইয়াঙ্গুনের রাস্তায় টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী। প্রধান প্রধান শহরগুলোতে মোবাইল ইন্টারনেট এবং কিছু টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এই ঘটনা এমন সময় ঘটছে, যখন মিয়ানমারে একটি সামরিক অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

নির্বাচনে সামরিক বাহিনী সমর্থিত দলের ভরাডুবি, সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের মেয়াদ ফুরিয়ে আসা, রোহিঙ্গাদের ওপর মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে নানা দর-কষাকষি ও দ্বন্দ্ব চলছিল সেনাবাহিনীর।

গত বছর নভেম্বরের নির্বাচনে অং সান সু চির এনএলডি সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। কিন্তু সেনাবাহিনী নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ তোলে।

সোমবার নবনির্বাচিত সংসদের প্রথম বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেনাবাহিনী অধিবেশন স্থগিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়। এই অধিবেশনে পরবর্তী সরকারকে ক্ষমতা দিয়ে মূলত নির্বাচনের ফলকেই অনুমোদন দিত। তবে অভ্যুত্থানের কারণে সেটিও আর হচ্ছে না।

এর মধ্যে সাবেক এক জেনারেলকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি দেশটিতে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। সাবেক জেনারেল উ মিন্ট শোয়ে সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করার জন্য ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি-এনএলডি নেতৃত্বাধীন সরকারে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।

গতবারও এনএলডি ভূমিধস জয় পেলেও মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি সু চি। সেনাবাহিনীর করা এক আইনে, স্বামী ও সন্তানেরা বিদেশি নাগরিক হওয়ায় দেশটির শীর্ষ পদে বসতে পারেননি তিনি। ফলে তার জন্য আলাদা করে স্টেট কাউন্সিলর নামে একটি পদ সৃষ্টি করা হয়েছিল।

এটা অজানা নয় যে, সু চির দল ক্ষমতায় থাকলেও সমান্তরাল একটা সরকার চালান মিন অং। প্রায় ১০ বছর ধরে দেশটির সেনাপ্রধান তিনি। মিয়ানমারের অতীত ইতিহাস বলে, সেনাপ্রধান চাইলে যে কোনো সময় অভ্যুত্থান ঘটিয়ে সরকারের পুরো ক্ষমতাই নিয়ে ফেলতে পারেন।

কিন্তু সেনাবাহিনীরই করা নতুন আইন অনুযায়ী, বয়স ৬৫ বছর হলে সেনাপ্রধানের পদ ছাড়তে হবে মিন অংকে। আর কয়েক মাস পর সেই বয়স তিনি ছুঁতে চলেছেন। নির্বাচনে সেনাসমর্থিত দল জিতলে দেশটির প্রেসিডেন্ট হওয়ার সুযোগ ছিল তার। নির্বাচনে মানুষ সাই দিয়েছে সু চিকেই। এর মধ্য দিয়ে বোঝা গেল, নিরাপত্তাসহ রোহিঙ্গা ও অন্যান্য গোষ্ঠীর ওপর নিপীড়নমূলক অভিযানের জন্য সেনাবাহিনীর জনপ্রিয়তা থাকলেও গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে তাদের অংশগ্রহণ চায় না মানুষ।

বর্তমান পদে থাকতে আগ্রহী হলেও এর জন্য প্রয়োজন ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি কাউন্সিলের সম্মতি। সেখানে সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধিত্ব সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকলেও শেষ অনুমোদন আসে প্রেসিডেন্ট থেকে। এখন নতুন সরকারের প্রেসিডেন্ট হবেন ক্ষমতাসীন এনএলডি থেকে, যার পেছনে থাকবেন সু চি। ফলে সেখানেও বাধার মুখে পড়ে গেলেন মিন অং।

দর-কষাকষিতেও কোনো সমাধান আসছিল না। ফলে যে কোনোভাবে ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য এই অভ্যুত্থান ছাড়া পথ খোলা ছিল না মিন অংয়ের। কারণ ক্ষমতা হারালে সেনা জেনারেলদের বিপদে পড়ার আশঙ্কা আছেই। সমান্তরাল সরকার চালিয়ে গণতান্ত্রিক সরকারের ওপর প্রভাব বিস্তারের দায়ে ফেঁসে যেতে পারেন সেনাপ্রধান।

আরও বড় বিষয় হচ্ছে, সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমসহ আরও অন্যান্য গোষ্ঠীর ওপর গণহত্যা ও নিপীড়নের জন্য আন্তর্জাতিক চাপে আছে মিয়ানমার। মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের মুখে পড়তে পারেন মিন অং। এ ছাড়া মেয়াদ ফুরালে একই কারণে নিজের দেশেও এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হারানোভাবমূর্তি ফেরাতে সু চিও সে সুযোগ নিতে পারতেন অবসরপ্রাপ্ত জেনারেলের বিচার করে। কিন্তু সু চিকে সে সুযোগ দিলেন না সিনিয়র জেনারেল মিন অং।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন

Advertise

Ads

Address

Office : Room#1002, Kanaipur, Faridpur, Dhaka. Mobile : 01719-609027, Email : info@newsstreet24.com
Author: RTD IT ZONE © All rights reserved © 2021

Design & Developed By: RTD IT ZONE