1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
দুই বন্ধুর মৃত্যুর তারিখ মিলে গেল - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিল্লি চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা সিনেমা স্পর্শিয়ার খাওয়ার পর বিছানায় একটু গা এলিয়ে নেওয়ার অভ্যাস শুরু হচ্ছে হজের আনুষ্ঠানিকতা, এবারও প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ হাম পরিস্থিতির কারণ খুঁজতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দ্বারস্থ সরকার যেসব অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস রামিসার হত্যাকারিদেরসহ ধর্ষকদের কঠোর বিচার ও সচেতনতায় নবীনগরে মানববন্ধন ঈদ উপলক্ষে পুলিশের নিরাপত্তা পরামর্শ রামিসা হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন এক সপ্তাহের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশ পঞ্চগড় সদর উপজেলায় ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন কে ভোট দিয়েছেন কে দেননি তার উপর নয়, আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ হিসেবে সকলে সমান সুজোগ ভোগ করবেন : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

দুই বন্ধুর মৃত্যুর তারিখ মিলে গেল

Reporter Name
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ৪৯০ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।
চার বছর কিউবায় কাটিয়েছিলেন ম্যারাডোনা। মাঝে মাঝেই তার কাছে আসত কাস্ত্রোর ফোন

২০১৬ সালে ২৫ নভেম্বর প্রয়াত হন ফিদেল কাস্ত্রো, তাকে বলা হয় ‘ডিয়েগো ম্যারাডোনার দুঃসময়ের বন্ধু’। কী অদ্ভুত! চার বছর একই দিনে মারা গেলেন ফুটবলের কিংবদন্তি।

১৯৮৬ সালে প্রথমবার কিউবা গিয়েছিলেন ম্যারাডোনা। ওই সময় বিপ্লবী কাস্ত্রোর সঙ্গে পরিচয় হয়। সেই শুরু। তার পর অনেকবারই কিউবা গিয়েছেন তিনি। বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে ১০ নম্বর জার্সি উপহারও দিয়েছেন।

অবসরের পর এক সময় মাদক সেবনের জন্য মারাত্মক সমস্যায় পড়েন ম্যারাডোনা। তখন রীতিমতো বিপর্যস্ত অবস্থা তার, পাশে নেই কেউ। সেই সময় তাকে আশ্রয় দিয়েছিলেন কাস্ত্রো। লা পেড্রেরা ক্লিনিকে ব্যবস্থা করে দেন ম্যারাডোনার রিহ্যাবের।

কিউবার স্বাস্থ্য সেবার সুনাম ছিলই। ক্রমশ সুস্থও হতে থাকেন কিংবদন্তি ফুটবলার। ম্যারাডোনার ঘনিষ্ঠদের মতে, কাস্ত্রো এগিয়ে না এলে প্রাণ বাঁচানোই মুশকিল হয়ে যেত আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের। শরীর এতটাই খারাপ ছিল তার।

সেই সময় ৪ বছর কিউবায় কাটিয়েছিলেন ম্যারাডোনা। মাঝে মাঝেই সকালে ম্যারাডোনার কাছে আসত প্রধানমন্ত্রী কাস্ত্রোর ফোন। খেলা থেকে রাজনীতি, কিছুই বাদ পড়ত না আলোচনায়। নেশায় আসক্তি কাটিয়ে ফেলতে ম্যারাডোনাকে উৎসাহ জোগাতেন কাস্ত্রো।

ম্যারাডোনা একবার বলেছিলেন, “এমনকি রাত দুটোর সময়ও ফোন করতেন কাস্ত্রো। আমিও সব সময় কথা বলতে প্রস্তুত থাকতাম। কোনো ইভেন্ট থাকলে জানতে চাইতেন, আমি যেতে চাই কি-না। এগুলো আমি ভুলব না।”

কাস্ত্রো একবার বলেছিলেন, “ডিয়েগো আমার সেরা বন্ধু। কোনো সন্দেহ নেই যে ও অসাধারণ এক অ্যাথলেট। আর কিউবার সঙ্গে ম্যারাডোনা বন্ধুত্ব রেখে গেছে কোনো পার্থিব লাভ ছাড়াই।”

কাস্ত্রোর মৃত্যুর পর ম্যারাডোনা তখন কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলেন, “আমার কাছে উনি ছিলেন দ্বিতীয় বাবার মতো। আর্জেন্টিনায় যখন আমার সামনে দরজাগুলো বন্ধ হচ্ছিল, তখন উনি কিউবার দরজা খুলে দিয়েছিলেন।”

ওই সময় জাতীয় শোকে যোগ দিতে কিউবা যান ম্যারাডোনা। তখন বলেছিলেন, “আমি এই সময় কিউবার মানুষের পাশে থাকতে চাই। আর বিদায় জানাতে চাই আমার বন্ধু ফিদেলকে।”

ম্যারাডোনা বুধবার হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর মাত্র দুই সপ্তাহ আগেই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন তিনি।

১৯৮৬ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ এনে দেওয়া ম্যারাডোনাকে বলা হয় সর্বকালের অন্যতম সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার।

খেলোয়াড় হিসেবে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার রয়েছে এই মহাতারকার।

বোকা জুনিয়রস, নাপোলি আর বার্সেলোনার মতো দলের হয়ে খেলে বহু ইতিহাস গড়েছেন তিনি। অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্যে হয়ে উঠেছেন গোটা বিশ্বের আইকন।

১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টে সেই বিখ্যাত গোল, আর ‘ঈশ্বরের হাত’ বিতর্কে তাকে সব সময় আলোচনায় রেখেছে। তবে বিতর্কিত হয়েছেন মাদক নিয়ে।

মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন