1. sarifhafiz48@gmail.com : livenewsdesk desk : livenewsdesk desk
  2. mehedihasan.mhs078@gmail.com : Arif Molla : Arif Molla
  3. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
  4. livenewsbd24@gmail.com : Mehedi Hasan : Mehedi Hasan
ভয় পেয়ে ঘরে বসে থাকলে তো আর খাবার পাবো না - Livenews24
বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা :
যত ভ্যাকসিন দরকার হয় কিনবো: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আরও ৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা বরাদ্দ মাদারীপুরে মাস্ক না পড়া ও অযথা ঘুরাঘুরি করায় জরিমানা এই লড়াইয়ে আমাদের জিততেই হবে এবং ইনশাল্লাহ আমরা জিতবই প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা একদিন আগে মাদারীপুরের ৪০ গ্রামের ঈদুল আযহা ঈদ উদযাপন ভাষা সংগ্রামী গোলাম মোস্তফা রতনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী লিটনের অনবদ্য সেঞ্চুরি আর সাকিবের দুর্দান্ত ঘূর্ণিতে বাংলাদেশের জয় শিথিল বিধিনিষেধে পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে, মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি এবার মসজিদের পাশাপাশি খোলা জায়গাতেও ঈদের জামাত হবে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ৩২০০ কোটি টাকার প্রণোদনা ও প্যাকেজ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম :
সামোয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মাতাফা কেন্দ্রে এনআইডি দেখিয়ে মিলবে টিকা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন : সজীব ওয়াজেদ জয় যত ভ্যাকসিন দরকার হয় কিনবো: প্রধানমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় করোনায় আরও ২২ জনের মৃত্যু সাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনায় আরও ২১ জনের মৃত্যু সীমানা নিয়ে সংঘাত, ৬ পুলিশ নিহত ৮ হাজার চিকিৎসক-নার্স নিয়োগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশে করোনায় আরও ২৪৭ জনের মৃত্যু কারখানা খুললে ব্যবস্থা: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জামালপুরে করোনার টিকাদান কেন্দ্রে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আরও ৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা বরাদ্দ টিকাদান শুরুর নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর সাংবাদিক সংগঠন মৈত্রী মিডিয়া সেন্টারের ৫শতাধিক মাস্ক বিতরণ

ভয় পেয়ে ঘরে বসে থাকলে তো আর খাবার পাবো না

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০২১
  • ১৫ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ।।

করোনাকে তো আমরাও ভয় পাই, ভয় পেয়ে ঘরে বসে থাকলে তো আর খাবার পাবো না। তাই যার যার জীবিকার জন্য সবাই লকডাউনেও বাইরে বের হয়েছে। মানুষ আর কয়দিন ঘরে থাকবে, সবার তো জমানো টাকা নেই। কাজে বের হলেই জীবিকা, পরিবার নিয়ে খাওয়া। তাই করোনার ভয় লাগলেও বাধ্য হয়ে জীবিকার তাগিদে বের হতে হয়েছে। এমনটাই জানালেন রাজধানীর রামপুরা এলাকায় রিকশাচালক আব্দুল গফুর মিয়া

দেশজুড়ে চলমান সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যে একদিনে রেকর্ড ২ শতাধিক মৃত্যুর পরদিনও ঢাকায় রাস্তায় যানবাহন ও মানুষের সরব উপস্থিতি দেখা গেছে। তবে পথে যারা বের হয়েছেন তারা বলছেন, বাধ্য হয়েই বের হতে হয়েছে তাদের।

আজ (বৃহস্পতিবার) লকডাউনের অষ্টম দিন সকালে রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, গুলশান, বাড্ডা, কুড়িল বিশ্বরোড এলাকা ঘুরে দেখে গেছে, গণপরিবহন না চললেও আগের দিনগুলোর তুলনায় সড়কে মানুষ, রিকশা, যানবহন অনেক বেড়েছে। রাস্তায় মানুষের সংখ্যা লকডাউনের প্রথম সাতদিনের চেয়ে বেশি। মানুষের সঙ্গে ব্যক্তিগত গাড়ি, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ চলাচলও বেড়েছে।

গতকাল বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত একদিনে দেশে আরও ২০১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা দেশে এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।

এদিকে লকডাউনে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাস্তায় গতকাল কঠোর অবস্থানে ছিল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারের দেওয়া কঠোর বিধিনিষেধ (লকডাউন) অমান্য করায় গতকাল এক দিনে রেকর্ড এক হাজার ১০২ জনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। পাশাপাশি ডিএমপি পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ২৪৫ জনকে এক লাখ ৭১ হাজার ৯৮০ টাকা জরিমানা করে।

৮০৪টি গাড়িকে ১৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। তবুও কেন সড়কে মানুষের উপস্থিতি কমছে না? এ বিষয়ে অষ্টম দিনের লকডাউনে বাইরে বের হওয়া একাধিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা হলে তারা তাদের নিজেদের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

রাজধানীর গুলশানের রাস্তায় কথা হয় সাজ্জাদুল ইসলাম নামে  একজন বেসরকারি চাকরিজীবীর সঙ্গে। তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণের হার, মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। এদিকে বাইরে বের হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মামলা। তবুও আমরা বাইরে বের হয়েছি। কিন্তু এই বের হওয়া তো আমরা শখ করে বের হয়নি। জীবিকার তাগিদেই আমাদের মতো সাধারণ মানুষকে বের হতে হয়েছে। লকডাউন তবুও অফিস খোলা কেন? মানুষের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত না কেন? তাহলে আপনি শুধু লকডাউনের ডাক দিয়েই পালনের নির্দেশ দেবেন? আর আমরা তাহলে খাবো কী, এর দায়িত্ব কে নেবে?

প্রগতি সরণিতে কথা হয় আরেক পথচারী আকরাম হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, সামনে আমার ইলিকট্রনিক দোকান। দোকান খুললেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসে গাল মন্দ করে, দোকান বন্ধ করে দেয়। এই দোকান থেকেই তো আমার জীবিকা, তাই এসেছি, দোকানের শাটার অর্ধেক খুলে রাখবো। যদি বেচাকেনা হয়, সেটাই আমার জীবিকা। কয়দিন দোকান বন্ধ রেখে গোছানো টাকা ভেঙে খাবো? তাই বাইরে এসেছি যদি কোনোভাবে একটু দোকান খোলা যায়। করোনার ভয় তো আমাদেরও আছে, আমরাও ভয় করি, কিন্তু ভয়ে বসে থাকলে খাবো কী? যে কারণে আমাদের মতো সাধারণ কর্মজীবী, ছোট ব্যবসায়ীরা করোনার ভয় রেখেই বাধ্য হয়ে জীবিকার তাগিদে বাইরে বের হয়েছি।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021
Design & Development By : JM IT SOLUTION