
আল ইমরান:
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ জেলায় শান্তি, শৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
গোপালগঞ্জ সেনাক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নাশকতা কিংবা ভোট প্রদান ব্যাহত করার চেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে। এ ধরনের অপরাধে জড়িত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে যৌথ বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।
জেলার গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পরিকল্পিত ও পেশাদার কম্বিং অপারেশন অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনী ও পুলিশের নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এর ফলে জেলার বিভিন্ন এলাকায় দৃশ্যমান নিরাপত্তা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে আস্থা ও স্বস্তি ফিরে এসেছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সেনাবাহিনীর সক্রিয় সহযোগিতায় জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রধান সড়ক ও প্রবেশপথগুলোতে চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নিবিড়ভাবে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। সাধারণ জনগণ যেন নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে যৌথ বাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।
শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে এই সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নির্বাচনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জনগণের আস্থা ও নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
