A smiling young pharmacist dons a stethoscope and completes her senior customer's flu shot by placing a band-aid on her upper arm. She is wearing medical gloves and a lab coat. There are shelves in the background.

অনলাইন ডেস্ক |
করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসায় ডেক্সামেথাসোনের ব্যবহারে সুফল পাওয়ার নিশ্চয়তার ঠিক এক বছর বাদে নতুন আরেকটি চিকিৎসা ব্যবস্থার কথা জানালেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা।
বিবিসি জানিয়েছে, অ্যান্টিবডি থেরাপির মাধ্যমে ভাইরাসটিকে নিষ্ক্রিয় করার একটি পদ্ধতির বিষয়ে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত হয়েছেন। ট্রায়ালে দেখা গেছে, করোনায় গুরুতর অসুস্থ প্রতি তিন রোগীর একজন এই চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়েছেন।
প্রতি ১০০ রোগীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে, কমপক্ষে ছয় জনের জীবন বেঁচেছে এর মাধ্যমে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের হিসাবে, এই হার বেশ স্বস্তির।
গত বছর ১৬ জুন ডেক্সামেথাসোনের কথা জানান ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা। ওষুধটি সারা পৃথিবীতেই পাওয়া যায়। এবং দাম কম। তখন বাংলাদেশি চিকিৎসকেরা জানান, আগে থেকেই তারা ওষুধটির মাধ্যমে চিকিৎসা করছিলেন। তবে অতটা নিশ্চিত ছিলেন না।
এক বছর বাদে যে থেরাপির সুফলের বিষয়ে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন, সেটি অবশ্য বেশ ব্যয়বহুল। শুধুমাত্র সেই সব রোগীদের দেয়া হবে যারা করোনার সঙ্গে লড়াই করে নিজের শরীরে কোনো অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারেননি।
এই চিকিৎসা নিতে বাংলাদেশি মুদ্রায় লাখ টাকার বেশি খরচ পড়বে।
বিবিসির প্রতিবেদনে কিম্বারলে ফেদারস্টোন নামের এক নারীর কথা বলা হয়েছে, যিনি থেরাপিটি নিয়ে বেঁচে আছেন। ৩৭ বছর বয়সী ওই নারী বলেন, ‘আমার ভাগ্য ভালো যে আমি অসুস্থ হওয়ার সময় ট্রায়াল শুরু হয়েছিল। ঐতিহাসিক এই চিকিৎসার অংশ হয়ে বেঁচে থাকাটা দারুণ ব্যাপার।’
মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি নামের এই চিকিৎসায় ভাইরাসের কার্যক্ষমতা প্রায় নিষ্ক্রিয় করা হয়। অর্থাৎ ভাইরাসটি ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটাতে পারে না এবং শরীরে প্রতিলিপি তৈরি করতে ব্যর্থ হয়।
বিবিসি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন হাসপাতালের ১ হাজার রোগীকে নিয়ে করা এই ট্রায়ালে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের জীবন বেঁচেছে।
