1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
৬০ হাজার বছর আগেই মানবদেহে ঢোকে করোনার জিন: গবেষণা - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধ এলাকাবাসী:মতবিনিময় সভায় কঠোর হুশিয়ারী বোয়ালমারীতে আধিপত্যের বিরোধে হাটে হামলা, আহত ২ বর্তমান সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে- পরওয়ার সফল হওয়ার আগে ভালো মানুষ হতে হবে: শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী আজাদ পর্যাপ্ত সার মজুদ রয়েছে, কৃত্তিম সংকট তৈরী করে গুজব ছড়ানোর কোন রকম সুযোগ নেই-পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ঔষুধ কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে থানা-হাসপাতাল ঘেরাও সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভে উত্তাল ঘাটাইল জাহান্দার আলী মিয়া এমপি কে ইতালির মিলানে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত মাদারীপুরে বেকারিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা দোয়ারাবাজারে দুই ইয়াবা সেবনকারীকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড, কারাগারে প্রেরণ ভাইদের প্রতারনার প্রতিবাদে বোনের সংবাদ সম্মেলন

৬০ হাজার বছর আগেই মানবদেহে ঢোকে করোনার জিন: গবেষণা

Reporter Name
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২০
  • ১০৩০ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।
প্রকিকী ছবি

মানুষের আদিপুরুষ নিয়ানডারথালদের মানুষের দেহে এসেছে করোনাভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্কিত জিন। ‘হোমিনিন’ (মনুষ্যগোত্রীয়) গোষ্ঠীর এই প্রজাতির অস্তিত্ব ছিল পৃথিবীতে ৬০ হাজার বছর আগে। এমনটাই দাবি করা হয়েছে সাম্প্রতিক একটি গবেষণায়। শুধু তাই নয়, গবেষণায় বলা হয়েছে, জিনের যে অংশটি সংক্রমণের জন্য দায়ী তা দক্ষিণ এশিয়ায় বিশেষ করে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

সেই গবেষণা করেছেন সুইডেনের দুই জিন বিশেষজ্ঞ ভ্য়ান্তে পাবো এবং হুগো জেবার্গ। তাতে যুক্ত ছিল জার্মানির ম্যাক্স প্লাঙ্ক ইনস্টিটিউট, জাপানের ওকিনাওয়া ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্য়ান্ড টেকনোলজি এবং সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটও। গবেষণায় বলা হয়, ইউরোপের (প্রায় আট শতাংশ) তুলনায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের (প্রায় ৩০ শতাংশ) মানুষের সংক্রমিত হওয়ার হার বেশি। কারণ ওই জিনের অংশ দক্ষিণ এশিয়ার মানুষদের ক্ষেত্রে বেশি প্রভাবশালী বলে গবেষণায় দাবি করা হয়েছে।

গবেষণায় সুনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের কথা উঠে এসেছে। বলা হয়েছে, জিনের যে অংশটি সংক্রমণের জন্য দায়ী তা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বেশি দেখা যায়। বাংলাদেশের কমপক্ষে ৬৩ শতাংশ মানুষের শরীরে ক্রোমোজোম ৩-এর অংশ রয়েছে। ব্রিটেনে করোনা মহামারিতে প্রচুর বাংলাদেশি মারা গেছেন। বিজ্ঞানী পাবো মনে করেন, এত বাংলাদেশির মৃত্যুর পেছনের কারণ হয়তো এটাই। গবেষণা অনুযায়ী, ওই নির্দিষ্ট জিনটি পূর্ব এশিয়ার মাত্র চার শতাংশ বাসিন্দার বহন করেন। আফ্রিকায় সেই জিনের একেবারেই উপস্থিতি মেলেনি।

‘নেচার’ পত্রিকায় প্রকাশিত অপর একটি গবেষণাপত্র অনুযায়ী, নিয়ানডারথালের ডিএনএর দু-তিন শতাংশ নিয়ে আধুনিক এশিয়া এবং ইউরোপের মানুষের জিন গঠিত। হাজার হাজার বছর আগে আন্তঃপ্রজননের কারণে তা হয়েছে বলে গবেষণায় দাবি করা হয়েছে। আপাতত কোনো বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত না হলেও গবেষণার যে সংক্ষিপ্তসার প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দাবি করা হয়েছে, বর্তমান মহামারির ক্ষেত্রে নিয়ানডারথালের জিনের খারাপ প্রভাব পড়েছে।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন