1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে পারেনি মাদারীপুরে করোনা উপসর্গ নিয়ে বৃদ্ধার মৃত্যু - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন

করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে পারেনি মাদারীপুরে করোনা উপসর্গ নিয়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

Reporter Name
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২০
  • ৩৯৭ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

মনজুর হোসেন, মাদারীপুর।।
মাদারীপুর শহরের পানিছত্র আলজাবির উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় আব্দুল লতিফ হাওলাদার (৬৫) বছরের এক বৃদ্ধ শনিবার রাত ৮টার দিকে করোনা উপসর্গ নিয়ে নিজ বাড়িতে মারা গেছেন। শনিবার সদর হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হতে পারেননি এবং করোনার জন্য নমুনাও দিতে পারেননি। বাড়ি চলে এসে রাতে মারা গেলেন। এ পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬ জন এবং করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৮ জন। শনিবার পর্যন্ত জেলায় মোট আক্রান্ত ৩৫০ জন।
স্থানীয় ও জেলা স্বাস্থ্য সূত্রে জানা গেছে, শহরের পানিছত্র এলাকায় রিক্সার গ্যারেজ ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফ হাওলাদার শ্বাস কষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে ভুগছিলেন। শনিবার সকালে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে যান ভর্তি হতে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি করেননি। করোনার জন্য নমুনাও নেয়নি কেউ। বাধ্য হয়ে তার স্বজনরা তাকে বাড়িতে নিয়ে আসে এবং রাত ৮টার দিকে তিনি বাড়িতে মারা যান। মারা যাওয়ার পর সিভিল সার্জন অফিস থেকে লোক এসে তার নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যান। রোববার সকালে তাকে দাফন করা হবে।
মৃত আব্দুল লতিফ হাওলাদারের ভাগ্নিনা মিলটন জানান, মামার এক বছরের বেশি সময় ধরে শ্বাস কষ্ট ছিল। শনিবার সকালে মামাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় করোনা টেস্ট করার জন্য। কিন্তু হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার বা অন্যরা কেউ তার করোনার নমুনা সংগ্রহ করে নাই। তাকে ভর্তিও করে নাই। হাসপাতাল থেকে ফেরত দিয়েছে। রাতে মারা যাওয়ার পর সিভিল সার্জন অফিস থেকে লোক এসে তার নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে গেছে।
মাদারীপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ইকরাম হোসেন বলেন, করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ওই ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন থেকে তার এ্যাজমা ও ডায়বেটিসের সমস্যা ছিল। স্বাস্থ্য বিধি মেনে দাফন কাজ সম্পন্ন করার জন্য বলা হয়েছে। মারা যাওয়া ওই ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে।
সিভিল সার্জন ডা. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, মারা যাওয়া ওই ব্যক্তিকে তার স্বাজনরা হাসপাতালে করোনা টেস্ট করানোর জন্য নিয়ে আসছিল। করোনা টেস্ট করানো মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখে তারা নিজেরা বাড়ি চলে যায়।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন