1. sarifhafiz48@gmail.com : livenewsdesk desk : livenewsdesk desk
  2. mehedihasan.mhs078@gmail.com : Arif Molla : Arif Molla
  3. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
  4. livenewsbd24@gmail.com : Mehedi Hasan : Mehedi Hasan
হারিয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী ‘পালকি’ - Livenews24
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১১:২৪ অপরাহ্ন
ঘোষনা :
যত ভ্যাকসিন দরকার হয় কিনবো: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আরও ৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা বরাদ্দ মাদারীপুরে মাস্ক না পড়া ও অযথা ঘুরাঘুরি করায় জরিমানা এই লড়াইয়ে আমাদের জিততেই হবে এবং ইনশাল্লাহ আমরা জিতবই প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা একদিন আগে মাদারীপুরের ৪০ গ্রামের ঈদুল আযহা ঈদ উদযাপন ভাষা সংগ্রামী গোলাম মোস্তফা রতনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী লিটনের অনবদ্য সেঞ্চুরি আর সাকিবের দুর্দান্ত ঘূর্ণিতে বাংলাদেশের জয় শিথিল বিধিনিষেধে পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে, মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি এবার মসজিদের পাশাপাশি খোলা জায়গাতেও ঈদের জামাত হবে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ৩২০০ কোটি টাকার প্রণোদনা ও প্যাকেজ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম :
সামোয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মাতাফা কেন্দ্রে এনআইডি দেখিয়ে মিলবে টিকা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন : সজীব ওয়াজেদ জয় যত ভ্যাকসিন দরকার হয় কিনবো: প্রধানমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় করোনায় আরও ২২ জনের মৃত্যু সাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনায় আরও ২১ জনের মৃত্যু সীমানা নিয়ে সংঘাত, ৬ পুলিশ নিহত ৮ হাজার চিকিৎসক-নার্স নিয়োগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশে করোনায় আরও ২৪৭ জনের মৃত্যু কারখানা খুললে ব্যবস্থা: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জামালপুরে করোনার টিকাদান কেন্দ্রে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আরও ৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা বরাদ্দ টিকাদান শুরুর নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর সাংবাদিক সংগঠন মৈত্রী মিডিয়া সেন্টারের ৫শতাধিক মাস্ক বিতরণ

হারিয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী ‘পালকি’

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
  • ৪৯ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

মোঃ নূর ইসলাম নয়ন |

দিনাজপুরে হারিয়ে গেছে ঐহিত্যবাহী পালকি। আধুনিকতার ছেঁায়ায় এখন বিয়ে করে বৌ রা মাইক্রো-কার এ শ্বশুর বাড়ি যায়। আর পালকিতে তারা যায় না। চোখে দেখা যায় না সেই ঐহিত্যবাহী পালকি। এই পালকি যেন রূপকথার কল্প কাহিনী হয়ে গেছে। আধুনিক প্রযুক্তির যানবাহনের যুগে হারিয়ে গেছে হাজার বছরের গ্রামবাংলার প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক ‘পালকি’।

গ্রামবাংলার ঐতিহ্য পালকি এখন আর দেখা যায় না। এক সময় গ্রামের বিয়ের বর-বধুকে বাহনের অন্যতম বাহন ছিল পালকি। বাংলার সবুজ শ্যামল মেঠো পথের এক সময়ের নিত্য দিনের বাহন ছিল পালকি। পালকির সঙ্গে মিশে ছিল মধুময় এক স্বপ্ন। গায়ের পথে পালকি করে নববধুকে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখতে গ্রামের ছেলে-মেয়েরা রাস্তায় আর বৌ-ঝিয়েরা বাড়ির ভিতর থেকে উঁকি-ঝুকি মারত।

পালকির মধ্যে বসা বৌকে দেখে তারাও হারিয়ে যেত কল্পনার রাজ্যে। ছয় বেয়ারা পালকি কঁাদে নিয়ে ছন্দ তুলে বৌকে নিয়ে বাংলার শ্যামল মেঠো পথে চলত। তখন গ্রাম বাংলার সৌন্দর্য্য অনেক বেড়ে যেত। সাজানো-গোছানো পালকি করে আগেরকার দিনে নববধু বাপের বাড়ি যেত। এ যুগের বধুরা আর পালকিতে লজ্জা রাঙা মুখে শ্বশুর বাড়ি যায় না। আমাদের সেই শ্যামল বাংলা, সেই মেঠো পথ, নতুন বধু সবই আছে কিন্তু যান্ত্রিক যুগে শুধু নেই কেবল পালকি। পালকির ব্যবহার কিভাবে কখন এদেশে শুরু হয়েছিল তা সঠিকভাবে জানা যায় নি।

তবে মোঘল ও পাঠান আমলে বাদশাহ, সুলতান, বেগম ও শাহাজাদীরা পালকিতে যাতায়াত করত বলে জানা যায়। ইংরেজ আমলের নীলকররা পালকিতে করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করত বলে জানা যায়। আর সেজন্যই পালকি অভিজাত শ্রেণীর বাহন হিসেবে গন্য করা হত। পালকি দেখতে অনেকটা কাঠের বােেরে কাঠামো। দৈর্ঘ্য ৬ ফুট প্রস্থে তার অর্ধেক কাঠামোটি লম্বা দুপাশে বঁাশের সাহায্যে গঁাথা। পালকির উপরে দামী কাপড় দ্বারা মোড়ানো থাকত।

তৎকালীন বাঙ্গালির সংস্কৃতিতে পালকির অবস্থান ছিল সুদৃঢ়। আগের দিনে বিত্তশালী পরিবারগুলোতে নিজস্ব পালকি ও বেয়ারা থাকত। আর নিম্নবিত্তরা তাদের বৌ-ঝিদের আনা নেয়ার জন্য ভাড়া করত পালকি। অন্যসব কাজে পালকি ব্যবহার হলেও বিয়ে-সাদিতে পালকির ব্যবহার ছিল অপরিহার্য্য। নববধুকে নিয়ে বেয়ারারা নানা সুখ-দুুঃখের গান গেয়ে দুলকি তালে চলত পালকি

বিবর্তনের ধারায় সব কিছুর পরিবর্তন ঘটেছে। ফলে বর্তমানে রাজা, বাদশা নেই, তাই পালকি ও বেয়ারাও নেই। বর্তমান যুগের নববধুরা পালকিতে চড়ে শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার স্বপ্ন দেখে না। তারা জাকজমক ভাবে সাজানো প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাসে চড়ে শ্বশুর বাড়ি যায়। তবে সেদিন আর বেশি দূরে নয়, যেদিন আমাদের নতুন প্রজন্মরা পালকি নামক মানুষের ঘাড়ে চড়ে বসা কোন বাহনের কথা বই প্রস্তকে পড়বে এবং লোক শিল্প যাদুঘরে গিয়ে সাজানো গোছানো কৃত্রিম পালকি দেখবে। দিনাজপুরের বিভিন্ন উপজেলায় বিভিন্ন গ্রামে আগের দিনে পালকির প্রচলন ছিল। গ্রামের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ছাড়াও বিয়েতে অন্যতম বাহন ছিল পালকি। পালকি বড়লেখা উপজেলার কোথাও এখন আর দেখা যায় না। বর্তমানে পালকির প্রচলন না থাকায় এ পেশার সাথে জড়িতরা জীবন-জীবিকার তাগিদে অন্যান্য পেশা বেছে নিয়েছে।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021
Design & Development By : JM IT SOLUTION