1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
দিনাজপুরে কর্মহীন হয়ে পড়েছে শ্রমজীবি মানুষ - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে ৩০০ পিস ইয়াবা ও পিস্তল উদ্ধার, আসামি পলাতক মাদারীপুরে জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর-লোগো জাল করে বালু উত্তোলনের অনুমতিপত্র, সতর্ক করল প্রশাসন সালমান শাহকে হত্যায় ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকায় চুক্তি হ্যান্ডকাফ পরা হাতে মোবাইল, থানার ভেতরেই টিকটক! মাদারীপুরে তোলপাড় ‘এটা আমাদেরই গল্প’র ফারহানা, এসএসসি পাস করেছে-জিপিএ কত? ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল কলম্বিয়া, বহু হতাহতের শঙ্কা সৌদিতে অগ্নিকাণ্ড, নওগাঁর ১৩ পরিবারের স্বপ্ন পুড়ে ছাই বাংলা কিউআরে লেনদেনে লাগবে না মার্চেন্ট ফি, মিলবে প্রণোদনা ইংরেজি ও গণিতের ‘ধাক্কায়’ পাসের হারে ধস! সন্তান কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না পেলে মা-বাবার করণীয়

দিনাজপুরে কর্মহীন হয়ে পড়েছে শ্রমজীবি মানুষ

Reporter Name
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২০
  • ৬৫৬ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

মো. নূর ইসলাম নয়ন, দিনাজপুর সংবাদদাতা।।

সরকারি নির্দেশনায় দিনাজপুরে করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে শহর ও গ্রামঞ্চলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শুধু মাত্র কাঁচাবাজার, ঔষধের দোকান ও নিত্যপন্যের দোকান খোলা থাকলেও সন্ধা ৭টার মধ্যে কাঁচাবাজার ও নিত্য ভোগ্য পন্যের দোকান খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। ফলে সন্ধা ৭টার পর ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে হাট-বাজার। কাঁচাবাজার গুলোতে আসা পন্যের গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহনে জীবানু নাশক স্প্রে করছে রেড ক্রিসেন্ট। গণ পরিবহন বন্ধ থাকায় ফাঁকা হয়ে পড়েছে রাস্তা-ঘাট। শহর ও গ্রামের রাস্তায় দু’একটি করে রিকসা, অটোরিকসা দেখা গেলেও ভাড়া পাচ্ছেন না চালকরা। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবি মানুষজন। জেলা ও উপজেলায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও মাইকিং করে দোকানপাট, যান চলাচল বন্ধ রাখাসহ সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা অব্যাহত রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন। আর এ নির্দেশনা কার্যকর করতে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি কাজ করছে পুলিশ প্রশাসন। দিনাজপুর শহরের রিকসা চালক লোকমান জানান, একদিন রিকসা নিয়ে বের না হলে খাবার জোটে না। তাই রিকসা নিয়ে সকাল থেকে শহরে ঘুরছি। শহরে বা রাস্তায় লোকজন নাই তাই ভাড়াও নাই। আয় রোজগার করতে না পারলে খাবার জুটবে না। শহরের আরেক অটো রিকসা চালক কুদ্দুস জানান, আমরা গরিব মানুষ প্রতিদিন অটো চালিয়ে চাল-ডাল কিনে খাই। গাড়ি চালানো নিষেধ থাকলেও উপায় নাই। অটো নিয়ে এসেছি কিন্তু কোন প্যাসেঞ্জার নাই। সব ফাঁকা। এ অবস্থা চলতে থাকলে বউ বাচ্চা নিয়ে অনাহারে থাকতে হবে।
এদিকে করোনা সতর্কতায় যান বাহনসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় জেলায় কর্মহীন হয়ে পড়া রিকসা চালক, ভ্যান চালক, ড্রাইভারসহ বিপুল সংখ্যক শ্রমজীবি মানুষের অবস্থা খুবই নাজুক।
এই অসহায় মানুষগুলো সরকার এবং সমাজের বৃত্তবানদের সাহায্য এবং সহযোগিতা চেয়েছে।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন