গোপালগঞ্জ জেলা :
গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আরিফ-উজ-জামান তাঁর কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে জেলা জুড়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হলো।
জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১০ লাখ ৯২ হাজার ৬১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ৫৫ হাজার ২২৮ জন, নারী ভোটার ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৫ জন। তিনটি সংসদীয় আসনে মোট ৩৯৭টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
গোপালগঞ্জ-০১ (মুকসুদপুর–কাশিয়ানী আংশিক) এই আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির সেলিমুজ্জামান মোল্যা (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মিজানুর রহমান (হাতপাখা), জামায়াতে ইসলামীর আবদুল হামীদ মোল্লা (দাঁড়িপাল্লা), সিপিবি'র নীরদ বরন মজুমদার (কাস্তে) এবং জাতীয় পার্টির সুলতান জামান খান (লাঙল)।
এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন আশরাফুল আলম (ফুটবল), এম. আনিসুল ইসলাম (ঘোড়া) ও কাইউম আলী খান (কলস)।
গোপালগঞ্জ-০২ (সদর–কাশিয়ানী আংশিক) সবচেয়ে বেশি প্রার্থী এই আসনে, মোট ১১ জন। দলীয় প্রার্থীরা হলেন বিএনপির কে এম বাবর (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের তসলিম শিকদার (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদের দ্বীন মোহাম্মদ (ট্রাক), জাকের পার্টির মাহমুদ হাসান (গোলাপ ফুল), জাতীয় পার্টির রিয়াজ সরোয়ার মোল্যা (লাঙল), গণফোরামের শাহ মফিজ (উদীয়মান সূর্য) এবং খেলাফত মজলিসের শুয়াইব ইবরাহীম (রিক্সা)।
স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন কামরুজ্জামান ভূঁইয়া (টেলিফোন), উৎপল বিশ্বাস (ফুটবল), এম. এইচ খান মনজু (হরিণ) এবং মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (টেবিল ঘড়ি)।
গোপালগঞ্জ-০৩ (কোটালীপাড়া–টুঙ্গিপাড়া) এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ জন প্রার্থী। দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির এস. এম. জিলানী (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মারুফ শেখ (হাতপাখা), খেলাফত মজলিসের আ: আজিজ (রিক্সা), এনপিপি'র শেখ সালাউদ্দিন (আম), গণফোরামের দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস (উদীয়মান সূর্য) এবং গণঅধিকার পরিষদের আবুল বসার (ট্রাক)।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন মো. হাবিবুর রহমান (ফুটবল) ও গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক (ঘোড়া)।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আরিফ-উজ-জামান প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে অনুসরণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না।
প্রতীক পাওয়ার পরপরই প্রার্থীরা নিজ নিজ সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় সীমিত পরিসরে প্রচারণা শুরু করেছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক- মেহেদী হাসান
Copyright © 2026 Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন. All rights reserved.