Free Porn





manotobet

takbet
betcart




betboro

megapari
mahbet
betforward


1xbet
teen sex
porn
djav
best porn 2025
porn 2026
brunette banged
Tuesday, June 25, 2024
HomeScrollingবৃষ্টি নামবে কবে, আরও কি আসছে তাপপ্রবাহ?

বৃষ্টি নামবে কবে, আরও কি আসছে তাপপ্রবাহ?

দেশের ৪৫টির বেশি জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। দিনের গড় তাপমাত্রা বেড়েছে কয়েক ডিগ্রি। জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গরমে হিট স্ট্রোকসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা বেড়ে যাওয়ায় মৃত্যু হয়েছে বেশ কয়েকজনের। এমন অবস্থায় স্কুল-কলেজে সাতদিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। পরিস্থিতি বিবেচনায় আরও ৭২ ঘণ্টার হিট অ্যালার্ট জারি করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। প্রশ্ন উঠছে— এত গরম পড়ছে কেন, তাপপ্রবাহের এমন পরিস্থিতি চলবে কতদিন, বৃষ্টি নামবে কবে?

নতুন ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে— তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা নেই। বরং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে সারাদেশে আরও তিনদিনের ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ জানিয়েছেন, এই সময় বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্য থাকবে। ফলে গরমের অস্বস্তি কিছুটা বাড়তে পারে।

মূলত চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই তাপপ্রবাহ বইতে শুরু করে বেশকিছু জেলায়। গত দুই সপ্তাহে যা প্রায় সারাদেশে ছড়ি পড়েছে। এর মধ্যে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই যশোরে চলতি বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

এছাড়া রোববার চুয়াডাঙ্গায় ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আর ঢাকায় এ বছর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, কোনো বিশাল এলাকাজুড়ে যখন তাপপ্রবাহ হয়, তখন এরকম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে বাতাসে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম হলে, সেটিকে মৃদু তাপপ্রবাহ ধরে থাকেন আবহাওয়াবিদরা।

এছাড়া তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে হলে মাঝারি এবং ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে হলে, সেটিকে ‘তীব্র তাপপ্রবাহ’ বলা হয়ে থাকে। আর তাপমাত্রা যদি ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠে যায়, তখন তাকে বলা হয় ‘অতি তীব্র’ তাপপ্রবাহ।

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য বলছে—গত দুই সপ্তাহে যশোর এবং চুয়াডাঙ্গা জেলায় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ দেখা গেছে। পাবনা ও চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রাজশাহী, টাঙ্গাইল, যশোর এবং কুষ্টিয়ায় তীব্র তাপপ্রবাহ বইছে। ঢাকা, রাজশাহী, মৌলভীবাজার, চাঁদপুর, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা এবং বরিশালসহ আরও কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

‘উষ্ণতম বছর’
তবে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ, তীব্র থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহকে সাধারণ ঘটনা হিসেবে দেখছেন আবহাওয়াবিদরা। তারা বলছেন— প্রায় প্রতিবছর এপ্রিল মাসে গড়ে দুই-তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ হয় আমাদের দেশে। এক থেকে দুটি তীব্র থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহও বয়ে যায়।

আবহাওয়াবিদরা ধারণা করছেন, তবে এবছর তীব্র তাপপ্রবাহ অনুভূত হওয়ায় ইতিমধ্যেই তিনটি হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহেও নতুন হিট এলার্ট জারি করতে হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ শাহ আলম বলেন, মূলত সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে গেছে। যেখানে এপ্রিল মাসে দেশের গড় তাপমাত্রা থাকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেখানে এ বছর সেটি বৃদ্ধি পেয়ে গড় তাপমাত্রা প্রায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়িয়েছে। এজন্যই সারাদেশে তীব্র গরম অনুভূত হচ্ছে।

তবে এ বছরের তাপপ্রবাহের ব্যাপ্তিকাল বিগত বছরগুলোকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আবহাওয়াবিদ শাহ আলম তাদেরই একজন। তিনি বলেন, সামনে গড় তাপমাত্রা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকলে এটি দেশের উষ্ণতম বছরও হতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে ২০২৩ সালকে দেশের উষ্ণতম বছর হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন আবহাওয়াবিদরা। সে বছর একটানা তিন সপ্তাহ পর্যন্ত তাপপ্রবাহ চলার রেকর্ড হয়েছিল।

বৃষ্টি হবে কবে?
পর্যাপ্ত পরিমাণে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এ বছর এপ্রিলে গড় তাপমাত্রা বেড়ে গেছে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের একজন আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, বৃষ্টিপাত না হওয়ার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কম হচ্ছে। ফলে গরম থেকেই যাচ্ছে। ভারী বৃষ্টিপাত হলেই গরম কেটে যাবে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে কবে নাগাদ?

আবহাওয়াবিদ শাহ আলম বলেন, কাছাকাছি সময়ের মধ্যে বড় ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। বঙ্গোপসাগর থেকে মৌসুমী বায়ু আসছে না। ফলে বৃষ্টিপাতও হচ্ছে না। এ বছর মৌসুমী বায়ু আসতে দেরি হচ্ছে। কাজেই ভারী বৃষ্টিপাতের জন্য জুন পর্যন্তও অপেক্ষা করা লাগতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতর বলছে— আগামী শুক্রবার নাগাদ দেশের কোথাও কোথাও হালকা দমকা হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হতে পারে।

তবে পরিমাণ কম হওয়ায় সেই বৃষ্টিপাত গরম কমানোর ক্ষেত্রে খুব একটা কাজে আসবে না বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

আরও তাপপ্রবাহ আসছে
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাত শুরু হতে দেরি হওয়ায় এবছর তাপপ্রবাহ সহসাই থামবে না। বরং মৌসুমী বায়ু আসতে দেরি হওয়ায় তাপপ্রবাহের স্থায়িত্ব বাড়তে পারে। এমনকি তাপপ্রবাহের ব্যাপ্তিকাল আগের বছরগুলোকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়াবিদ শাহ আলম বলেন, সামনে আরও তাপপ্রবাহ আসছে এবং পুরো মে মাসজুড়ে সেটি চলতেই থাকবে।

এর আগে তাপপ্রবাহ একটানা সর্বোচ্চ ২৩ দিন পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হওয়ার রেকর্ড রয়েছে। তবে তাপপ্রবাহ দীর্ঘায়িত হলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।

আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, অনেকদিন ধরে তাপপ্রবাহ চলতে থাকলে কোনো কোনো এলাকার বায়ুরচাপ কমে যায়। এতে সাগর থেকে আসা জলীয় বাষ্প বাতাসের কোথাও জড়ো হতে শুরু করে এবং তখন সেখানে বজ্রমেঘ তৈরি হয়। পরবর্তীতে সেই মেঘ বৃষ্টিপাত ঘটায়।

এত তাপপ্রবাহের কারণ কী?
আবহাওয়া অফিসের কয়েকদিনের পূর্বাভাসের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, এখন বেশি তাপমাত্রা বিরাজ করছে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে। এর কারণ হিসেবে আবহাওয়াবিদরা জানান, ওই অঞ্চলের দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উত্তরপ্রদেশ ইত্যাদি রাজ্যের অবস্থান। এসব প্রদেশের তাপমাত্রা অনেক বেশি। সাধারণত এসব জায়গায় বছরের এই সময়ে তাপমাত্রা ৪২ থেকে ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করে।

ড. মল্লিক বলেন, গত বছর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উত্তরপ্রদেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যেহেতু ওগুলো উত্তপ্ত অঞ্চল, তাই ওখানকার গরম বাতাস চুয়াডাঙ্গা, যশোর, কুষ্টিয়া ও রাজশাহী হয়ে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এবং তা আমাদের তাপমাত্রাকে গরম করে দেয়।

এই আবহাওয়াবিদ মনে করেন— আন্তঃমহাদেশীয় বাতাসের চলাচল ও স্থানীয় পর্যায়েও তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে দেশব্যাপী এবছর তাপপ্রবাহ তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে।

তিনি বলেন, বিগত বছরের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে এটা প্রতীয়মান হচ্ছে- ২০২৪ সাল উত্তপ্ত বছর হিসেবে যাবে। আমরা এ বছর তাপপ্রবাহের দিন এবং হার বেশি পেতে যাচ্ছি। এর কারণ জলবায়ু পরিবর্তন। দেশের তাপমাত্রার ঊর্ধ্বগতিতে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ছোঁয়া লেগেছে।

এছাড়া বনভূমির পরিমাণ কমে যাওয়া, ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া এবং শিল্পায়ন ও নগরায়ন বেড়ে যাওয়ার কারণেও সার্বিকভাবে তাপমাত্রা বাড়ছে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। সূত্র: বিবিসি

RELATED ARTICLES
Continue to the category

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments