1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
রিজার্ভ কমে ২০ দশমিক ২ বিলিয়ন - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সালথায় তৃণমূল বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করতে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত মানুষের সেবক হতে চান মেয়র পদপ্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদ অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপির নেতা একে এম আতিকুজ্জামান সনি আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস জামালপুরে জমি নিয়ে বিরোধে হামলা-মারধর, থানায় অভিযোগ জামালপুরে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন মাদারীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান মানুষের দুর্ভোগের কথা শুনছেন মেয়র প্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদ বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ঐশী এখন আলহাজ্ব সারোয়ার খান কলেজের ছাত্রী রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫২৮, মামলা ৫৩

রিজার্ভ কমে ২০ দশমিক ২ বিলিয়ন

Reporter Name
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৩৮ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

দেশে চলমান ডলার সংকটে আবারও নিম্নসূচকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। বিপিএম-৬ ম্যানুয়াল অনুযায়ী গ্রস রিজার্ভ এখন ২০ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা দুই হাজার দুই কোটি ডলার। রোববার (২৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে রিজার্ভের এই চিত্র পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রোস রিজার্ভ কমে দাঁড়ায় দুই হাজার ৫৩৩ কোটি (২৫ দশমিক ২৩ বিলিয়ন) ডলার। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী বিপিএম-৬ ম্যাথোডের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবের সঙ্গে ৫২১ কোটি (৫.২১ বিলিয়ন) ডলারের পার্থক্য রয়েছে। অর্থাৎ বিপিএম-৬ ম্যানুয়াল অনুযায়ী গ্রস রিজার্ভ দুই হাজার দুই কোটি ডলার বা ২০ দশমিক ২ বিলিয়ন। অর্থাৎ ২১ দিনে গ্রোস রিজার্ভ কমেছে ১৭৭ কোটি ডলার (১ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন) এবং বিপিএম-৬ কমেছে ১৭২ কোটি ডলার (১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন)।

গেল ৩ জানুয়ারি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার। সংকটের কারণে ডলার বিক্রি অব্যাহত থাকায় চলতি মাসের ২১ দিনে ১৭৬ কোটি ৩০ ডলার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৫২৩ কোটি ডলারে। বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ১৭৫ কোটি ডলার।

২০২৩-২৪ অর্থবছরের শুরুতে গ্রোস রিজার্ভ ছিল ২৯.৭৩ বিলিয়ন ডলার আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ২৩ দশমকি ৩৭ বিলিয়ন ডলার।

এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা শুধু আইএমএফকে দেওয়া হয়। প্রকাশ করা হয় না। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সেই হিসাবে দেশের প্রকৃত রিজার্ভ এখন ১৬ বিলিয়ন ডলারের নিচে। প্রতি মাসে প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার হিসেবে এই রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে কষ্টসাধ্য হবে বাংলাদেশের জন্য। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন শেষ প্রান্তে রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সংকটের কারণে রিজার্ভ থেকে বাজারে প্রচুর ডলার বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া এ মাসে আকুর বিলও পরিশোধ হয়েছে। রফতানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহ কম থাকায় রিজার্ভ কমছে।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন