1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
কুষ্টিয়ায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ২২ জনের মৃত্যু - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সালথায় ‘সুজন’ এর কমিটি গঠন ও মতবিনিময় সভা সালথায় খাল খনন প্রকল্পের কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন নবীনগরের গুণীজন সিদ্দিকুর রহমানের ২৬তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত মেধা ও স্বচ্ছতায় মাদারীপুরে টিআরসি নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ রাত ১ টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে মাদারীপুরে হত্যা মামলাসহ একাধিক চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি ফয়সাল তালুকদার গ্রেফতার জেলায় চ্যাম্পিয়নের গৌরবে নবীনগর উপজেলা ক্রিকেট দলের এমপির সাথে সাক্ষাৎ নবীনগরে অনলাইনে জুয়া-মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কলমায় ‘ধর্ষণের’ মিথ্যা অপবাদে সালিশি বাণিজ্য! বৃদ্ধার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ খিলপাড়া ইয়াং বয়েজ একাডেমি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

কুষ্টিয়ায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ২২ জনের মৃত্যু

Reporter Name
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৯ জুলাই, ২০২১
  • ৩৯৮ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট

কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে আরও ২২ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে ১২ জন করোনায় এবং ১০ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (০৮ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (০৯ জুলাই) সকাল ৮টার মধ্যে মারা যান তারা। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এম এ মোমেন।

এদিকে নতুন ২২০ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত ২২০ জনসহ আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৮৮৪ জনে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। নতুন করে শনাক্ত হওয়া ২২০ জনের মধ্যে কুষ্টিয়া সদরের ৮৩ জন, দৌলতপুরের ৫৯ জন, কুমারখালীর ২৬ জন, ভেড়ামারার ৩৪ জন, মিরপুরের ১১ জন ও খোকসার সাতজন রয়েছেন।

মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে তিনজন সদর উপজেলার, একজন কুমারখালীর, তিনজন দৌলতপুরের, দুজন ভেড়ামারার ও একজন খোকসা উপজেলার বাসিন্দা।

এখন পর্যন্ত জেলায় ৭০ হাজার ৮০ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে ৬৬ হাজার ৬৯৪ জনের। মোট শনাক্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৮৮৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৯৬ জনের। আর সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ২৭৫ জন।

বর্তমানে কুষ্টিয়ায় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৩১৩ জন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ২৭৯ জন ও হোম আইসোলেশনে আছেন ৩ হাজার ৩৪ জন।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) তাপস কুমার সরকার বলেন, অধিকাংশ রোগীকে অক্সিজেন দেওয়ার দরকার হচ্ছে। রোগীর সংখ্যা বাড়ায় অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে কাড়াকাড়ি লেগে যাচ্ছে। অনেকেই ৪০ থেকে ৭০ ভাগ অক্সিজেন স্যাচুরেশন নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন। তাদের অবস্থা জটিল। তাদের কমপক্ষে এক সপ্তাহের জ্বর, ঠান্ডা ও কাশি রয়েছে। এ রকম বেশির ভাগ রোগীই আসছেন জটিল অবস্থা নিয়ে। আর অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমে যাওয়ার পর যেসব রোগী আসছেন, তাদের বাঁচানো কঠিন হচ্ছে। এ জন্য আগে থেকেই চিকিৎসাসেবা নিতে হবে। মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে। অসচেতনতার কারণে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রতিদিন অন্তত ৫০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রয়োজন হচ্ছে। এ ছাড়া ৬ হাজার লিটারের সেন্ট্রাল অক্সিজেন রয়েছে। অক্সিজেনের কোনো সংকট নেই।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এম এ মোমেন বলেন, ২৫০ শয্যার করোনা ডেডিকেটেড এই হাসপাতালটিতে এখন শয্যার চেয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি। করোনা আক্রান্ত এবং উপসর্গ নিয়ে বৃহস্পতিবারবার সকাল পর্যন্ত ২৮০ রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাই ১৮৭ জন। উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ৯৩ জন। এখন পর্যন্ত চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট নেই। তবে শয্যা, নার্স, আয়া ও সুইপারের অভাব রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালটিকে ডেডিকেটেড হাসপাতাল ঘোষণার পর থেকে রোগীর চাপ বাড়তেই আছে। প্রয়োজনের তুলনায় লোকবল কম। এ জন্য চিকিৎসক, নার্স, আয়াসহ সংশ্লিষ্ট সবাই চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। প্রতিদিনই শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালেও রোগীর চাপ বাড়ছে। এভাবে বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে যাবে।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন