1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
দেশে সিনোভ্যাকের টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমতি - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জামালপুরে গৃহবধূ হত্যা মামলার প্রধান আসামী কাউসার আহমেদ গ্রেফতার জামালপুরে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মাদারীপুরে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার নজরুল বর্ষে মাদারীপুরে ১ হাজার ৫০০ গাছ বিতরণ কার্যক্রম শুরু রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪-এ শিশু স্পনসরশিপ কর্মসূচির সহায়তা সামগ্রী বিতরণ দোয়ারাবাজারে গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১: মোবাইল কোর্টে ৬ মাসের কারাদণ্ড পঞ্চগড়ে হানিট্রাপ চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার কলেজ শিক্ষক হলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম সুসুয়া চরে এইচসিআই -এর অর্থায়নে চাইল্ড স্পনসরশিপ প্রোগ্রামের সহায়তা সামগ্রী বিতরণ

দেশে সিনোভ্যাকের টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমতি

Reporter Name
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৬ জুন, ২০২১
  • ১৯৭ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

অনলাইন ডেস্ক |

চীনা কোম্পানি সিনোভ্যাকের তৈরি করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

রবিবার ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান অনুমোদনে স্বাক্ষর করেছেন।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার সরবরাহ সংকটে টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে জটিলতার মধ্যে আরেকটি টিকার অনুমোদন দেওয়া হলো।

এ নিয়ে দেশে মোট পাঁচটি টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেল। এর আগে অ্যাস্ট্রাজেনেকা, স্পুৎনিক-৫, সিনোফার্ম ও ফাইজারের টিকা অনুমোদন পেয়েছে।

কেবল আমদানি নয়, স্পুৎনিক-ভি ও সিনোফার্মের টিকা দেশেই উৎপাদনের জন্য ইতিমধ্যে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে অথবা কাঁচামাল নিয়ে এসে বাংলাদেশের ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানিতে টিকা উৎপাদন করা যাবে।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার অনুমোদন দিয়েছিল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। অক্সফোর্ড- অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত এ টিকা দেশে আনার বিষয়ে গত নভেম্বর বাংলাদেশ সরকার, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মার সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়। অগ্রিম টাকাও পরিশোধ করে বাংলাদেশ।

চুক্তি অনুসারে ৩ কোটি ডোজের প্রতিমাসে ৫০ লাখ ডোজ করে বাংলাদেশের পাওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত ৭০ লাখ টিকা এসেছে। নরেন্দ্র মোদি সরকার টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিলে সরবরাহ বন্ধ করে দেয় সেরাম।

অগ্রিম টাকা নিয়েও সেরাম চুক্তি অনুযায়ী প্রতিশ্রুত টিকা সরবরাহ না করায় শেষ পর্যন্ত টিকা সংকটে বন্ধ হয়ে যায় বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচি।

কেনা টিকার জন্য ভারতের সর্বোচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করেও ব্যর্থ বাংলাদেশ। চুক্তিতে দায়মুক্তি দিয়ে রাখায় সেরাম ইনস্টিটিউটের বিরুদ্ধে মামলা করারও সুযোগ নেই।

বিকল্প উৎস না রাখায় সমালোচনার মুখে সরকার টিকার জন্য দ্বারস্থ হয় যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়ার প্রতি। তড়িঘড়ি করে চীনের সিনোফার্ম আর রাশিয়ার স্পুৎনিক-ভি টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয় ঔষধ প্রশাসন।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন