এই শিল্পী বলেন, ‘সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা আমাদের বাচ্চাদের চেয়েও স্বাধীন কিন্তু তাদের জীবন অনিশ্চয়তায় ভরা। এদের প্রতিভা আরও বিকশিত করতে তাদের আমি আমার পাপেট টিমে যুক্ত করব। আর এরা এমনিতেই অনেক প্রতিভাবান। তাদের ছবি নিয়ে নিয়মিতই দৃক গ্যালারিতে প্রদর্শনী হয়। বস্তির হলেও অনেকে দেখলাম আবাহনী মাঠে ক্রিকেট প্র্যাকটিস করে। তারা যদি সবার সহযোগিতা পায় তাহলে ভবিষ্যতে আরও ভালো করবে।’
এদিকে সুইচ-বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের প্রধান সমন্বয়ক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গরিব এ শিশুরা যেন মৌসুমি খাবার পায় এ জন্যই ফল উৎসবের আয়োজন। তাদের নিয়ে নিয়মিতই ইস্যুভিত্তিক এমন মজার সব উৎসব করে আসছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের নিয়ে গড়া স্বেচ্ছাসেবী এ প্রতিষ্ঠানটি।



















