1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
শিশুর নাম রাখা হলো ‘সিত্রাং’ - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে ৩০ মামলার পলাতক আসামি আল আমিন গ্রেফতার, উদ্ধার ৪০০ পিস ইয়াবা ও চাপাতি বেনাপোল সীমান্তে বিশেষ অভিযানে একটি বিদেশী পিস্তল ও ম্যাগাজিন উদ্ধার করেছে বিজিবি উখিয়ায় সুন্দরী রোকসানা বেগমের ভ্যানিটি ব্যাগে মিলল ১০ হাজার ইয়াবা এজেএফবি স্টার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পেলেন অপরূপ টিভির চেয়ারম্যান সাংবাদিক জিন্নাত আলী নবীনগরের ঐতিহ্যবাহী ফল বিলম্বী বিলুপ্তির পথে বৈরী আবহাওয়ায় সেন্টমার্টিনে ১০০ পরিবারকে কোস্ট গার্ডের ত্রাণ বিতরণ কক্সবাজারের দম্পতি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার, জব্দের পরিমাণ নিয়ে বিতর্ক ঢাকাগামী বাসে ৯২ হাজার ইয়াবা, আটক হেল্পার কক্সবাজারে ৮ হাজার ইয়াবাসহ টেকনাফের পিকআপচালক আটক মাদারীপুরে পুলিশ হেফাজত থেকে পালানো নারী আসামি হাসিনা কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার

শিশুর নাম রাখা হলো ‘সিত্রাং’

Reporter Name
  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২২
  • ৭৩৮ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

অনলাইন ডেস্ক।।

চারদিকে তখন দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি। জোয়ারে বেড়িবাঁধে পানি ছুঁই ছুঁই। পানিতে ডুবে গেছে ঘর। কোনো রকম চৌকিতে ঠাঁই নিয়েছেন অন্তঃসত্ত্বা ফারজানা আক্তার (৩৩)।

নোয়াখালীতে তখন ৭ নম্বর বিপদ সংকেত। সবাই ছুটছেন নিরাপদ আশ্রয়ে। এমন দুর্যোগের মধ্যে গত রোববার (২৩ অক্টোবর) রাতে প্রসব বেদনা ওঠে ফারজানার। জোয়ারের পানিতে চৌকি ডুবে যাবে এমন সময় ধাত্রীর সহযোগিতায় জন্ম নিলো এক কন্যা সন্তান। পরক্ষণেই নাম রাখা হলো জান্নাতুল ফেরদৌস সিত্রাং।

বুধবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে সেই রাতের দুঃসহ স্মৃতির কথা খুলে বলেন ফারজানা আক্তার। তিনি নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার হরণী ইউনিয়নের বয়ারচর এলাকার মো. শরিফ উদ্দিনের স্ত্রী।

তিনি বলেন, স্বামী নদীতে কাজ করে। ঘরে পুরুষ কেউ নাই। জোয়ারের পানি আমাদের ঘরে প্রবেশ করেছে। প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে। চৌকির ওপরে আশ্রয় নিয়েছি। প্রসব বেদনায় মনে হয়েছে আর বাঁচবো না। কেউ পাশে নেই। এক ধাত্রীর সহযোগিতায় আমার কন্যার জন্ম।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু আমার মেয়ে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের সময় জন্ম নিয়েছে তাই তার নাম রেখেছি সিত্রাং। কোথাও নেটওয়ার্ক নাই তাই কাউকে জানাতে পারি নাই সন্তানের কথা। আমার ৩টা ছেলের পর রাজকন্যা সিত্রাংয়ের জন্ম। জোয়ার নামলেও এখনো রাতের কথা মনে পড়লে শিউরে উঠি।

সিত্রাংয়ের নানি রাহেনা আক্তার  বলেন, ঘরের মধ্যে পানি ঢুকে গেছে। চৌকির ওপরে ধাত্রী আর আমার মেয়েকে উঠাইসি। আমরা চারপাশে পানির মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিলাম। নদী ভাঙা লোক তাই কোথাও যাওয়ার জায়গা নাই।

সিত্রাংয়ের দাদি নুর জাহান বলেন, তুফানের দিন নাতিন হইসে। আমরা ডাক্তারের কাছে নিতে পারি নাই। নরমালে হইসে। বেড়ির কাছে থাকি আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নাই। যদি সরকার নদী ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নিতো তাহলে এখানে থাকতে পারতাম। নইলে আর জায়গা কিনের টাকা নাই।

হরণী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আখতার হোসাইন বলেন, আমি যখন খবর পেয়েছি তখন স্থানীয় ইউপি সদস্যকে তাদের বাড়িতে যেতে বলছি। তিনি বাড়িতে গিয়ে খোঁজ খবর নিয়েছেন। এই দুর্যোগে বাচ্চা প্রসবের পর বর্তমানে মা ও শিশু সুস্থ আছে। আমি তাদের সরকারি সহযোগিতা পৌঁছে দেব। সিত্রাং ও তার মা ফারজানার সুস্থতা কামনা করছি।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন