1. jmitsolution24@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. livenewsbd24@gmail.com : livenews24bd : Mehedi Hasan
  3. news.livenews24bd@gmail.com : LN24BD DESK : LN24BD DESK
ভিসা নিষেধাজ্ঞায় যুক্ত হবে গণমাধ্যমও: পিটার হাস - Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন
সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইরানের পরমাণু প্রকল্পের তথ্য দিলে ২ কোটি ডলার পুরস্কার! গভীর রাতে কুকুর কেন কাঁদে? কুসংস্কার নয়, রয়েছে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বিনা খরচে ওমরাহ’র সুযোগ পেতে যেভাবে আবেদন করবেন সামনে আনলেন ১৯ বছরের ছোট ‘প্রেমিক’কে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বাবা-মায়ের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই গাজায় ২৫০ ফিলিস্তিনি দম্পতির গণবিবাহ মাদারীপুরে গণঅধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মেহজাবীনের সঙ্গে তুলনা প্রসঙ্গে যা বললেন তটিনী ইউনিয়নে সকল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন বিএনপি নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী দোয়ারাবাজারে সাংবাদিকের উপর হামলাকারী মাদক সম্রাট আহাদ ভূইয়ার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

ভিসা নিষেধাজ্ঞায় যুক্ত হবে গণমাধ্যমও: পিটার হাস

Reporter Name
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৬২ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যদিও এখনো নিষেধাজ্ঞা পড়াদের তালিকা প্রকাশ্যে আসেনি। তবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহ‌রিয়ার আলম জানিয়েছেন, বিধিনিষেধের আওতায় পড়াদের সংখ্যা বড় নয়।

ক্ষমতাসীন এবং বিরোধী দলের সদস্যরা ছাড়াও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরাও এই বিধিনিষেধের আওতায় পড়বেন বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আগামীতে এসব ব্যক্তিবর্গের পাশাপাশি গণমাধ্যমও ভিসা নীতিতে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।

রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) চ্যানেল ২৪ এর কার্যালয়ে এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভিসা বিধিনিষেধ আরোপ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় সরকারি দল, বিরোধী দল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কথা এসেছে। আগামীতে গণমাধ্যমও ভিসা নীতিতে যুক্ত হবে।

US-Visa1
ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। ফাইল ছবি

পিটার হাস বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনে যারাই বাধা দেবে- সরকারি দল, বিরোধী দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিচারবিভাগের সদস্য কিংবা গণমাধ্যমকর্মী- সবার বিরুদ্ধেই ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ হবে।

মার্কিন ভিসানীতি কোনো স্বাধীন দেশের ওপর হস্তক্ষেপ নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থেই এই ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করা হবে। তবে কতজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভিসানীতি প্রয়োগ করা হবে সে বিষয়ে কিছু জানাননি মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

পিটার হাস বলেন, ‘এখানে সংখ্যা নয়, বার্তাটাই গুরুত্বপূর্ণ। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থেই আমরা এটা করছি।’

চলতি বছরের ২৫ মে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জন্য নতুন ভিসানীতির ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যান্টনি ব্লিংকেন জানিয়েছিলেন, এই নীতির আওতায় যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক গণতান্ত্রিক নির্বাচনের প্রক্রিয়া ব্যাহত করার জন্য দায়ী হলে বা এমন চেষ্টা করেছেন বলে প্রতীয়মান হলে যুক্তরাষ্ট্র তাকে ভিসা দেওয়ার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারবে।

 

সবশেষ গত শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার এক বিবৃতিতে জানান, বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই বিধিনিষেধের আওতায় ক্ষমতাসীন দল এবং বিরোধী দলের সদস্যরা ছাড়াও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যও রয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাধা প্রদানকারী বা এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়া ক্ষুণ্ণের জন্য দায়ী প্রমাণিত ব্যক্তিরাও ভবিষ্যতে এই নীতির অধীনে মার্কিন ভিসার জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হতে পারে।

 

বাংলাদেশের বর্তমান ও প্রাক্তন সরকারি কর্মকর্তা ছাড়াও বিরোধী ও ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্য এবং আইন প্রয়োগকারী, বিচার বিভাগ এবং নিরাপত্তা পরিষেবার সদস্যরাও এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে।

 

বিবৃতিতে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আজকের পদক্ষেপ শান্তিপূর্ণভাবে অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের লক্ষ্যকে সমর্থন করার জন্য এবং বিশ্বব্যাপী যারা গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে চায় তাদের সমর্থনের জন্য। সেই সঙ্গে এই পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত প্রতিশ্রুতিকেও প্রতিফলিত করে।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

আরও সংবাদ দেখুন