1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
অজ্ঞান করে অপহরণ, এরপর সাদা কাগজে সই নেয়া হয়: মরিয়মের মা - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফুটবল খেলার জেরে বাড়িতে হামলা-লুটপাটের অভিযোগ মুফতি শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দোয়ারাবাজারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন মিথ্যা’ মামলায় বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মিন্টুসহ ৬ জনের জামিন পূর্ব শত্রুতার জেরে কিশোরকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ, মাদারীপুর হাসপাতালে ভর্তি নবীনগরে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার মহিপুর বাজার ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ: তদন্ত কমিটি মাদারীপুরে ৮ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী গ্রেপ্তার মার্কিন বি-৫২’র পর এবার রুশ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে ‘নতুন কাঁটা’ ডা. জাহেদ ইস্যু ইন্দোনেশিয়ায় ৬.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

অজ্ঞান করে অপহরণ, এরপর সাদা কাগজে সই নেয়া হয়: মরিয়মের মা

Reporter Name
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩১৮ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

অনলাইন ডেস্ক।।

ফরিদপুর থেকে উদ্ধার হওয়া রহিমা বেগম পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) বলেছেন, গত ২৭ আগস্ট রাতে পানি আনতে গিয়ে তিনি অপহৃত হন। চার ব্যক্তি তাকে জাপটে ধরে নাকে রুমাল চেপে ধরেন। এতে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। এরপর তার কিছু মনে নেই।

রোববার বিকেলে পিবিআই খুলনার পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান প্রথম আলোকে এ তথ্য জানান। শনিবার রাতে ফরিদপুর থেকে উদ্ধারের পর রহিমা বেগমকে খুলনা নগরের দৌলতপুর থানায় আনা হয়।

পুলিশ সুপার বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে রহিমা বেগম অপহৃত হয়েছেন বলেই দাবি করেছেন।

তিনি বলেছেন, তাকে চারজন মিলে অপহরণ করে নিয়ে যান। কিন্তু তারা কারা বা কোথায় নিয়ে যান, সে ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারেননি। একপর্যায়ে তারা সাদা (খালি) স্ট্যাম্পে কিছু স্বাক্ষর নেন। স্বাক্ষর নেয়ার পর তাকে একটা নির্জন জায়গায় ছেড়ে দেন। কিন্তু জায়গাটা কোথায় সেটা তিনি বুঝতে পারেননি। এরপর তিনি মনি নামের একটি মেয়ের বাড়িতে ছিলেন। তবে সেই মেয়ের বাড়ি কোথায় তিনি বলতে পারছেন না। এরপর ওই মেয়ে তাকে এক হাজার টাকা সংগ্রহ করে দেন। পরে তিনি মকসুদপুরে চলে আসেন।

সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, যখন যেখানে ছিলেন, তারা তাকে কাপড়চোপড় দিয়েছেন বলে জানান রহিমা। সেগুলো তিনি সংগ্রহে রেখেছিলেন। মুকসুদপুর থেকে তিনি বোয়ালমারীতে আসেন। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর তার বাড়ির ২৮ বছর আগের ভাড়াটিয়া আবদুস কুদ্দুস মোল্লার বাড়ি যান। কুদ্দুস একসময় খুলনার দৌলতপুরের সোনালী জুট মিলে চাকরি করতেন। তিনি ভেবেছিলেন, সেখানে গেলে আশ্রয় পাওয়া যেতে পারে।

খুলনায় না গিয়ে ফরিদপুরে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে রহিমা বেগম পুলিশকে জানান, খুলনায় আসতে ভয় পেয়েছিলেন। ভেবেছিলেন, কুদ্দুসের বাড়ি যাওয়ার পর মেয়েদের খবর দেবেন। এরপর মেয়েদের সঙ্গে চলে যাবেন।

সৈয়দ মুশফিকুর রহমান জানান, সৈয়দপুরে অবস্থানকালে ঘটনাটি আলোচিত হলে ওই এলাকার একটি ছেলে বিষয়টি স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির নজরে আনেন। ওই জনপ্রতিনিধি বিষয়টি খুলনার দৌলতপুরের এক কাউন্সিলরকে জানান। তিনি ঘটনাটি দৌলতপুর থানা-পুলিশকে জানান। এরপর দৌলতপুর থানার পুলিশ শনিবার ওই এলাকায় গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

পুলিশ সুপার জানান, রহিমা বেগমকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে তিনি জবানবন্দি দেবেন। এরপর আদালতের সিদ্ধান্ত মতো কার্যক্রম চলবে।

২৭ আগস্ট রাত ১০টার দিকে খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা উত্তর বণিকপাড়া এলাকার বাসার উঠানের নলকূপে পানি আনতে যান রহিমা বেগম। এর পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি। পরদিন তার মেয়ে আদুরী আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় অপহরণ মামলা করেন। এ মামলায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মায়ের সন্ধান চেয়ে ঢাকায় মানববন্ধনের পাশাপাশি বিভিন্ন চেষ্টা করেনন তার সন্তানেরা।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন