1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
ঘরে ফিরে নাকে গরম পানির ভাপ নেবেন: প্রধানমন্ত্রী - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সালথায় সোনাপুরে বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন ছরোয়ার হোসেন বর্তমান সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত-এসকে আজিজুল বারী হেলাল মাদারীপুরের যুবককে লিবিয়ায় আটকে মুক্তিপণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার মাদারীপুরে অভিবাসন সেবা জোরদারে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে কৌশলগত কর্মশালা মাদারীপুরে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ নিয়ে অবহিতকরণ সভা সালথায় তৃণমূল বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করতে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত মানুষের সেবক হতে চান মেয়র পদপ্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদ অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপির নেতা একে এম আতিকুজ্জামান সনি আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস জামালপুরে জমি নিয়ে বিরোধে হামলা-মারধর, থানায় অভিযোগ

ঘরে ফিরে নাকে গরম পানির ভাপ নেবেন: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৪৬ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে বাইরে থেকে ফিরে নাকে গরম পানির ভাপ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভাইরাস ছড়ানো ঠেকাতে সবাইকে মাস্ক পরতে, নাকে-মুখে গরম পানির ভাপ নিতে ও জনসমাগম এড়িয়ে চলার অনুরোধ জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আনা শোকপ্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে দেশবাসীর কাছে এ অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সিলেট-৩ আসনের এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীরর মৃত্যুতে আনা শোক প্রস্তাবের ওপর বক্তব্যে নতুন করে করোনার প্রার্দুভাবের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাস আমরা মোটামুটি নিয়ন্ত্রণ করে ফেলেছিলাম। সবার মনে হচ্ছিল সবকিছু যেন ঠিক হয়ে গেছে। আমরা একেবারে কমিয়েও এনেছিলাম। সব কিছু নিয়ন্ত্রণেও এনেছিলাম। অর্থনৈতিক কাজগুলোও চলছিল। কিন্তু আবার বিশ্বব্যাপী এই করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এবারের করোনাভাইরাসটি হঠাৎ করে খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমনকি বাংলাদেশেও। আমাদের দেশে ২৯, ৩০ ও ৩১ মার্চ—এতোৱ দ্রুত বেড়ে গেছে, যেটা চিন্তাও করা যায় না। আমরা ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করেছি বলে বোধহয় মানুষের মাঝে একটি বিশ্বাস জেগে গেছে। এ জন্য সবাই ভাবছিল কিছু হয়তো হবে না। আমি বার বার বলেছিলাম ভ্যাকসিন নিলেও সাবধানে থাকতে হবে। স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলতে হবে। এই স্বাস্থ্যবিধি মানাটা কিন্তু বন্ধ হয়েছে। আমরা হিসাব করে দেখেছি, যতগুলো বড় বড় বিয়ের অনুষ্ঠান। যারা এই বিয়ে বাড়িতে গেছে, ফিরে এসে তাদের অনেকেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। যারা কক্সবাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে চলে গেছেন। সেখান থেকে যারা এসেছেন, তাদের বেশি করে ধরেছে। এই দাওয়াত, খাওয়া-টাওয়া, দোকান-পাটে ঘোরাঘুরি অতিরিক্ত বেড়ে গিয়েছিল।’

সবাইকে মাস্ক পরার অনুরোধ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি সবাইকে অনুরোধ করব, মাস্ক পরে থাকবেন। কারণ করোনাভাইরাস নাক থেকে গিয়ে সাইনাসে আক্রমণ করে। সেই ক্ষেত্রে সবাইকে মাস্ক পরে থাকতে হবে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে নাকে ভাপ নেয়া। ভাপ নেয়াটা খুবই কাজে লাগে। যখনই কেউ একটু বেশি মানুষের সঙ্গে মিশবেন বা দোকানপাট-অফিসে যাবেন। ঘরে ফিরে একটু যদি গরম পানির ভাপ নেন, খুব ভালো হয়। এটা খুব কঠিন কাজ নয়। একটি কাপড় দিয়ে মাথাটা ঢেকে গরম পানির ভাপটা নিঃশ্বাসে নিলে পরে নাকের ভেতরে সাইনাস পর্যন্ত চলে যায়।’

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় নিজের মাস্ক না থাকার কারণ ব্যাখ্যা দিয়ে সংসদ নেতা বলেন, ‘আমার মাস্ক আছে মাননীয় স্পিকার। বক্তৃতা দেওয়ার জন্য খুলে রেখেছি। তাছাড়া আমার আশপাশে এখন কেউ নেই। আমি এটা পরি। আবার কেউ যেন মনে না করেন আমি মাস্ক না পরেই (মাস্ক পরার কথা) বলছি। মাস্ক কিন্তু আমার সঙ্গেই আছে। পরেই বলি। মাস্ক পরে কথা বলতে গেলে কথাগুলো পরিষ্কার হয় না।’

নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আগে সবসময় সাইনাসে ভুগতাম। এই ভাপ নেয়াটা আমার অভ্যাস ছিল। ভাপটা নাকের ভেতর জার্মটার যেখানে থাকার সম্ভবনা আছে, সেখানে পৌঁছাবে। সেটাকে শেষ করে দেবে বা দুর্বল করে দেবে। আরেকটা কাজ আমি নিজে করি, তা হলো কোথাও বের হওয়ার আগে নাকে একটু সরিষার তেল দেওয়া বা যেকোনও তেল দেওয়া। এটাও করতে পারেন। এটা অনেকে গ্রাম্য ব্যাপার মনে করতে পারেন। কিন্তু আমার মনে আছে ছোট বেলায় যখন গোসল করতে যেতাম দাদি নাকে, কানে, নাভিতে সরিষার তেল দিয়ে দিতেন। নাকে পানি ঢুকবে না এ জন্যই। আমি মনে করি, করোনাকালে এটাও ভালো কাজ। করোনাভাইরাস আসার পর আমি নিয়মিত এটা করছি।’

‘কাপড়ের মাস্ক যেটা, তা সব থেকে ভালো হয়। আর মাস্কটা একবার ব্যবহার করার পর সেটা দ্বিতীয়বার না পরে সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে শুকাতে দেবেন। আরেকটা পরবেন। আমরা সবসময় সেটাই করি। আমরা এ জন্য আলাদা বালতি রেখে দিয়েছি।’

সবাইকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিয়ে-সাদির যেগুলো তারিখ হয়েছে তা একটু ঘরোয়াভাবে করা, বেশি লোকের সঙ্গে না মেশা এবং বাইরে দোকানপাটে গেলেও খুব অল্প সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে ঘরে ফিরে আসতে হবে। জনসমাগমটা যাতে না হয় সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে। আমরা অফিস আদালতে বলে দিয়েছি, সীমিত লোক নিয়ে কাজ করতে হবে। বেশি যেন মেশামিশি না হয় সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। অনেকেই সিমটম্প ছাড়াই করোনায় আক্রান্ত থাকতে পারেন। তার হয়তো কোনো সমস্যা হচ্ছে না কিন্তু যার সঙ্গে কথা বলছেন বা মিশছেন, তার কিন্তু হয়ে যাচ্ছে।  এটাও মাথায় রাখতে হবে।’

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন