
বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের নাগরিকদের জন্য ‘ভিসা বন্ড’ কর্মসূচি স্থায়ী করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন নিয়মের আওতায় কনস্যুলার কর্মকর্তারা চাইলে আবেদনকারীদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত বন্ড দাবি করতে পারবেন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, অবৈধ অভিবাসন ও ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার প্রবণতা রোধ করতে আগামী ৩ আগস্ট থেকে এই কঠোর নীতি কার্যকর করছে। তবে এই নিয়মটি মূলত বি-১ (ব্যবসায়িক) এবং বি-২ (পর্যটন) অ-অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য।
এর আগে পরীক্ষামূলক (পাইলট) কর্মসূচিতে বন্ডের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের তথ্য অনুযায়ী, পাইলট কর্মসূচির সময় বন্ডের আওতায় পড়া প্রায় অর্ধেক আবেদনকারীই অর্থ জমা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, যার ফলে তালিকাভুক্ত দেশগুলোর পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভিসা ইস্যুর হার ৮৩ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।
নতুন নিয়মে সর্বনিম্ন ৫ হাজার ডলারের বিকল্পটি বাতিল করে ১০ হাজার এবং ২০ হাজার ডলারের দুটি বিকল্প রাখা হয়েছে। তবে সব ভিসা আবেদনকারীকে এই বন্ড দিতে হবে না। ইন্টারভিউ নেওয়ার সময় কনস্যুলার কর্মকর্তা যদি প্রয়োজন মনে করেন, তবেই ভিসা দেওয়ার শর্ত হিসেবে এই বন্ড জমা দিতে বলবেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভ্রমণকারী যদি ভিসার সকল শর্ত মেনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজ দেশে ফিরে আসেন, তবে এই বন্ডের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এই স্থায়ী নিয়ম চালুর ফলে নির্ধারিত মেয়াদের অতিরিক্ত সময় থাকার প্রবণতা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।
উল্লেখ্য, এই নতুন নিয়মের আওতায় থাকা ৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকার দেশ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তবে ভারতকে এই তালিকায় রাখা হয়নি।
সূত্র: রয়টার্স