1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ঐশী এখন আলহাজ্ব সারোয়ার খান কলেজের ছাত্রী - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ঐশী এখন আলহাজ্ব সারোয়ার খান কলেজের ছাত্রী রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫২৮, মামলা ৫৩ মেসির ১.১ বিলিয়ন সাম্রাজ্য, মাঠের বাইরের আয় কত? গাজার বদলা নিতে চেয়েছিলেন ফ্লাইদুবাইয়ের সহ-পাইলট! তীব্র কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন শাটডাউনের ‘টুকটাক হুমকি’ সত্ত্বেও বেড়েছে প্রবাসী আয় দেশের রিজার্ভ ৩৬.১২ বিলিয়ন ডলার জ্বালানি আমদানিতে ৩১০ কোটি ডলার ঋণ নিচ্ছে সরকার রাস্তা নাকি নদী! নবীনগরের বানিয়াচং মোড় থেকে দীর্ঘসাইর রাস্তার বেহাল দশায় জন দুর্ভোগ চরমে পঞ্চগড়ে ২০৩ কোটি টাকা ব্যায়ে হচ্ছে ২য় করতোয়া সেতু, অনুমোদনের খবরে মিষ্টি বিতরণ

বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ঐশী এখন আলহাজ্ব সারোয়ার খান কলেজের ছাত্রী

তেরখাদা সংবাদদাতা।।
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১০ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

আলহাজ্ব সারোয়ার খান কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী ঐশী বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। একাধারে সে চিত্রশিল্পী, ডিজাইনার, কবি ও আবৃত্তিকার। ইতিমধ্যে তার আঁকা ছবি, ডিজাইন, আবৃত্তি এবং কবিতা ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে।

ঐশীর জন্ম ২০১০ সালে। তার জন্মস্থান দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটী গ্রামে।
ছোট বেলা থেকে ঐশী চুপচাপ স্বভাবের। আর এজন্য তার কোনো বন্ধু-হয়ে ওঠেনি। সে একলা চলে, কর্মের মাধ্যমে জীবন সাজাতে চায়। সে প্রথমে আসমা সারোয়ার শিশু একাডেমীতে শিক্ষা জীবন শুরু করে। এরপর প্রতিভাময়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। বিদ্যালয় ১থেকে ৩এর মধ্যে তার রোল থাকতো।
ছোটো বেলা থেকে ঐশী অসুস্থ ছিল বলে তাকে খেলাধুলা করতে দেয়া হতো না ।
তাকে শিক্ষকরা বলতেন, পড়াশোনা করে তোমাকে বড় হতে হবে। তোমার সৃজনশীল চেতনা জাগ্রত করতে হবে। আর তা করতে পারলে দেখবে যারা তোমাকে পছন্দ করে না তারাও একদিন তোমাকে ভালবাসবে।
ঐশী এরপর থেকে লুকিয়ে লুকিয়ে কবিতা লিখতে ও‌ ছবি আঁকতে শুরু করে। তৃতীয় শ্রেণীতে থাকা অবস্থায় প্রতিভাময়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যাডাম সোনিয়া তার চিত্রকর্ম দেখে মুগ্ধ হন এবং একটি প্রতিযোগিতার নাম দিয়ে দেন। প্রথমবারই উপজেলার মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করে। তারপর থেকে ঐশীকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। সে যেখানেই যে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে সেখানেই পুরস্কার পেয়েছে।
একই বিদ্যালয়ের ময়না ম্যাডাম কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় প্রথম তার নাম দেন। প্রথমবার এই কবিতা প্রতিযোগিতায় সে প্রথম স্থান অধিকার করে। এসময় প্রতিযোগিতায় প্রায়ই প্লেট পেতো ঐশী। তার নানা তাকে এই সৃজনশীল কাজে সবসময় উৎসাহিত করত। তাই প্লেট পুরস্কার পেলে ঐশী আগে নানা কে ব্যবহার করতে দিতো। নানা সেই প্লেট ব্যবহার করার পরে ঐশী ব্যবহার করত। তার নানা মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম উকিল। নানার হাত ধরেই ঐশীর কবিতা লেখা শুরু।
ঐশী প্রথম দিকে মুখমুখে কবিতা বলতো তারপর একসময় লেখা শুরু করে। ঐশী কবিতা লিখতে আর তা নানা কে পড়ে শুনাতো। তার নানা বাদে আর কেউই জানতো না এই কবিতা লেখার কথা। একসময় তার নানা মারা যাওয়ার পর কবিতা লেখা বন্ধ হয়ে যায় কারণ কবিতা শোনানোর মতো তখন তার আর কেউ ছিল না।
এরপর অনেকদিন কেটে যায়। ঐশী সপ্তম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করে। তখন তার পুরস্কার একটি প্লেট নিয়ে নানাবাড়ি বাড়িতে যায় । ভুলে গিয়েছিল তার নানা এক বছর আগে মারা গেছে।
এরপর থেকে ঐশী কবিতা লেখা ছেড়ে দিয়ে সে শুধু ছবি আঁকায় মন দেয়। বর্তমানে হ্যান্ড পেইন্টিং নামক একটি কাজের সাথে জড়িত আছে। এসএসসি পাস করার পর অবসর সময়ে কম্পিউটার অপারেশন লেভেল ২ নামে একটি কম্পিউটার কোর্স দিঘলিয়ার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে সম্পন্ন করে ।
বর্তমানে ঐশী দিঘলিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলহাজ্ব সারোয়ার খান কলেজের একাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়ন করছে।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন