1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনের পর কতটা বদলেছে দুই হাসপাতালের চিত্র? - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনের পর কতটা বদলেছে দুই হাসপাতালের চিত্র? কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৪, আহত ৩৯ যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী সালথায় সোনাপুরে বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন ছরোয়ার হোসেন বর্তমান সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত-এসকে আজিজুল বারী হেলাল মাদারীপুরের যুবককে লিবিয়ায় আটকে মুক্তিপণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার মাদারীপুরে অভিবাসন সেবা জোরদারে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে কৌশলগত কর্মশালা মাদারীপুরে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ নিয়ে অবহিতকরণ সভা সালথায় তৃণমূল বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করতে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত মানুষের সেবক হতে চান মেয়র পদপ্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদ

প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনের পর কতটা বদলেছে দুই হাসপাতালের চিত্র?

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১১ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

চার বছরের নাতনি ইশালকে নিয়ে গাজীপুর থেকে রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে এসেছেন রুহুল আমিন। শিশুটির মাথায় ছোট একটি ফোড়া থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে ফুলে গেছে। বহির্বিভাগে চিকিৎসক দেখানোর পর তাকে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সকাল থেকে হাসপাতালে ঘুরেও ভর্তির প্রক্রিয়া শেষ করতে পারেননি তারা। নাতনিকে নিয়ে বহির্বিভাগের ছাউনিতে অপেক্ষা করছিলেন রুহুল আমিন। শিশুটির বাবা ভর্তির কাগজ নিয়ে ফিরলেই যাবেন জরুরি বিভাগে।

অপেক্ষার ফাঁকে ঢাকা মেইলকে রুহুল আমিন বলেন, সেবা পাওয়া যায় কিন্তু ভোগান্তি অনেক। ঘুরতে ঘুরতেই জীবন চলে যায়। এইটাই ঝামেলা। সকালে আসছি, ডাক্তার দেখানোর পর ভর্তি করতে বলছে। কিন্তু এখনও ভর্তির কাগজই হাতে পাইনি।

একদিন আগেই এই হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। হাসপাতালের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে অসন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

তবে প্রধানমন্ত্রীর সেই সফরের খবরই জানেন না রুহুল আমিন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা আজকেই এসেছি। এ বিষয়ে কিছুই জানি না।

শুধু রুহুল আমিন নন, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা আরও অনেক রোগী ও স্বজনের কাছেও প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়টি অজানা। তবে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতায় কিছুটা পরিবর্তন চোখে পড়েছে তাদের। অন্যদিকে চিকিৎসা নিতে এসে দীর্ঘ অপেক্ষা ও নানা ভোগান্তির চিত্রও রয়ে গেছে।

গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্যে ছিল বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। সফরের সময় হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। এর পরদিন রোববার হাসপাতাল দুটিতে সরেজমিনে গিয়ে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের তৎপরতা দেখা গেলেও রোগীদের সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে আগের ভোগান্তির চিত্রও পাওয়া গেছে।

8

শিশু হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা বেড়েছে, স্বাভাবিক রোগীর ভিড়

রোববার বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে গিয়ে দেখা যায়, বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের দীর্ঘ লাইন। জরুরি বিভাগেও সেবা নিতে অপেক্ষা করছেন অনেকে। রোগীদের ভিড় সামলাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন হাসপাতালের কর্মীরা। জরুরি বিভাগে স্বয়ংক্রিয় নির্দেশনার মাধ্যমে হাসপাতালের বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হচ্ছে।

তবে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতায় বাড়তি নজর দেওয়ার চিত্র চোখে পড়ে। বহির্বিভাগের সামনে ঝাড়ু দিচ্ছিলেন একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। হাসপাতালের বিভিন্ন ভবনও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন দেখা যায়। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন আনসার সদস্যরা।

হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা শাহানা আক্তারের সঙ্গে কথা হয়। এর আগেও একবার এই হাসপাতালে এসেছিলেন তিনি। আগের অভিজ্ঞতার সঙ্গে এবারের পরিস্থিতির তুলনা করে শাহানা বলেন, প্রধানমন্ত্রী এসেছে কিনা তাতো জানি না। অন্য সব সময় যেমন থাকে এবারও তেমনই লাগছে। এর আগে আমি একবার আসছি। এবার অবশ্য ওইবারের থেকে পরিষ্কার লাগছে।

প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনের খবর না জানলেও হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতায় পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন শাহানা। তবে সেবা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের দীর্ঘ লাইনের চিত্র বলছে, শুধু পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখাই নয়, চিকিৎসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করাও হাসপাতালটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

বিশেষ করে দূরদূরান্ত থেকে অসুস্থ শিশু নিয়ে আসা অভিভাবকদের চিকিৎসক দেখানো থেকে শুরু করে ভর্তি পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। রুহুল আমিনের অভিজ্ঞতাও সেই ভোগান্তিরই একটি উদাহরণ।

শিশু হাসপাতালে চিকিৎসকের ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

চিকিৎসকের কক্ষে ধূমপান, টয়লেটের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষোভ

শনিবার শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় বেশ কিছু অনিয়ম প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলামের কক্ষে গিয়ে তাকে ধূমপান করতে দেখেন তিনি। ওই কক্ষটিও অপরিচ্ছন্ন ছিল। এ ঘটনায় হাসপাতালের পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হককে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে ওই চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের টয়লেটের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখেও অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় দায়িত্বরত এক কর্মকর্তার কাছে তিনি জানতে চান, আপনি নিজে কি এই টয়লেট ব্যবহার করবেন?

প্রধানমন্ত্রীর এমন প্রশ্নের পর হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা নতুন করে আলোচনায় আসে। হাসপাতালের বিভিন্ন অংশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পাওয়া গেলেও এই পরিবেশ নিয়মিত বজায় রাখা সম্ভব হবে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়, বলছেন রোগী ও তাদের স্বজনেরা।

9

সোহরাওয়ার্দীতে বদলেছে বাইরের চিত্র, সরেছে দোকানপাট

প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখা গেছে। রোববার সরেজমিনে হাসপাতালের বিভিন্ন তলা ও বারান্দা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পাওয়া যায়। বারান্দায় কোনো রোগীকে অবস্থান করতে দেখা যায়নি। তবে হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে সেবা নিতে আসা মানুষের ভিড় ছিল।

হাসপাতালটির সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন এসেছে বাইরের পরিবেশে। আগে হাসপাতালের সামনের কম্পাউন্ড ও প্রবেশপথের আশপাশে দোকানপাট থাকলেও সরেজমিনে সেগুলো দেখা যায়নি। এমনকি প্রধান ফটকের সামনের দোকানগুলোও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে হাসপাতালের প্রবেশপথ ও আশপাশের জায়গা অনেকটাই ফাঁকা দেখা যায়।

হাসপাতালের গেটের সামনে ভ্রাম্যমাণ পান ও সিগারেট বিক্রেতা আবু বক্করের সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় দোকানপাট সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

কবে দোকানগুলো সরানো হয়েছে জানতে চাইলে আবু বক্কর বলেন, ‘আরও চার দিন আগে।’

অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগেই হাসপাতালের সামনের দোকানপাট সরানোর কাজ শুরু হয়েছিল। তবে এই ব্যবস্থা কত দিন বহাল থাকবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

7

প্রধানমন্ত্রীর সফর আমাদের জন্য ‘ওয়েকআপ কল’: পরিচালক

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বড় ধরনের অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা গোলাম সারোয়ার। তার মতে, এই সফর হাসপাতালের সবাইকে নতুন করে দায়িত্বশীল হওয়ার বার্তা দিয়েছে।

ঢাকা মেইলকে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে আমরা আসলে অত্যন্ত ইতিবাচক ও অনুপ্রেরণামূলক হিসেবে নিয়েছি। তিনি আমাদের হাসপাতালে আসবেন, এটি সবার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। তার এই সফর আমাদের সবার জন্য একধরনের ওয়েকআপ কল হিসেবে কাজ করেছে।

হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন পরিচালক।

তিনি বলেন, হাসপাতালে ছোট ছোট অনেক সমস্যা রয়েছে। সবাই যার যার জায়গা থেকে কাজ করছেন। তবে আমাদের সবাইকে একটি টিম হিসেবে, একটি পরিবারের মতো একসঙ্গে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সেই বিষয়টিকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন জানিয়ে অধ্যাপক ডা. মির্জা গোলাম সারোয়ার বলেন, তিনি এর আগেও এখানে এসেছিলেন। এবারও হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করে আমাদের নানা ধরনের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা ইনশাআল্লাহ সেগুলো বাস্তবায়ন করব। ইতোমধ্যে কিছু কাজ শুরু করেছি।

হাসপাতালের একটি সমস্যা নিয়ে বারবার অভিযোগ পাওয়ার কথাও জানান তিনি। তবে সমস্যাটি ঠিক কোন সেবার সঙ্গে সম্পর্কিত, তা স্পষ্ট করেননি। পরিচালক জানান, বিষয়টি সমাধানে তারা কাজ করছেন এবং আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

5

দোকান উচ্ছেদে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগ

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরটি আকস্মিক সফর ছিল। তবে সফরের অন্তত তিন দিন আগে  সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনে থাকা কয়েকটি স্থায়ী ও অস্থায়ী দোকান সরিয়ে দেওয়া হয়। দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে পরিচালক জানান, হাসপাতালের বাইরের কিছু জায়গার ব্যবস্থাপনা মূলত সিটি করপোরেশনের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। সেসব জায়গা পরিষ্কার রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিয়েছে।

অধ্যাপক ডা. মির্জা গোলাম সারোয়ার বলেন, আপনারা জানেন, এখানে কিছু বিষয় রয়েছে, যেগুলো মূলত সিটি করপোরেশনের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এ ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখানে কিছু সমন্বয় ও সহযোগিতার প্রয়োজন ছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত ভালো কাজ করছে। নাগরিকদের সুবিধার জন্য জায়গাটি পরিষ্কার ও সুন্দর রাখতে তারা কাজ করছে। আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মূলত তাদের সহযোগিতা করছি।

চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ১৩ স্থান পরিদর্শন

প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলুর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে আকস্মিক পরিদর্শন শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুপুর ১টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত রাজধানীর ১৩টি স্থান ঘুরে দেখেন তিনি।

এ সময় উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন তিনি।

কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের সময় দেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে শিশু হাসপাতালে অনিয়ম ও অপরিচ্ছন্নতা দেখে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি হাসপাতালের সেবার মান, কর্মপরিবেশ ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন